শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ১০:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিচারের বাঁণী নিভৃতে কাঁদে তানোরে সাজানো মামলা নিয়ে তোলপাড়  ! দেশের প্রথম খানসামা থানায় করোনা যোদ্ধা কনস্টেবল নাজমুল হোসেন স্মৃতি লাইব্রেরীর ভিত্তি স্থাপন মসজিদ নির্মাণে অনুদান প্রদান নারীর স্বাবলম্বী ও স্বাধীনতার নামে পণ্য হিসেবে ব্যবহার! দায়ী কে? গাইবান্ধায় ধান মাড়াই মেশিনের চাপায় চালকের মৃত্যু এস এ চয়েস মিউজিকের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী  বরিশালে ভ্রাম্যমাণ আদাতের পৃথক অভিযানে জরিমানা বরিশালে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতার উদ্যোগে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ এলজিইডির প্রকৌশলীকে মারধর করলো ঠিকাদার যশোরের বেনাপোলে ভারতীয় গাঁজাসহ আটক ১ দেশে করোনায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যু রোজার মহিমায় মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় হিন্দু তরুণীর ইসলাম গ্রহণ আজ জুমাতুল বিদা,তাই বিচ্ছেদের রক্তক্ষরণ চলছে মুমিন হৃদয়ে ! পুলিশকে চাঁদা দিয়ে না খেয়ে রোজা রাখলেন রিকশাওয়ালা ১৩৫ বছর বয়সেও খালি চোখে কোরআন তেলাওয়াত করেন সিলেটের তৈয়ব আলী

বিরামপুরে মাদকদ্রব্যের সমারোহ দিন দিন বেড়েই চলেছে

দিনাজপুর থেকে মোঃ রেজওয়ান আলী-
দিনাজপুর বিরামপুরে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয়ের সমারোহ দিন দিন বেড়েই চলেছে মর্মে তথ্য মতে জানা যায়। উপজেলার অর্ন্তরালে রয়েছে ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা জনবসতিপূর্ণ এলাকা।
এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জনসাধারণের নিকট হতে জানা যায় যে,বিভিন্ন ভাবে ভিন্ন রুপে গড়ে উঠেছে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয় যাহা দেখার মত রুপ নিয়েছে। মাদকদ্রব্যের ব্যাবসার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন যে বর্তমানে মাদকদ্রব্য ব্যাবসায়িগণ সরাসরি নিজেই আর পণ্য সরবরাহ করে না,তারা বাড়ীর আশ পাশে ঝোপ ঝাড়ে জনগনের দৃষ্টির গোচরে ষ্টক রেখে খদ্দেরের নিকট থেকে অর্থ গ্রহনে তাদেরকে মাদকদ্রব্য পণ্য প্রদান করে থাকেন।
কোন স্হান হতে মাদকদ্রব্য বের করল তা বুঝার কোন উপায় থাকে না। ভিন্ন কৌশল রুপে মাদক বিক্রয়ের জন্য বেশ কিছু প্রতিনিধি কে দ্বায়িত্ব প্রদান করে রেখেছেন,তাদের কাজ শুধু কাস্টমার নির্ধারন করা,প্রতিনিধি গণ এমন ভাবে কাস্টমার নির্বাচন করেন যে আসলে তারা মাদকদ্রব্য সেবনের নিয়মিত নেশা আছে কিনা।
অন্য দিকে কেহ আবার নিজ নিজ বাসা বাড়িতে আরাম কেদারায় বসিয়ে ভদ্র আচরণে মাদকদ্রব্য বিক্রয় করে আসছেন। সেবন কারীগণ বাড়িতে আসলে পূর্বে তাদেরকে সনাক্ত করেন তার পরে বাড়িতে প্রবেশ করে থাকেন। খদ্দের গণকে না বুঝার আগেই কথিত স্হান থেকে মাদকদ্রব্য নিয়ে এসে সেবন কারির হাতে দেন,
এ ভাবে চলে আসছে মাদকদ্রব্যের ক্রয় ও বিক্রয়। এ বিষয়ে জনগনের নিকট স্হানীয় প্রশাসনের তৎপরতার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, তৎপরতা চালাচ্ছেন কিন্তু মাঝে মধ্যে দুই একজনকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারছেন বাঁকী বেশি ভাগ ব্যাবসায়িগণই নির্বিগ্ণে মাদকদ্রব্য ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এ বিষয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই। তারা আরও বলেন প্রশাসনের মধ্যে দ্বায়িত্ব রত অনেক সদস্য গণই সব বিষয়ে জেনেও তা না জানার ভান করে থাকেন মর্মে মতামত প্রকাশ করেন।
কি উপায়ে এই মাদকদ্রব্য থেকে সমাজ ও দেশ কে কলংকমুক্ত করনের উপায় জানতে,তারা বলেন প্রত্যেক ওয়ার্ডের দলীয় নেতা কর্মী রয়েছে মেম্বর,কাউন্সিল,চেয়ারম্যান,ও মেয়র। তারা যদি সজাগ দৃষ্টিতে জনসেবার উন্নয়নের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য রোধে নজরদারি করেন তবে হয়তো মাদকদ্রব্য সরবরাহ ক্রয় বিক্রয় বন্ধই হয়ে যাবে, যাহা চিরসত্য বলে তারা মন্তব্য করেন। আর তা না হয়ে এ ভাবে চলতে থাকলে সমাজের বেহাল দশা হতে আর বেশি সময় লাগবে না,প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের দ্বায়িত্ব রত কর্মকর্তা বৃন্দগণকে বিষয়গুলোর উপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone