সোমবার, ১০ মে ২০২১, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
করোনা মুক্তির দোয়া করতে মুসলমানদের মসজিদে যাওয়ার অনুরোধ করলো ভারতের পুলিশ লক্ষ্মীপুরে ভুমি কর্মকর্তাকে মারধর মামলায় : আ’লীগ নেতা গ্রেপ্তার মিরসরাই সমিতি কুয়েতের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ঈদের আগে স্বর্ণের দামে সুখবর কাঁকনহাটে গম জব্দ অভিযোগের তীর উঠেছে মেয়রের দিকে নড়াইলে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা নকলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক ভবনে আগুন। ২ লাখ খামারি ২৯২ কোটি টাকা প্রণোদনা পাবে পাকেরহাটে নাসিম সমাজকল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ তানোরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান নিয়ে মেয়রের প্রচারণা ? শ্যামনগর জোবেদা সোহরাব মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় অভ্যন্তরে ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশব্যাপী রাতে গণপরিবহন চালুর দাবি করোনায় ঈদবাজার ও ঈদ উদযাপন  সাইফুল ইসলাম চৌধুরী  ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের সুফল পাচ্ছেনা বরিশালবাসী মা দিবসের শুভেচ্ছা

ঝিনাইদহে সাপে কাটার ওষুধ নেই, গ্রামাঞ্চলে সাপের কামড়ে বাড়ছে মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
সাপের কামড়ে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় পল্লী এলাকার মানুষ। সাপের কামড় হচ্ছে সবচেয়ে অবহেলিত জনস্বাস্থ্য সমস্যা। গ্রামাঞ্চলে সাপের কামড়ে মৃত্যু ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। বর্ষা আসলেই সর্প দংশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সর্প-দংশনে প্রধানত দরিদ্র জনগণ আক্রান্ত হয় যাদের অনেকেরই ওষুধপত্র ক্রয়ের আর্থিক সঙ্গতি নেই। সরকারী চিকিৎসা সেবায় এদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের প্রধানতম উপায়। দুর্ভাগ্যজনক যে, বাংলাদেশের সব জায়গায় সব হাসপাতালে এন্টিভেনম পাওয়া যায় না, যার ফলে সাপের কামড়ে মৃত্যুর হার বেড়েই যাচ্ছে। সময় এসেছে এখনই পদক্ষেপ নেয়া যার ফলে বেঁচে যেতে পারে অসংখ্য মানুষের প্রাণ। সর্প-দংশনে মৃত্যুবরণ করাটা আধুনিক বিশ্বে খুবই দুর্ভাগ্যজনক একটি ঘটনা। কেননা সর্প দংশন প্রবণ এলাকাগুলোতে ইনজেকশন সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো তৈরি করা গেলে বংলাদেশে সর্প-দংশনে মৃত্যুর হার শূন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা সম্ভব হতো। আমাদের হাজারও স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্যে এটিতেই সফলতার হার সর্বোচ্চ হতে পারত কিন্তু চরম হতাশাব্যঞ্জক ঘটনা হলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে উদাসীনতা প্রদর্শন করছে। এটি বাংলাদেশের মানুষের বিশাল একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। সাপে কামড়ানো রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা থাকলেও ঝাড়ফুঁকের জন্য বেশির ভাগ লোক মূল্যবান সময় নষ্ট করে। যার কারণে একটা সময় রোগীকে আর বাচানো সম্ভব হয় না। দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নেওয়া হলেও সরকারি হাসপাতালগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনিত সাপে কাঁটা ওষুধ এন্টিভেনম। এরমধ্যে ৪ অক্টোবর ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের সুন্দরপুর গ্রামে সাপের কামড়ে রামজান আলী (৫০) নামের এক কৃষক মারা গেছেন। তিনি ওই গ্রামের মৃত ভাগাই সরদারের ছেলে। পারিবারিকসূত্রে জানাগেছে, রমজান আলী মাঠে ঘাস কাটছিলেন। সে সময় একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয়। পরে সে দৌড়ে বাড়ি আসলে পরিবারের লোকজন তাকে গ্রাম্য ওঝার কাছে নিয়ে ঝাড়ফুঁক করে বাড়ি নিয়ে আসে। কিছুক্ষন পরে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পথিমধ্যে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে তিনি মারা যান। কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হোসাইন সাফায়াতের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলায় এসব সাপে কাঁটা রোগীর ওষুধ রাখা হয়না। এগুলো মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং কিছু কিছু জেলা সদরে থাকে। অনেক সময় সাপে কাটার রোগী আসলে, যশোর ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়। এখানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কিছু করার নেই। আমাদের না দিলে আমরা কোথা থেকে পাবো। এটা সত্য, সঠিক সময়ে সাপে কাঁটা রুগির শরীরে ইনজেকশন করলে এন্টিভেনম শরীরে থাকা ভেনমকে অকার্যকর করে রুগির জীবন বাচায়। কিন্তু আমরা এ ক্ষেত্রে কিছু করতে পারি না। ওষুধ নেই কোথা থেকে দিব। তিনি আরো জানান, এই এন্টিভেনম ওষুধে পাশর্^ প্রতিক্রিয়াও দেখা দিতে পারে এতে হার্টের সমস্য হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone