সোমবার, ১৭ মে ২০২১, ০৩:১৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস আজ ১৬ কোটি ৩৭ লাখেরও বেশি মানুষের দেহে করোনা শনাক্ত গাজায় একদিনেই ৪২ জন নিহত রাজারহাটে ইউপি চেয়ারম্যান রবীনন্দ্রনাথ কর্মকারের বিরুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের টাকা মারিং কাটিং করে খাওয়ার অভিযোগ। মাগুরায় অসাধু মাংস ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটে অতিষ্ঠ সাধারণ ক্রেতা যেসব এলাকায় গ্যাস থাকবে না সোমবার পুরো পরিবার শেষ, বাঁচল শুধু পাঁচ মাসের শিশুটি ২৯ মে পর্যন্ত বাড়লো প্রাথমিকের ছুটি নাড়ির টানে ঘরে ফেরা, পদ্মায় ঝরলো ৩১ প্রাণ ইসরাইলি ববর্তার বিরুদ্ধে উত্তাল বিশ্ব বেড়েছে লকডাউন, বন্ধই থাকছে লঞ্চ-ট্রেন-দূরপাল্লার বাস যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন বিমান বাহিনীর প্রধান ওআইসি’র বৈঠক জরুরি ভিত্তিতে ফিলিস্তিন ইস্যুর সমাধান চায় বাংলাদেশ ৪ দেশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বাতিল শিগগিরই দেশে আসছে শক্তিশালী ব্যাটারি ও আল্ট্রা স্লিম ডিজাইনের অপো এফ১৯

যক্ষ্মায় শীর্ষে ভারত, পাঁচে পাকিস্তান…বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

রাশিদ রিয়াজ : বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ভারতে নথিভুক্ত যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা ২৭ লক্ষ (২৬.৯)। পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বের নিরিখে, ৬ শতাংশ যক্ষ্মা আক্রান্ত পাকিস্তানে। বাংলাদেশ আছে সাতে (৬%)। তিনে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। আটে দক্ষিণ আফ্রিকা (৩ শতাংশ)। চারে আছে ফিলিপিন্স। ছয়ে আছে নাইজেরিয়া।হু-এর এই রিপোর্টে প্রকাশ, বিশ্বের মোট যক্ষ্মারোগীর দুই তৃতীয়াংশই রয়েছে উল্লিখিত আটটি দেশে। ২০১৭ সালে গোটা বিশ্বে ১৬ লক্ষ মানুষ যক্ষ্মায় মারা গিয়েছেন। ২০১৮-য় যদিও যক্ষ্মায় মৃত্যু কমে হয়েছে ১৫ লক্ষ। বিশ্বে মৃত্যুর নিরিখে প্রথম ১০-এ যে অসুখগুলি রয়েছে, তার মধ্যে যক্ষ্মা অন্যতম। টাইমস অব ইন্ডিয়া

গোটা বিশ্বে প্রায় এক কোটি মানুষ যক্ষ্মায় ভুগছেন। বলছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক রিপোর্ট। যক্ষ্মা আক্রান্তের নিরিখে দেশ হিসেবে শীর্ষে ভারত। যদিও, অতীতের তুলনায় ভারত যক্ষ্মা রোগী অনেকটাই কমছে। তবে, শীর্ষস্থান থেকে সরে আসতে পারেনি। অদূর ভবিষ্যতে সে সম্ভাবনাও নেই। কারণ, দ্বিতীয় স্থানে থাকা চীনে যক্ষ্মা আক্রান্ত মোটে ৯ শতাংশ। যেখানে দুনিয়ার মোট যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীর ২৭ শতাংশের বাস ভারতে।

হু-র রিপোর্টে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর একটাই, বিগতে এক বছরে যক্ষ্মা আক্রান্তের হার কমেছে। ২০১৭ সালে যেখানে নথিভুক্ত যক্ষ্মারোগীর সংখ্যা ছিল ২৭.৪ লক্ষ, সেখানে ২০১৮ সালে তা নেমে এসেছে ২৬.৯ লক্ষে। ভারতে বিজেটি সরকারের লক্ষ্য, ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতকে যক্ষ্মামুক্ত করা। শুধু টার্গেট স্থির করাই নয়, শেষ তিন বছরে যক্ষ্মার চিকিত্‍‌সায় বরাদ্দও বিপুলাংশে বাড়ানো হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে যেখানে ৬৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে তা বেড়ে হয়েছে ২,৮৪০ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone