রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:১৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
চলমান লকডাউন আরো দুই দিন ভিভো ভি২০, ওয়াই২০ ও ওয়াই১২এস স্মার্টফোনে ডিসকাউন্ট! শিক্ষকের বাসা থেকে গৃহকর্মীর লাশ উদ্ধার ঝর্ণার সন্ধান পাচ্ছেন না গোয়েন্দারা কঠোর লকডাউন: বন্ধ হতে পারে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন স্বামী ঝুঁকিপূর্ণ দৃশ্য করতে গিয়ে মরতে বসেছিলেন সজল-নওশাবা বাংলাদেশি ভেবে ভারতীয় যুবককে গুলি করলো বিএসএফ করোনায় সাভার মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রীর মৃত্যু আইপিএলে কোহলি-ধোনিরা ভালো খেললেই হবে ডোপ পরীক্ষা লাইফ সাপোর্টে সংগীত পরিচালক ফরিদ আহমেদ বরের উচ্চতা ৪০ ইঞ্চি কনের ৪২ সাংবাদিক সুমনকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের ৩ দিনেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ! রাজারাহাটে  ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ত্রাণ বিতরণ নেত্রকোণায় শ্লীলতাহানির ঘটনায় জড়িত তিন অটোরিকশা চালক

ঝিনাইদহে ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৬ হেক্টর জমিতে কৃষকের বিপুল পরিমান টাকা খরচ হচ্ছে আগাছা দমনে

ঝিনাইদহের চাষিরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ধানের আগাছা দমনে, ধান উৎপাদনে এবার খরচ বাড়ছে দ্বিগুন
জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের চাষিরা এখন ধানের আগাছা দমনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এবছর একটু দেরিতে থেমে থেমে বৃষ্টি পাতের কারনে ধানের জমিতে আগাছা পরিমান বেশি। যে কারনে জমিতে আগাছা নাশক ব্যবহার করলে ও ভালো ফল আসেনি। ফলে কৃষকদের বিঘা প্রতি জমিতে প্রায় ৩’হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। সে হিসাবে আমন মৌসুমে ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৬ হেক্টর জমিতে কৃষকের বিপুল পরিমান টাকা আগাছা দমনে খরচ হচ্ছে। এছাড়া ধান উৎপাদনের জন্য উপকরনের দাম বৃদ্ধি পাবার ফলে উৎপানের খরচ বাড়ছে। তবে যে সকল মাঠে ধানের চারা রোপনের পর থেকে জিমিতে প্রয়োজন মত পানির ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে অগাছা পরিমান কম বলে ভুক্তভোগি কৃষকরা জানান। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসান অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৬উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৫ হাজার ৬৪৬ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে সদরে ২৫ হাজার ৩শ হেক্টর, শৈলকুপায় ২৫ হাজার ৮৮০ হেক্টর, হরিণাকুন্ডে ১০ হাজার ৮শ হেক্টর, কালীগঞ্জে ১৯ হাজার ২৭৫ হেক্টর, কোটচাঁদপুরে ৬ হাজার ২৬১ হেক্টর, মহেশপুরে ১৮ হাজার ১৩০ হেক্টর জমি রয়েছে। আর এ পরিমান আবাদ থেকে ৩ লাখ ৫ হাজার ৮৮ টন চাল উৎপাদনের টার্গেট নেয়া হয়েছে। গত বছর আমন আবাদ করা হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের আশাননগন গ্রামের কৃষক সহিদুল ইসলাম ও জীবনা গ্রামের মিলন মিয়া বলেন, এবছর দেরি বৃষ্টি হয়েছে, তাও আবার থেমে থেমে। যে কারনে জমিতে আগাছার পরিমান একটু বেশি। বিঘা প্রতি জমিনুযায়ি প্রায় ৩’ হাজার টাকার শ্রমিক খরচ হচ্ছে আগাছা দমনে। জেলা কৃষি সস্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জি এম আব্দুর রউফ জানান, ঝিনাইদহে এ বছর একটু দেরিতে বৃষ্টি হওয়াতে এখানে একটু দেরিতে ফসল ফলবে। তবে আমরা কৃষকদের সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে বীজতলা তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছি। গত বছরের তুলনায় কৃষকরা এ বছর বেশি আমনের আবাদ করায় আমরা সন্তুষ্ট। আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখানে আমন আবাদ কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের সারিবদ্ধ চারা রোপণ, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগসহ সব ধরনের পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38441570
Users Today : 1046
Users Yesterday : 1570
Views Today : 12146
Who's Online : 24
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone