রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সাবেক ডাকসু ভিপি নুরকে নিয়ে ড. রেজা কিবরিয়ার নতুন দল হাতে কোরআন লিখলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী দিয়া ‘অবিলম্বে সরকারিভাবে ’৭১-এর গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’ সরকার মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে- ……..আ স ম রব গোবিন্দগঞ্জে শহীদ মিনারের ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে হামলায় কারাগারে ৮৪ জন বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে — বিশ্ব ক্ষুধা দিবস পালিত ক্ষুধা মুক্ত বিশ্ব গড়ে তুলতে পরিবেশবান্ধব কৃষি ও খাদ্য সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার দাবি শিবগঞ্জে বৃদ্ধার চেইন ছিনতাই, গ্রেফতার ৫নারী হাজীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ-মৃত্যুর ঘটনা গুজব: পূজা উদযাপন পরিষদ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুব সংগ্রাম পরিষদ গঠন করুন: যুব জাগপা শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এহছানে এলাহীকে এসএফসিএল শ্রমিক-কর্মচারীদের পক্ষে মানপত্র প্রদান কবির বাড়ি কবি কে, এম, তোফাজ্জেল হোসেন( জুয়েল খান) অধিকাংশ মন্ত্রী-এমপি পাগল হয়ে গেছে : মোমিন মেহেদী রাবির হল খুলছে কাল, সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন দুমকিতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের মানববন্ধন।

শুক্রবার এলেই নববধূ হন চার সন্তানের জননী, নেপথ্যে করুণ কাহিনি!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : শুক্রবার এলেই তিনি নববধূ হন। সপ্তাহের ওই এক দিনই। পাকিস্তানের চার সন্তানের জননীর এই অদ্ভুত শখে হতবাক পড়শিরাও। প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু শখ থাকে। কেউ সাজতে ভালবাসেন, কেউ গাইতে, কেউ গল্প করতে। কিন্তু প্রতি শুক্রবার নববধূ হওয়ার এমন শখ হয়তো শোনা গিয়েছে বলে মনে হয় না।

হীরা জিশান, বয়স বিয়াল্লিশ। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের এই মহিলা প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে সাজেন। পড়শিরাও তার এই আজব শখ নিয়ে নানা রকম আলোচনাও করেন। কিন্তু কেন এই অদ্ভুত শখ হীরার? এর পিছনে এক করুণ কাহিনিও আছে। আজ থেকে ১৬ বছর আগে হীরার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। মেয়েকে নিয়ে তার চিন্তার অন্ত ছিল না।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়। হীরার মায়ের প্রবল ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর আগে মেয়েকে নববধূর বেশে দেখে যাবেন। হাসপাতালেরই এক কর্মী হীরার মাকে রক্ত দিয়েছিলেন। মায়ের ইচ্ছা মতো সেই কর্মীকেই বিয়ে করেন হীরা। তিনি বলেন, “হাসপাতালে খুব সাধারণ সাজেই বিয়ে হয়েছিল। এবং এক কাপড়েই। আর চার-পাঁচটা বিয়ের মতো ধুমধাম করে নয়।”

বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই হীরার মায়ের মৃত্যু হয়। মাকে হারিয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন হীরা। এখানেই শেষ নয়। তার জন্য আরও চরম পরিস্থিতি যেন অপেক্ষা করছিল। পরবর্তী কয়েক বছরে ছয় সন্তানের মধ্যে দুই সন্তানকে হারিয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন। অবসাদ গ্রাস করে তাকে। এই অবসাদ থেকে নিজেকে বার করে আনার জন্যই প্রতি শুক্রবার নববধূর বেশে নিজেকে সাজান। হীরার স্বামী লন্ডনে থাকেন। তার কথায়, “একাকিত্ব থেকে নিজেকে বার করে আনতে, অবসাদ থেকে নিজেকে মুক্ত করতে, নিজেকে আনন্দ দিতেই এই ভাবে সাজেন।” ১৬ বছর ধরে হীরা এ ভাবেই সেজে আসছেন প্রতি সপ্তাহে। সূত্র : এবিপি ও ডেইলি পাকিস্তান

Please Share This Post in Your Social Media

https://twitter.com/WDeshersangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

https://www.facebook.com/Dsangbad

All rights reserved © deshersangbad.com 2011-2021
Design And Developed By Freelancer Zone