সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বাংলাদেশি শিক্ষকদের আমেরিকান ফেলোশিপের আবেদন চলছে ঘরের কোন জিনিস কতদিন পরপর পরিষ্কার করা জরুরি কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্মম নির্যাতন, পায়ুপথে মাছ ঢুকানোর চেষ্টা পদ্মায় ভেসে উঠল শিশুর মরদেহ ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল বোনের ৭ দিনের সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসতে পারে টার্গেট রমজান মাস তৎপর হয়ে উঠেছে ‘ভিক্ষুক চক্র’ মামুনুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে মিলেছে ৩ ডায়েরি এই ফলগুলো খেয়েই দেখুন! বাস নেই-লঞ্চ নেই, বাড়িতে যাওয়াও থেমে নেই কঠোর লকডাউনেও খোলা থাকবে শিল্প-কারখানা গৃহকর্মীসহ ৯জন করোনায় আক্রান্ত, খালেদার জন্য কেবিন বুকিং বাংলাদেশে করোনা মৃত্যুতে আজও রেকর্ড, বেড়েছে শনাক্ত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসছে

ডিসির বিরুদ্ধে তদন্ত : লক্ষ্মীপুরে আবেদনের ৬ বছরেও হয়নি জমা খারিজ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরমনসা গ্রামে এ এইচ এগ্রো পার্ক লিমিটেডের ২ একর সাড়ে পঞ্চান্ন শতাংশ জমির নামজারি ও জমা খারিজের জন্য ৬ বছর আগে আবেদন করা হয়। কিন্তু ৫০ হাজার টাকা ঘুষ না দেওয়ায় এটি আটকে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এডভোকেট মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। সম্প্রতি দ্বিতীয়বার একই আবেদন করেও কোনো সুফল আসেনি।

কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনে হয়রানির ঘটনায় মনিরুল ইসলাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক, এনডিসি, আরডিসি, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগটি স্থানীয় সরকারের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালককে তদন্তের জন্য বলা হয়। এর প্রেক্ষিতে বুধবার (২১ আগস্ট) স্থানীয় সরকারের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী লক্ষ্মীপুরে তদন্তে আসেন। তিনি সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অভিযোগকারী, জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেন। এসময় তাদের কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে লিখিত বক্তব্য নেন।

তদন্তের বিষয়ে জানতে স্থানীয় সরকার চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক দীপক চক্রবর্তীকে বিকেলে ফোন করলে তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রণালয়ে দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়েছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরমনসা গ্রামে এ এইচ এগ্রো পার্ক লিমিটেড নামের একটি কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ লক্ষ্যে ২০১২ সালের ২৯ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির ২ একর সাড়ে পঞ্চান্ন শতাংশ জমির নামজারী ও জমা খারিজ করার জন্য আবেদন করা হয়। তখন কাজটি করতে জেলা প্রশাসকের তহবিলের জন্য ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন উচ্চমান সহকারী আবদুল জলিল। টাকা না দেয়ায় নামজারি ও জমা খারিজের বিষয়টি নিয়ে আরডিসি, এনডিসি, জেলা প্রশাসক ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করতে থাকেন কোম্পানির প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম। এরপরও ৬ বছরেও তা সম্ভব হয়নি।

সবশেষ চলতি বছরের ২১ মার্চ নামজারিও জমা খারিজের জন্য পুনরায় জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পালের কাছে আবেদন করা হয়। কিন্তু প্রায় ৫ মাস হয়ে গেলেও তা সম্পন্ন হয়নি। কারণ জানতে ফোন করা হলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে অশোচনীয় আচরণ করেন ডিসি। এনিয়ে ওই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

এদিকে ভুক্তভোগীর হয়রানির তদন্তের খবর পেয়ে স্থানীয় কয়েকজন সংবাদকর্মী দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ডিসির কার্যালয়ে জড়ো হয়। এসময় ডিসি অঞ্জন চন্দ্র পাল উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমি জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তা। আমার বিরুদ্ধে কেন নিউজ করবেন? আপনারা আমার বিরুদ্ধে নিউজ করতে পারবেন না। আমার বিরুদ্ধে তদন্ত আসলে সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। তদন্ত আসলেই যে আপনাদের নিউজ করতে হবে, তার কোন মানে নেই’।

Please Share This Post in Your Social Media

দেশের সংবাদ নিউজ পোটালের সেকেনটের ভিজিটর

38442095
Users Today : 306
Users Yesterday : 1265
Views Today : 2511
Who's Online : 30
© All rights reserved © 2011 deshersangbad.com/
Design And Developed By Freelancer Zone