মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কী কারণে মমতার নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা জারি লকডাউনের আওতায় থাকবে না যারা পাবজি গেম প্রেমীদের জন্য দেশের বাজারে এলো অপো এফ১৯ প্রো, পাবজি মোবাইল স্পেশাল বক্স ঝালকাঠিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে গুলি, আহত-১, বন্দুক ও গুলি উদ্ধার, অাভিযুক্তের আত্মসমর্পন ঝালকাঠির নলছিটিতে সিটিজেন ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী বিতরণ যখন টাইটানিক ডুবছিল তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল। সেদিন আমি স্নানও করিনি, যদি ওই অবস্থায় দেখে ফেলে! সাকিবকে সাতে খেলানো ভালো লাগেনি হার্শার নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সীমানা প্রাচীর হোসিয়ারী ব্যবসায়ীর দখলে আলীনগরে বৃদ্ধাকে বেদম পিটিয়েছে উচ্ছশৃঙ্খল মা-মেয়ে ও পুত্র ‘খালেদা জিয়ার মতো নেতাকে জেলে নিয়ে পুরলে তোমার মতো নুরুকে খাইতে ১০ সেকেন্ড সময়ও লাগবে না’ চুপি চুপি বিয়ে করে ফেললেন নাজিরা মৌ লকডাউনে বন্ধ থাকতে পারে শেয়ারবাজার কোরআনের ২৬ আয়াত বাতিলের আবেদন খারিজ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ওপর হামলা

জেনে রাখুন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যু হয় যেসব রোগে (প্রথম পর্ব)

মৃত্যু প্রত্যেকটি প্রাণীর জন্যই বাধ্যতামূলক। তবে প্রকৃতির নিয়মে মৃত্যু হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু রোগে ভুগে মারা যাওয়াটাই মেনে নেয়া কষ্টের হয়ে পরে। কিছু সংক্রমণ রোগ আছে যেসব রোগে মানুষের হঠাৎ মৃত্যু হয়ে থাকে।

ইলিনয়েসে অবস্থিত অ্যাডভোকেট লুথেরান জেনারেল হসপিটালের ইনফেকশাস ডিজিজের পরিচালক রবার্ট সাইট্রনবার্গ বলেন, সংক্রমণ রোগের ক্ষেত্রে আপনি কতটা অসুস্থ তা নির্ণয় করতে অনেকগুলো ফ্যাক্টর বিবেচনা করতে হয়।

কিছু রোগের মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস দ্রুত মৃত্যুর দিকে নিয়ে যেতে পারে। তেমনই কিছু রোগ নিয়ে দুই পর্বে সাজানো হছে আমাদের এই প্রতিবেদনটি। আজকে থাকছে এর প্রথম পর্ব। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই, কারণ এ প্রতিবেদনে আলোচিত বেশিরভাগ ইনফেকশন বিরল। চলুন তবে জেনে  নেয়া যাক সেই রোগগুলো সম্পর্কে-

স্ট্রোক
তখনই স্ট্রোক হয়, যখন কোনো ক্লট বা জমাটবাঁধা রক্ত মস্তিষ্কের কোনো রক্তনালীকে ব্লক করে (অথবা রক্তনালী ছিঁড়ে যায়)- যার ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ইশকেমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ক্লট ভাঙনের ওষুধ জীবন বাঁচাতে পারে। কিন্তু সাধারণত তিন ঘণ্টার মধ্যে।

ম্যালেরিয়া
দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা এবং এশিয়ার কিছু অংশে এই মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। পি. ফ্যালসিপেরাম নামক একটি বিশেষ ধরনের ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট জীবননাশের কারণ হতে পারে, বলেন ডা. সাইট্রনবার্গ। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, এই প্যারাসাইটটি দ্রুত লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস করতে পারে- লোহিত রক্তকণিকা শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনি ম্যালেরিয়া প্রবণ দেশে বা অঞ্চলে ভ্রমণ করতে চান, তাহলে ট্রাভেল মেডিসিন স্পেশালিস্ট অথবা ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন, যিনি আপনাকে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের ওষুধ সুপারিশ করতে পারেন।

সিভিয়ার ডেঙ্গু
ডেঙ্গু হচ্ছে আরেকটি মশাবাহিত ইনফেকশন যা ফ্লু’র মতো উপসর্গ সৃষ্টি করে এবং বিশ্ব জনসংখ্যার অর্ধেকেই এর ঝুঁকিতে রয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুসারে। উপসর্গের মধ্যে উচ্চ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা এবং জয়েন্ট ব্যথা অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু এই অসুস্থতা জটিলতায় রূপ নিতে পারে এবং এ অবস্থাকে বলে ‘সিভিয়ার ডেঙ্গু’। তীব্র পেট ব্যথা এবং অনিয়ন্ত্রিত বমির দ্বারা সিভিয়ার ডেঙ্গুকে চিহ্নিত করা যায়, যা প্রাণনাশক হতে পারে। এসব উপসর্গ দেখা দেয়ার ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে একজন রোগীর মেডিক্যাল সেবা প্রয়োজন হয়। ডা. সাইট্রনবার্গ বলেন, ‘ম্যালেরিয়া প্রতিরোধক ওষুধ থাকলেও ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য কোনো ওষুধ নেই। আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে মশা প্রতিরোধক ব্যবহার করা।’

হঠাৎ কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট
হঠাৎ বা সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হৃদস্পন্দন থেমে যায়। এটি তখনই হয়, যখন আমাদের হৃদপিণ্ড সারা শরীরে রক্ত পাম্প করা বন্ধ করে দেয়। বিশ্বে প্রতিবছর অনেক প্রাপ্তবয়স্কের মৃত্যুর জন্য দায়ী অবস্থা হচ্ছে সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এবং পুরুষেরা এর বর্ধিত ঝুঁকিতে থাকে, ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক অনুসারে। প্রায়ক্ষেত্রে সাডেন কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট জনিত মৃত্যু হয় অ্যারিদমিয়ার (যেখানে হার্টবিট অস্বাভাবিক) কারণে। ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের ওয়েবসাইটে উল্লেখ আছে, ‘চিকিৎসা করা না হলে কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত্যু হবে।’ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কিছু লক্ষণ থাকলেও এটি প্রায়সময় সতর্ককারী লক্ষণ ছাড়াই হয়ে থাকে।

নিউমোনিক প্লেগ
ফুসফুস-ভিত্তিক এই প্লেগটি কোনো ইনফেক্টেড ফ্লি (এক ধরনের মাছি) এর কামড় কিংবা কোনো ইনফেক্টেড ব্যক্তির সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। নিউমোনিক প্লেগের প্রাদুর্ভাব আফ্রিকায় সবচেয়ে বেশি। অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা না হলে এ রোগটি ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রাণনাশক হতে পারে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুসারে।

মেনিনগোককসেমিয়া
মেনিনগোকক্কাল ব্যাকটেরিয়া মেনিনগোককসেমিয়া নামক বিরল রোগ সৃষ্টি করতে পারে। ডা. সাইট্রনবার্গ বলেন, ‘এই ব্যাকটেরিয়া রক্তপ্রবাহে মিশে যেতে পারে এবং খুব দ্রুত অর্গান ফেইলিউর ও মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আমি দেখেছি যে, ভালো অনুভব না করার কারণে জরুরি বিভাগে আসা লোকেরা আট ঘণ্টার মধ্যে মারা গেছে। এটি খুব আগ্রাসী হয়ে টিস্যুকে ধ্বংস করে, রক্তনালীতে ক্লট সৃষ্টি করে এবং দ্রুত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মৃত্যু ঘটিয়ে থাকে।’ এটি হচ্ছে সর্বাধিক ভয়ংকর ইনফেকশনের একটি। যাদের প্লীহা (একটি অর্গান, যা শরীরকে কিছু ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে) নেই, তারা মেনিনগোককসেমিয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। এটির সর্বোত্তম চিকিৎসা হচ্ছে টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ, বলেন ডা. সাইট্রনবার্গ।

ডেইলি বাংলাদেশ

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38443433
Users Today : 388
Users Yesterday : 1256
Views Today : 4259
Who's Online : 40
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone