মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে গোল্ডেন ক্রাউন তরমুজ চাষে সফল তিন তরুণ সোনাগাজীতে জাতীয় পার্টির পক্ষে ২শতাধিক ব্যক্তির মাঝে নগদ টাকা বিতরণ লক্ষ্মীপুরে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে হঠাৎ প্রতিবন্ধীর বাড়িতে হাজির ওসি জসিম উদ্দিন ময়মনসিংহের ত্রিশালে সাংবাদিক এনামুল ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল করোনায় পরিবহন শ্রমিকদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে : আ ন ম শামসুল ইসলাম বিয়ে করার জন্য পাত্র খুজছেন তসলিমা নাসরিন ছাত্রীর স্ত”নে শিক্ষকের একাধিক বে’ত্রাঘা’ত, হা’সপা’তা’লে শিক্ষার্থী সাপাহারে ভিজিএফ’র তালিকা প্রস্তুতে অনিয়মের অভিযোগ করোনাকালীন শিক্ষা, আমাদের অর্জন ও ভবিষ্যত। ডোমারে শিশুদের মাঝে ঈদের পোষাক উপহার দিল সবার পাঠশালা গাইবান্ধায় বিশ্ব মা দিবস উদযাপন বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে কৃষকের ছাউনি এক বোটায় ধরেছে ৭ লাউ! শিক্ষার্থীদের জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে করার নির্দেশ ডিজিটাল বুথের মনিটরে ক্লিক করলেই মিলবে জমির খতিয়ান

প্রথম দেখাতেই এলিজাবেথের হৃদয়ে ঢুকে যান গ্রিক রাজপুত্র ফিলিপ

ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী ডিউক অব এডিনবরা প্রিন্স ফিলিপ আর নেই।শুক্রবার (৯ এপ্রিল) সকালে রাজভবন উইন্ডসর ক্যাসেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর।

১৯৪৭ সালের ২০ নভেম্বর ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে বিয়ে হয় প্রিন্স ফিলিপ এবং দ্বিতীয় এলিজাবেথের।তাদের বাগদানের আগে প্রিন্স ফিলিপের নতুন জাতীয়তা ও পারিবারিক নামের প্রয়োজন হয়। তিনি তার গ্রিক রাজ উপাধি ত্যাগ করে ব্রিটিশ নাগরিক হন। মায়ের নামের ইংরেজিকরণ মাউন্টব্যাটন গ্রহণ করেন।

প্রিন্স ফিলিপ অব গ্রিস করফু দ্বীপে ১৯২১ সালের ১০ জুন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু অব গ্রিস, রাজা প্রথম জর্জ অব হেলেনসের কনিষ্ঠ পুত্র।

তার মা প্রিন্সেস অ্যালিস অব বাটেনবার্গ, প্রিন্স লুইস অব বাটেনবার্গের বড় সন্তান। আর বোন আর্ল মাউন্টব্যাটেন অব বার্মা।

১৯২২ সালে অভ্যুত্থানের পর তার বাবাকে গ্রিস থেকে নির্বাসনে পাঠায় বিপ্লবী আদালত। তখন পরিবারটিকে ইতালি নিয়ে যেতে রাজা পঞ্চম জর্জ একটি ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ পাঠান।

এই সমুদ্রযাত্রার বেশিরভাগ সময় কমলাবাহী একটি ঝুড়িতে থাকতে হয়েছে শিশু প্রিন্স ফিলিপকে।

তিনি ছিলেন বাবা-মায়ের কনিষ্ঠ সন্তান, আর পরিবারে বোনদের একমাত্র ভাই। যে কারণে বেশ আদর আর ভালোবাসায় তার শৈশব কেটেছে।

তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফ্রান্সে। সাত বছর বয়সে ইংল্যান্ডের মাউন্টব্যাটেনে আত্মীয়দের সঙ্গে বসবাস করতে চলে আসেন। এখানে সুরি কাউন্টিতে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তিনি ভর্তি হন।

সামরিক বাহিনীতে ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ফিলিপ ব্রিটেনের রাজকীয় বিমান বাহিনীতে যোগ দেন। তার মায়ের পরিবারের সমুদ্রভ্রমণের ঐতিহ্য ছিল। যে কারণে তিনি ডারমাউথে ব্রিটানিয়া রয়েল নেভাল কলেজের একজন ক্যাডেট হন।

বিবিসির খবরে বলা হয়, রাজা ষষ্ঠ জর্জ ও রানি এলিজাবেথ কলেজটিতে ভ্রমণে গেলে দুই প্রিন্সেস এলিজাবথ ও মার্গারেটের সহচর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিলিপ। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, প্রিন্স ফিলিপ সেখানে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হন। ১৩ বছর বয়সী কিশোরী প্রিন্সেস এলিজাবেথের হৃদয়ে তিনি গভীর ছাপ ফেলে দেন।

আর এখান থেকেই তাদের প্রেমের শুরু। যা পরবর্তীতে ৭৩ বছরের দাম্পত্য জীবনে রূপ নেয়।

ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারে দ্রুতই নিজের অবিশ্বাস্য সম্ভাবনা দেখিয়ে দেন প্রিন্স ফিলিপ। ১৯৪০ সালে শ্রেণিকক্ষে নিজেকে সেরা ছাত্র হিসেবে প্রমাণ করেন এবং ভারত সাগরে প্রথমবারের মতো সামরিক পদক্ষেপ দেখান। ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস ভ্যালিয়েন্টের বহরে তাকে স্থানাস্তর করা হয়।

১৯৪১ সালে কেপ ম্যাটাপান যুদ্ধে অংশ নিয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দেন এই রাজপুত্র। তিনি জাহাজের সার্চলাইটের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ছিলেন। এতে রাতের বেলার সামরিক কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২০১৪ সালে বিবিসি রেডিও ৪-কে তিনি বলেন, রাতের বেলা আরেকটি যুদ্ধজাহাজ আমার চোখেল সামনে ভেসে ওঠে। দেখামাত্রই সেটির মাঝের অংশ জ্বালিয়ে দিই। গোলার আঘাতে সেটি তাৎক্ষণিক অদৃশ্য হয়ে যায়।

১৯৪২ সালের অক্টোবরে রয়েল নেভির প্রথম কনিষ্ঠ লেফটেন্যান্টদের একজন হিসেবে ডেস্ট্রয়ার এইচএমএসে ওয়ালেসে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

এই পুরো সময়টিতে প্রিন্সেস এলিজাবেথের সঙ্গে তার চিঠি আদানপ্রদান হয়। বিভিন্ন উপলক্ষ্য ও অনুষ্ঠানে রাজপরিবারের সঙ্গে থাকতে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

১৯৪৩ সালের ক্রিসমাস শেষ হলে কোনো এক সফরের পর নৌবাহিনীর উর্দি পরিহিত ফিলিপের একটি ছবি তার ড্রেসিং টেবিলে রাখেন এলিজাবেথ। তাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শান্তিকালীন সময়ে। যদিও সভাষদদের তরফ থেকে কেউ কেউ এর বিরোধিতাও করেছেন।

ফিলিপকে একজন সভাষদ ‘বাজে আচরণের লোক’ বলে বর্ণনা করেন। কিন্তু প্রিন্সেস এলিজাবেথ খুব ভালোভাবেই তার প্রেমে ডুবে যান। ১৯৪৬ সালে রাজার কাছে প্রথম তাদের বিয়ের কথা তোলা হয়।

বিয়ের অনুষ্ঠানের আগের দিন তাকে রাজকীয় পদমর্যাদা দেওয়া হয়। বিয়ের দিন সকালে তিনি ডিউক অব এডিনবার্গ পদবি নেন।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone