বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ১২:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় আসছে, ২ নম্বর সতর্কতা সংকেত করোনায় দেশে মৃত্যু ও শনাক্ত কমেছে কাল থেকে চলবে গণপরিবহন, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা ৫০ হাজার টন চাল আসছে ভারত থেকে গণপরিবহনের জন্য বিআরটিএ’র ৫ নির্দেশনা পার্বতীপুরে হেরোইনসহ একাধিক মাদক মামলার এক আসামি গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে বৃত্তি ও শিক্ষাপোকরণ বিতরণ বড়াইগ্রামে ৪ হাজার ২’শ জনকে প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তা ইউনাইটেড খানসামা’র উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় নারী-পুরুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ বাগেরহাটে মোরেলগঞ্জে সরকারিভাবে ২৭ টাকা কেজি দরে ধান ক্রয়ের উদ্বোধন ১৬ মে পর্যন্ত লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন চরম অর্থ সংকটে ভাড়াটিয়ারা, ভালো নেই বাড়িওয়ালারাও ৬ মে থেকে গণপরিবহন চালুর বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে যা আছে ঈদের ছুটিতে কর্মজীবীদের কর্মস্থলে থাকার নির্দেশ

রমজানে যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের ক্লান্তি কাটাতে কিছুটা রুচিকর খাবারের দরকার আছে। কিন্তু অনেক সময়েই রুচিকর খাবারের নামে আয়োজনটা অনেকটা বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়। আমরা ভুলে যাই রোজার উদ্দেশ্য ও দর্শন। বরং কখনো এমন সব খাবারের আয়োজন করি যা কোনোভাবেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

প্রক্রিয়াজাত ফুড এবং জাংক ফুড হোয়াইট ফুড : এ ধরনের খাবার রোজার সময় এড়িয়ে চলাই বাঞ্ছনীয়। প্রক্রিয়াজাত মাংস স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। সসেজ, নাগেটস, প্যাটি ইত্যাদি সবই প্রক্রিয়াজাত মাংস। এসব মাংসে থাকে উচ্চমাত্রার নাইট্রেট ও সোডিয়াম। এই নাইট্রেট হজম প্রক্রিয়ার এক পর্যায়ে নাইট্রোসএমাইনে পরিণত হয়, যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ হিসেবে পরিচিত। ফাস্টফুডের অন্যতম উপাদান হচ্ছে প্রক্রিয়াজাত মাংস, বাড়তি লবণ ও সম্পৃক্ত চর্বি। বাড়তি লবণ ও সম্পৃক্ত চবি মিলিত ফল মানেই আয়ুষ্কাল হ্রাস। জাংকফুডের মধ্যে চিপস্, ক্যানডিও শরীরের ক্ষতি করে। চিপস্জাতীয় খাবারগুলোর তৈরি করার সময় যখন আলুকে উচ্চ তাপমাত্রায় তেলে ভাজা হয় তখন তাতে এক্রাইলএমাইড নাম একটি রাসায়নিত যৌগের সৃষ্টি যা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসাবে পরিচিত।

পোলাও, বিরিয়ানি, অতিরিক্ত মিষ্টি : অতিরিক্ত ঝাল মসলা ও লবণযুক্ত মাংস কিংবা চালের কোনো খাবারই রোজার সময়ের জন্য ভালো খাবার নয়। এগুলো খাওয়ার পর প্রচণ্ড পিপাসার উদ্রেক হতে পারে। ইফতারে ভাজাপোড়া যেন না খেলেই নয়। অথচ এটি কোনোভাবেই ইফতার বা সেহরির সঙ্গে যায় না। এ ধরনের ভাজাপোড়া কিংবা পোলাও-রেজালা জাতীয় খাবার কোনোভাবেই ইফতার ও সেহরিতে খাওয়া উচিত নয়। এসব খাবারে থাকে প্রচুর পরিমাণে তেল-চর্বি। যা দীর্ঘ উপবাসের পর হজম হতে চায় না বরং পাকস্থলীকে অসহিষ্ণু করে তোলে।

ভাজাপোড়া খাবারই ভালো নয় : উল্লেখ্য রোজায় বাজারে তৈরি ভাজাপোড়া খাবারের অধিকাংশই ভাজা হয় পুরনো তেলে। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। একই তেল বারবার ভাজার ফলে তাতে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সৃষ্টি হয়। এসব রাসায়নিক পদার্থ ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত। একই ঘটনা ঘটতে পারে জিলিপির ক্ষেত্রে, যেটিও ভাজা হয় পুরনো তেলে। কাজেই ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়া সবচেয়ে ক্ষতিকর।

সাদা শক্র: সাদা চিনিকে অনেকেই এক নম্বর শক্র হিসেবে গণ্য করে থাকেন। কারণ মেদবহুলের জন্য চিনিকে সবচেয়ে দায়ী বলে মনে করে আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন। চিনি প্যানক্রিয়েস, লিভার এবং পরিপাকতন্ত্রের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

সেহরিতে চা পান করা ঠিক নয়: ইফতারের পর ঘুমানোর আগ পর্যন্ত শরীরে সারাদিনের পানি স্বল্পতা এবং শরীরকে দূষণমুক্ত করার জন্য প্রচুর পরিমাণ পানি গ্রহণ করা উত্তম। সেহরির পর অনেকই চা পান করে থাকেন। চা অনেক উপকারী এ কথাও প্রায় সবার জানা কিন্তু এই নিবন্ধে গবেষকরা সেহরির পর চা পান থেকে বিরত থাকতে বলেছেন একটি ভিন্ন কারণে। গবেষকরা বলছেন চায়ের মধ্যে রয়েছে ক্যাফেইন। এই ক্যাফেইন প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে শরীরে খনিজ লবণ ও পানিস্বল্পতা দেখা দিয়ে থাকে।

ভেজাল খাবার: ইফতারে অনেক খাবারই আছে যেগুলো স্বাস্থ্যসম্মত কিন্তু ভেজালের কারণে সেগুলোর অধিকাংশই বদহজম, কিডনি রোগ থেকে শুরু করে ক্যান্সার পর্যন্ত করতে পারে। এসব খাবারের তালিকা অনেক দীর্ঘ তবে এগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে ফরমালিনযুক্ত ফল, শাকসবজি, মাছ, দুধ।

পবিত্র মাহে রমজানে খাবারের প্রতি সচেতন হওয়ার দরকার। অন্যথায় ক্যান্সারসহ অনেক মারাত্মক রোগ হতে হতে আমাদের দেহে। তাই ভেজাল মুক্ত খাবার পরিবেশন করার চেষ্টা করব সবাই।

Please Share This Post in Your Social Media


বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

বঙ্গবন্ধু কাতরকণ্ঠে বলেন, মারাত্মক বিপর্যয়

https://twitter.com/WDeshersangbad

© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone