শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ১০:৫৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিচারের বাঁণী নিভৃতে কাঁদে তানোরে সাজানো মামলা নিয়ে তোলপাড়  ! দেশের প্রথম খানসামা থানায় করোনা যোদ্ধা কনস্টেবল নাজমুল হোসেন স্মৃতি লাইব্রেরীর ভিত্তি স্থাপন মসজিদ নির্মাণে অনুদান প্রদান নারীর স্বাবলম্বী ও স্বাধীনতার নামে পণ্য হিসেবে ব্যবহার! দায়ী কে? গাইবান্ধায় ধান মাড়াই মেশিনের চাপায় চালকের মৃত্যু এস এ চয়েস মিউজিকের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী  বরিশালে ভ্রাম্যমাণ আদাতের পৃথক অভিযানে জরিমানা বরিশালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এলজিইডির প্রকৌশলীকে মারধর করলো ঠিকাদার যশোরের বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ১ দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় হিন্দু তরুণীর ইসলাম গ্রহণ আজ জুমাতুল বিদা,তাই বিচ্ছেদের রক্তক্ষরণ চলছে মুমিন হৃদয়ে ! পুলিশকে চাঁদা দিয়ে না খেয়ে রোজা রাখলেন রিকশাওয়ালা ১৩৫ বছর বয়সেও খালি চোখে কোরআন তেলাওয়াত করেন সিলেটের তৈয়ব আলী

প্রায় ৪০ হাজার কিডনি অকেজো রোগীর সামর্থ নেই চিকিত্সার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
১৬ নভেম্বর, ২০১৯
প্রায় ৪০ হাজার কিডনি অকেজো রোগীর সামর্থ নেই চিকিত্সার
শুরুতে সনাক্ত হলে ৬০ ভাগ কিডনি রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব 

কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের যোগ সূত্র অত্যান্ত নিবির। বাংলাদেশে প্রায় ২ কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে কিডনি রোগে আক্রান্ত। প্রতি বছর ৪০ হাজার রোগীর কিডনি বিকল হয় এবং তাদের ৮০ ভাগই মৃত্যুবরণ করে চিকিৎসার অভাবে। কিডনি বিকলের চিকিৎসা ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ২০১৮ সালের সমীক্ষা বলছে, ৪০ হাজার কিডনি অকেজো রোগীর মধ্যে কেবল মাত্র ১০ হাজার নুতন কিডনি অকেজো রোগী ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন করার সুযোগ পায়। বাকি ৩০ হাজার রোগী চিকিত্সার সুযোগের অভাবে মৃত্যুবরন করে। এই রোগীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস করার ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন এবং প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে কিডনি সংযোজনের ব্যবস্থা চালু হওয়া দরকার। পাশাপাশি বিশেষভাবে প্রয়োজন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ, ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন ও নার্সদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা।

শনিবার (১৬ নভেম্বর, ২০১৯) কিডনি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুইদিনব্যাপি বার্ষিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক বিগ্রিডিয়ার (অব:) আব্দুল মালিক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা. এ এস এম মতিউর রহমান ও বাংলাদেশ ডায়াবেটিস এসোসিয়েশনের (বাডাস) সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন লন্ডনের রয়েল হসপিটালের অধ্যাপক মাগদী ইয়াকুব।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কিডনি ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ডা. এম এ ওয়াহাব, মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম মুহিবুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিনি ফেরদৌস রশিদ প্রম–খ। এতে দেশ-বিদেশের প্রায় দুইশ’র অধিক কিডনি ও ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক অংশ নেন। অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদের লেখা ‘কিডনি রোগের চিকিত্সা ও প্রতিকার’ এবং তানজিনা রহমানের লেখা ডায়ালাইসিস রোগীদের স্বাস্থ্য পরিচর্যার জন্য পুষ্টি তথ্য সংক্রান্ত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। সেমিনার পর্বে দেশী-বিদেশী চিকিত্সকগণ কিডনি রোগের বিভিন্ন দিক, ডায়াবেটিস রোগীর চিকিত্সা, মৃত ব্যক্তির কিডনি দিয়ে কিডনি অকেজো রোগীর দেহে কিডনি সংযোজন সহ উন্নত বিশ্বের উন্নত চিকিত্সাপদ্ধতি নিয়ে বিশেষ প্রবন্ধ উত্থাপন করেন।

প্রধান অতিথি জাতীয় অধ্যাপক ব্রি. (অব.) আব্দুল মালেক বলেন, বাংলাদেশের অসংক্রামক রোগের ভয়াবহতা ব্যাপক। বিশেষ করে কিডনি, ডায়াবেটিস, হার্টের মতো অসংক্রামক রোগসমূহ থেকে মানুষকে রক্ষা করা দরকার। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়া, পুষ্টিকর ও সুষম খাবার পরিমিত গ্রহণ, নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করলে সুস্থ থাকা যায়।

অধ্যাপক এ কে আজাদ খান বলেন, বহুম–ত্র বা ডায়াবেটিসের সঙ্গে কিডনি রোগের সম্পর্ক অত্যান্ত নিবির। ডায়াবেটিস রোগের বিস্তার রোধে তিনি সবাইকে প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটা ও ব্যায়াম করার পরামর্শ ছাড়াও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ, ফাস্টফুড পরিহার করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেবার কথা বলেন।

সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব:) অধ্যাপক ডা. এ এস এম মতিউর রহমান বলেন, কিডনি রোগের ভয়াবহতা অনেক। তবে ডায়ালাইসিস ও কিডনি সংযোজনের চিকিত্সাকে সীমিত পর্যায়ে না রেখে আরো সম্প্রসারিত করা দরকার।

অধ্যাপক মাগদী ইয়াকুব কিডনি, ডায়াবেটিস ও হূপিন্ডের রোগের নুতন চিকিত্সা পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য গবেষণার ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন এবং কিডনি ফাউন্ডেশন, ডায়াবেটিক হাসপাতাল ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ে যৌথ গবেষণা করারও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

অধ্যাপক হারুন আর রশিদ বলেন, নিরব ঘাতক কিডনী রোগ কিডনির ক্ষতি করছে কোন উপসর্গ ছাড়াই। অনেকের কিডনি পরিপ–র্ণ বিকল হয়ে যাচ্ছে; ব্যাপক হাড়ে বাড়ছে কিডনি রোগী। তিনি বলেন, কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করলে ৬০ ভাগ ক্ষেত্রে সম্পূর্ন নিরাময় করা সম্ভব। এজন্য কিডনি রোগ হবার আগে সতর্কতামুলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এই রোগ প্রতিরোধে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও কায়িক শ্রম, অতিরিক্ত লবন পরিত্যাগ, ফাস্টফুড, চর্বি জাতীয় ও ভেজাল খাবারসহ ধুমপান বর্জন করার পরামর্শ দেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone