বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
১৫ হাজার দুঃস্থ পরিবারকে রায়পুরের সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট নয়নের ঈদ উপহার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্হগিত হওয়া উপনির্বাচন সম্পন্ন করার দাবী এলাকাবাসীর ১৩ তলার গাজা টাওয়ার গুড়িয়ে দিল ইসরায়েল ভারতে ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ৪২০৫ জনের মৃত্যু ইসরাইল বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল নিউইয়র্ক ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৬ জনের মৃত্যু যশোরে গরীব দুস্থদের মাঝে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের ঈদ উপহার বিতরণ বোচাগঞ্জে অসহায় আনসার ভিডিপি সদস্য/ সদস্যাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতর বেনাপোল বাহাদুরপুর গ্রামে ১৫শ পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ চীনা রাষ্ট্রদূতের কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্যের নিন্দা শ্যামনগরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলা আহত-৩, আটক-৫ ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আখি আত্মহনন, স্বামী আটক দ্বিতীয় ধাপে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ রোজা ৩০টি হবে, জানালো সৌদি আরব সেই মিতু হত্যার অভিযোগে স্বামী পুলিশকর্তা বাবুল আক্তার গ্রেপ্তার

নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে সাকিবদের হারালো মুম্বাই

আন্দ্রে রাসেলের বোলিং তোপের মুখে ১৫২ রান করেও অবিশ্বাস্য জয় পেলো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রাহুল চাহারের স্পিনে ব্রেক থ্রু পর তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে ৭ উইকেটে ১৪২ রানে থামিয়েছে। দারুণ প্রত্যাবর্তনের নজির গড়ে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা প্রথম জয় পেলো ১০ রানে।

নিতিশ রানা ও শুভমান গিলের উদ্বোধনী জুটিতে দাপুটে শুরু করে কলকাতা। ১৫৩ রানের লক্ষ্যে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে তারা করে ৪৫ রান। নবম ওভারে চাহার বল হাতে নেওয়া পর্যন্ত সবই ছিল কলকাতার পক্ষে। ওই ওভারের পঞ্চম বলে শুভমান গিলকে (৩৩) ফিরিয়ে শুরু ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন এই স্পিনার। টানা চার ওভারের প্রত্যেকটিতে একটি করে উইকেট নিয়ে শেষ করেন চাহার।

তাতে ৭২ রানে প্রথম উইকেট হারানো কলকাতার ১২২ রানেই নেই ৪ উইকেট। ৪০ বলে ৬ চার ও ২ ছয়ে টানা দ্বিতীয় ফিফটি করা নিতিশকে চতুর্থ শিকার বানান চাহার। কলকাতা ওপেনারের ৪৭ বলে আসে ৫৭ রান। মাঝে রাহুল ত্রিপাঠী (৫) ও অধিনায়ক এউইন মরগ্যানকে (৭) মাঠছাড়া করেন মুম্বাই লেগব্রেকার। স্কোরবোর্ডে আর কোনও রান যোগ না হতে সাকিব আল হাসানকে ফেরান ক্রুনাল পান্ডিয়া। রোহিত শর্মাকে প্রথম বলে চার মারা বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান ৯ বলে ৯ রান করেন।

চাপে পড়া কলকাতার হাল ধরেছিলেন দিনেশ কার্তিক ও আন্দ্রে রাসেল। যদিও সাকিবকে আউটের তিন বল পরই রাসেলের ফিরতি ক্যাচ ছেড়ে দেন ক্রুনাল। আবারও তার বলে জীবন পান উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান। ৫ রানে তার ক্যাচ ফেলেন যশপ্রীত বুমরা। দুইবার জীবন পেয়েও নায়ক হতে পারেননি রাসেল।

শেষ দুই ওভারে ১৯ রান দরকার ছিল কলকাতার। দুই দলের হাতেই ছিল ম্যাচ। কিন্তু বুমরা ও ট্রেন্ট বোল্টের অসাধারণ বোলিংয়ে জয়ের স্বাদ পায় মুম্বাই। ১৯তম ওভারে বুমরা প্রথম চার বলে একটি করে রান দেওয়ার পর টানা দুই বল ডট দেন। মাত্র ৪ রান দিয়ে ভারতীয় পেসার চাপে ফেলেন কলকাতাকে। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৫ রান। বোল্ট তা প্রতিহত করার দায়িত্ব পান এবং প্রথম দুই বলে একটি করে রান দেওয়ার পর ফিরতি ক্যাচে রাসেলকে (৯) ফেরান। নতুন ব্যাটসম্যান প্যাট কামিন্স এসেই বোল্ড হন। হরভজন সিং দুই রান নিয়ে নিউ জিল্যান্ড পেসারকে হ্যাটট্রিক করতে দেননি। তাতে শেষ বলে ১১ রান দরকার পড়ে কলকাতার, যা ছিল ছিল অসম্ভব।

চাহার মুম্বাইয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন ২৭ রান দিয়ে। দুটি উইকেট পান বোল্ট।

এর আগে সাকিবের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সঙ্গে রাসেলের ফাইফারে মুম্বাইকে শেষ বলে ১৫২ রানে অলআউট করে কলকাতা। চেন্নাইয়ের চেপুকে এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং নিয়ে দ্বিতীয় ওভারেই বরুণ চক্রবর্ত্তী ফেরান প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা কুইন্টন ডি কককে। ক্রিস লিনের বদলে একাদশে জায়গা পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান মাত্র ২ রান করে রাহুল ত্রিপাঠীকে ক্যাচ দেন।

১০ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও রোহিত শর্মা ও সূর্যকুমার যাদব ছন্দে ফেরান মুম্বাইকে। সাকিবের বোলিং ছিল দেখার মতো। এই দুই ব্যাটসম্যান তার প্রথম ওভারে নেন ৪ রান, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওভারে সাকিব দেন ছয়টি করে রান। বড় জুটির আভাস দেওয়া রোহিত ও সূর্যকুমারকে তিনি বিচ্ছিন্ন করেন নিজের শেষ ওভারে। দ্বিতীয় বলে চার মারার পরের বলটি উঁচুতে মেরেছিলেন সূর্যকুমার। লং অফে শুভমান গিলের সহজ ক্যাচ হন ৩৩ বলে ফিফটি করা এই ব্যাটসম্যান।

সূর্যকুমারের ৩৬ বলে করা ৫৬ রানের ইনিংস ছিল ৭ চার ও ২ ছয়ে সাজানো। ৭৬ রানের জুটি ভেঙে দিয়ে সাকিব ওই ওভার শেষ করেন ৭ রান দিয়ে। তার বোলিং ফিগার ৪-০-২৩-১। পরের ওভারে ইশান কিষাণকে (১) প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার ক্যাচ বানান কামিন্স। ১৬তম ওভারে রোহিতের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিও পান অস্ট্রেলিয়ান পেসার। ৩২ বলে ৩ চার ও ১ ছয়ে ৪৩ রান করে বোল্ড হন মুম্বাই অধিনায়ক।

রোহিতের বিদায়ে ছন্দ হারায় মুম্বাই। ৮ বলের ব্যবধানে তিন ব্যাটসম্যান আউট হন। আগের ম্যাচে ১৩ রান করা হার্দিক পান্ডিয়া (১৫) এবারও ব্যর্থ। প্রসিদ্ধের শিকার হন তিনি। রাসেল জোড়া আঘাত হানেন ক্যারিবিয়ান সতীর্থ কিয়েরন পোলার্ড (৫) ও মার্কো জ্যানসেনকে টানা দুই বলে ফিরিয়ে।

শেষ ওভারে টানা দুটি চারে দলীয় স্কোর দেড়শতে রেখে মাঠ ছাড়েন ক্রুনাল। চাহারের সঙ্গে তার জুটি ছিল ১২ বলে ২৪ রানের। ৯ বলে তিন চারে ১৫ রান করে রাসেলের কাছে আউট হন। পরের বলে যশপ্রীত বুমরাকে ডিপ মিডউইকেটে সাকিবের ক্যাচ বানিয়ে হ্যাটট্রিকের সুযোগ তৈরি করেন উইন্ডিজ পেসার। রাহুল চাহার দুটি রান নিয়ে তাকে সুযোগ বঞ্চিত করেন। শেষ বলে তাকে শুভমানের ক্যাচ বানিয়ে ফাইফার উদযাপনে করেন রাসেল। মাত্র ২ ওভারে ১৫ রান দিয়ে এই আসরের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে পাঁচ উইকেট পেলেন তিনি।

শেষ পাঁচ ওভারে ৩৮ রানে ৭ উইকেট হারিয়েছে মুম্বাই। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পেসার হার্শা প্যাটেল ৫ উইকেট নিয়ে মুম্বাইকে ১৫৯ রানে থামান।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone