মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
৭টি বৈশাখী ছড়া জঙ্গিনেতা মামুনুল হককে  গ্রেফতার – হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ ও জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করুন: কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী) বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা চাঁদ দেখা গেছে, বুধবার থেকে রোজা ঢাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন করে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোর্তজার নামে নামকরণের দাবি পণ্য বিপণনে সমস্যা হলে ফোন করুন জরুরি সেবায় ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান, গুলিতে নিহত ২ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা আসছে, থাকছে জেল-জরিমানা হাতে বড় একটি ট্যাবলেট ফোন নিয়ে ডিজিটাল জুয়ার আসরে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী রমজানের নতুন চাঁদ দেখে বিশ্বনবী যে দোয়া পড়তেন ফরিদপুরে চাের সন্দেহে গণপিটুনীতে একজন নিহত এটিএম বুথ থেকে তোলা যাবে এক লাখ টাকা যৌবন দীর্ঘস্থায়ী করে যোগ ব্যায়াম ‘শশাঙ্গাসন’

ঝিনাইদহ কেসি কলেজ ছাত্র হোস্টেলের পায়খানার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ মানুষ, নেই প্রতিকার

জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহঃ
শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যন্ডে অবস্থিত ঝিনাইদহ সরকারী কেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবাসের মলযুক্ত ময়লা পানির দুগর্ন্ধে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পুলিশ বক্সে বসে কোন ট্রাফিক ও পুলিশ সদস্য ডিউটি করতে পারছেন না। তাজা পায়খানার বিশ্রী গন্ধে মানুষ নাকে রুমাল দিয়ে চলাফেরা করছে। শনিবার দুপুরে সরেজমির পরিদর্শন করে দেখা গেছে কেসি কলেজের বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ছাত্রাবাসের চারিদিকে ময়লা পানিতে সয়লাব। বিশেষ করে ছাত্রাবাসের সামনের অংশে যে খানে পুলিশ বক্স অবস্থিত সেখানে প্রাচিরের পাশে ময়লা পানি জমে আছে। ছাত্রবাসের ট্যাংকি উপচে পানি রাস্তায় প্রবাহিত হচ্ছে। সব ট্যাংকিগুলো ভরে গেছে। ছাত্ররাও দুগর্ন্ধে পড়ালেখা করতে পারছে না। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রবাসটি নির্মানের পর থেকে পানি নিস্কাষনের কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। ফলে গোসলের পানি ও টয়লেটের পানিতে একাকার হয়ে যাচ্ছে। গত আষাড় মাস থেকেই ছাত্রাবাসের পানি একের পর এক বের হয়ে রাস্তায় আসলেও কলেজ কর্তৃপক্ষ পৌরসভার দিকে তাকিয়ে আছে। অথচ কলেজ কর্তৃপক্ষ নির্মানাধীন প্রতিষ্ঠান দিয়ে ড্রেনের কাজ করাতে পারতো। তাছাড়া কলেজ ফান্ড থেকে তারা স্থায়ী ব্যবস্থা করতে পারলেও তা না করে ট্যাংকি পরিস্তার করেই দায় এড়িয়ে যাচ্ছে। ট্রাফিক সার্জেন্ট মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা দুগর্ন্ধে ঠিকমতো পুলিশ বক্সে বসতে পারছি না। পুলিশ ভাইয়েরা ও পথচারিরা খুব কষ্টে আছেন। পথচারি গোলাম রসুল বলেন, আমরা কেসি কলেজের হোস্টেলের পাশে যখন যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছিলাম, তখন উৎকট গন্ধে বমি ঠেলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে কেসি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও হোস্টেল সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, এক মাস আগে আমরা ট্যাংকি পরিস্কার করেছি। স্থায়ী ড্রেন না থাকায় কোন সুরাহা হচ্ছে না। এ জন্য পানি সরছে না। তিনি বলেন ড্রেন করার জন্য পৌরসভাকে বলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444167
Users Today : 1122
Users Yesterday : 1256
Views Today : 14708
Who's Online : 47
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone