মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৭:১৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ঢাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন করে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোর্তজার নামে নামকরণের দাবি পণ্য বিপণনে সমস্যা হলে ফোন করুন জরুরি সেবায় ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান, গুলিতে নিহত ২ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা আসছে, থাকছে জেল-জরিমানা হাতে বড় একটি ট্যাবলেট ফোন নিয়ে ডিজিটাল জুয়ার আসরে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী রমজানের নতুন চাঁদ দেখে বিশ্বনবী যে দোয়া পড়তেন ফরিদপুরে চাের সন্দেহে গণপিটুনীতে একজন নিহত এটিএম বুথ থেকে তোলা যাবে এক লাখ টাকা যৌবন দীর্ঘস্থায়ী করে যোগ ব্যায়াম ‘শশাঙ্গাসন’ আজ চৈত্র সংক্রান্তি মসজিদে সর্বোচ্চ ২০ জন নিয়ে নামাজ পড়া যাবে অপহরণ করা হয়েছিলো ম্যারাডোনাকে দুপুরে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন বসুন্ধরা সিটি শপিংমল খোলা থাকবে মঙ্গলবার

প্রাথমিকে সহকারী প্রধান শিক্ষকসহ নতুন তিন পদ

পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। এর পরবর্তী তিন বছর পর প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবে। প্রধান শিক্ষক পদটি ১০তম গ্রেড করা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও অনেকে সারাজীবনে একটিও পদোন্নতি পান না। নিয়োগ পাওয়া পদে থেকেই তাদের অবসরে চলে যেতে হচ্ছে। সহকারী শিক্ষক থেকে পরবর্তী সাত বছর পর প্রধান শিক্ষক হওয়ার কথা থাকলেও পদ স্বল্পতার কারণে অনেকে পদোন্নতি পান না। এ কারণে হতাশা আর অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের কর্মজীবন শেষ করতে হয়। শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে আমরা নতুন পদ সৃষ্টি করেছি। জনপ্রশাসন থেকে এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন পদটি শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়াও নীতিমালায় শারীরিক শিক্ষা ও সঙ্গীত শিক্ষকদের বিষয়টি যুক্ত করা হবে।

এসব শিক্ষকের যোগ্যতা কী হবে তা পরবর্তী সভায় নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আশ্বাস দেয়া হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। দাবি বাস্তবায়নে সহকারীদের ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০তম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা নাকচ ক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা আরেক ধাপে সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। এতে নতুন সৃজন করা সহকারী প্রধান শিক্ষক, সঙ্গীত ও শারীরিক শিক্ষক পদ অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে।

সোমবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এ-সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার প্রধান ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. বদরুল হাসান বাবুল।

সভা শেষে অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মো. বদরুল হাসান বাবুল জাগো নিউজকে বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নামে নতুন পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এ পদটিকে ১১তম গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পর পরবর্তী চার বছর পর এ পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। এর পরবর্তী তিন বছর পর প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি পাবে। প্রধান শিক্ষক পদটি ১০তম গ্রেড করা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও অনেকে সারাজীবনে একটিও পদোন্নতি পান না। নিয়োগ পাওয়া পদে থেকেই তাদের অবসরে চলে যেতে হচ্ছে। সহকারী শিক্ষক থেকে পরবর্তী সাত বছর পর প্রধান শিক্ষক হওয়ার কথা থাকলেও পদ স্বল্পতার কারণে অনেকে পদোন্নতি পান না। এ কারণে হতাশা আর অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের কর্মজীবন শেষ করতে হয়। শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে আমরা নতুন পদ সৃষ্টি করেছি। জনপ্রশাসন থেকে এটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন পদটি শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ লক্ষ্যে নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়াও নীতিমালায় শারীরিক শিক্ষা ও সঙ্গীত শিক্ষকদের বিষয়টি যুক্ত করা হবে।

এসব শিক্ষকের যোগ্যতা কী হবে তা পরবর্তী সভায় নির্ধারণ করা হবে বলে তিনি জানান।

জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপে সহকারী শিক্ষকদের গ্রেড নির্ধারণের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছেন। তাদের দাবি বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আশ্বাস দেয়া হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। দাবি বাস্তবায়নে সহকারীদের ১২তম গ্রেড ও প্রধান শিক্ষকদের ১০তম গ্রেডের প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও তা নাকচ করা হয়।

যদিও বিষয়টি নিয়ে আবারও আলোচনায় বসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পাশাপাশি নতুন পদ সৃজন করে শিক্ষকদের পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

রা হয়।

যদিও বিষয়টি নিয়ে আবারও আলোচনায় বসার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তার পাশাপাশি নতুন পদ সৃজন করে শিক্ষকদের পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444119
Users Today : 1074
Users Yesterday : 1256
Views Today : 14261
Who's Online : 35
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone