মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শিবগঞ্জে কৃষি জমিতে শিল্প পার্কের প্রস্তাবনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন সড়কের বেহাল দশায় চরম জনদুর্ভোগ নেত্রকোণার পূর্বধলায় লকডাউনে খাবারের দাবিতে বিক্ষোভ ৭টি বৈশাখী ছড়া জঙ্গিনেতা মামুনুল হককে  গ্রেফতার – হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ ও জঙ্গি সংগঠন ঘোষণা করুন: কমিউনিস্ট পার্টি(মার্কসবাদী) বিশেষ প্রয়োজনে ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা চাঁদ দেখা গেছে, বুধবার থেকে রোজা ঢাবি মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়ন করে শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. মোর্তজার নামে নামকরণের দাবি পণ্য বিপণনে সমস্যা হলে ফোন করুন জরুরি সেবায় ধর্মীয় নেতাকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় উত্তাল পাকিস্তান, গুলিতে নিহত ২ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা আসছে, থাকছে জেল-জরিমানা হাতে বড় একটি ট্যাবলেট ফোন নিয়ে ডিজিটাল জুয়ার আসরে ব্যস্ত তরুণ-তরুণী রমজানের নতুন চাঁদ দেখে বিশ্বনবী যে দোয়া পড়তেন

ভারতে বিক্ষোভে নিহত বেড়ে ২৩

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে চলা বিক্ষোভ সংঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশেই ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের প্রায় ১৩ জেলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশের মুখপাত্র প্রবীন কুমার জানিয়েছেন, ওই রাজ্যে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে অনেকেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তবে তাদের মৃত্যু পুলিশের গুলিতে হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। তার মতে, বিক্ষোভকারীদের সরাতে ও বিক্ষোভ বন্ধ করতে পুলিশ শুধুমাত্র টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, উত্তরপ্রদেশের রামপুর, সামভাল, মুজাফফরনগর, বিজনর এবং কানপুর জেলায় বিক্ষোভের সময় বেশ কিছু যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেখানকার একটি পুলিশ স্টেশনেও আগুন লাগানো হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের ১৩ জেলায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ প্রকাশ্যে গুলি ছোড়া শুরু করলে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভে ২৬৩ জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি ভারতের সংসদের উভয় কক্ষে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাসের পর রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ বিলটিতে স্বাক্ষরের পর তা আইনে পরিণত হয়। এরপরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আসাম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ। এরপরেই দিল্লি, উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: আল জাজিরা

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38444212
Users Today : 1167
Users Yesterday : 1256
Views Today : 15149
Who's Online : 46
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone