পাকিস্তানিরা কতো মাদারজাত ,অথচ আমাদের দেশের কিছু পাকি জারজরা এখনো পাকিস্তান লালন করে ৷
সৌদিতে ঐ দুজন তরুণ তরুণীর ঘটনাটা কতদিন আগে ঘটনা ঘটেছিল?
উত্তর : চার মাস আগে।
তারা সম্পর্কে কি হয়?
উত্তর : স্বামী-স্ত্রী। নব দম্পতি।
ওরা সৌদি আরবের মক্কা নগরীতে কেন গিয়েছিল?
উত্তর : ওমরাহ পালনের জন্য।
ঘটনার স্থান কি মক্কা নগরীর কাবা ঘরের ভেতরে ছিল?
উত্তর : না। সেটি ছিল মক্কা নগরীর অন্যত্র আরেকটি সাধারণ মসজিদের বারান্দার অংশে।
অ/শালীন কর্মকাণ্ড বলতে তারা কি উ/লঙ্গ হয়ে স/ঙ্গম করেছিল ?
উত্তর : না। ছেলেটি মেয়েটির কপালে চু/ম্বন দিয়েছিল।
সাক্ষী কে ছিল?
উত্তর : সাক্ষী ছিল একজন পাকিস্তানি নাগরিক। তিনি ছেলেটিকে মেয়েটির কপালে চু/মু দিতে দেখে সাথে সাথে তার হাতের মোবাইলে ভিডিও করে মসজিদের বারান্দার বাহিরে ডিউটিরত সিকিউরিটি কে ডাক দেয়। সিকিউরিটি এসে দেখে তারা দুই তরুণ তরুণী সেজদারত। তখন পাকিস্তানি লোকটি তার মোবাইলে চু/মুর ভিডিও দেখায়। সাথে সাথে সিকিউরিটিরা তাদের দুজনকে ধরে সরাসরি পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
নবদম্পতি হানিমুন করতে নেপাল, ভুটান, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া, কক্সবাজার না গিয়ে ওমরা করতে গেল কেন?
উত্তর : ছেলেটির ইচ্ছে ছিল, হানিমুন করতে তারা নেপাল অথবা মালদ্বীপ যাবে। কিন্তু ধার্মিক মেয়েটি ছেলেটিকে বলে, যেই টাকা খরচ করে আমরা নেপাল অথবা মালদ্বীপ যাব, সেই টাকা খরচ করে আমরা ওমরা পালন করি। এতে হজ পালানও হয়ে গেল। আল্লাহ পাক খুশি হলো। এবং আমাদের ভবিষ্যৎ সংসারে সুখ সমৃদ্ধি, আয় উন্নতি হবে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ সন্তানরা ধর্মপরায়ণ হবে।
সামান্য চু/মুর জন্য দুজন মানুষকে ত/লোয়ার দিয়ে মাথা বি/চ্ছি/ন্ন করে দিলো?
উত্তর : সৌদি আরব একটি রাজতন্ত্রের দেশ। সেখানে কিছু ক/ঠোর আইন আছে। চু/রি প্রমাণিত হলে হাত কে/টে বি/চ্ছি/ন্ন করা। অনৈতিক কাজ যেমন প্রকাশ্যে যৌ/নতা প্রদর্শন করলে মৃ/ত্যুদণ্ড! আর সেটি যদি কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হয়, তাহলে মৃ/ত্যুদণ্ডের চাইতেও আরো কঠিন কোন শা/স্তি।
ছেলেটি মেয়েটিকে মসজিদের ভিতরে কেন চু/মু দিতে গেল? ওদের কি ল/জ্জা শরম বলতে কিছু নাই? এতটা নি/র্লজ্জ হলো কি করে এরা?
উত্তর : সৌদি আরবে নারী-পুরুষ একত্রে নামাজ পড়া বৈধ। তারা প্রথমে জামাতে ফরজ নামাজ আদায় করেছে। এরপর মোনাজাতে দুজন তাদের ভবিষ্যতের সুখ শান্তির জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করে মোনাজাত করে। মোনাজাত শেষে সুন্নত নামাজের আগে আবেগে ছেলেটি মেয়েটির কপালে চু/মু দেয়। এটা মূলত যৌ/ন আকাঙ্ক্ষা থেকে নয়! নামাজের পর সন্তুষ্টি এবং ভবিষ্যতের বন্ধনের ভালোবাসা মিশ্রিত চু/মু।
আদালতে দীর্ঘ চার মাস ধরে এই মামলার শুনানি হয়েছে। যেহেতু ছেলে মেয়ে দুটো অ্যারেস্ট হয়েছে, তাই তারা কারো সাথে আর যোগাযোগ করতে পারেনি। পাকিস্তানি নাগরিক যিনি সাক্ষী দিয়েছিল, সে আরবি ভাষায় ছিল পটু। সে এমনভাবে আদালতে সাক্ষ্যই দিয়েছিল, সে আদালতকে বুঝাতে পেরেছিল যে, এরা দুজন যা করেছে, সেটি হচ্ছে যৌ/নাচার। বাংলাদেশী দুই তরুণ-তরুণী যেহেতু আরবি বুঝেনা, বা আরবি বলতে পারেনা, তাই তারা তাদের কর্মকান্ডকে কিভাবে প্রোটেক্ট করবে, বুঝতে পারছিল না। আরবি ভাষার কাছে তারা মার খেয়ে গেছে। আদালত বলল আলহামদুলিল্লাহ। এরা দুজনও বলল আলহামদুলিল্লাহ। এরা দুজন আলহামদুলিল্লাহ বলতে মনে করেছে তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। আর আদালত আলহামদুলিল্লাহ বলতে বুঝাতে চেয়েছে, দুজন নি/কৃষ্ট নর-নারীকে তারা শাস্তি দিতে পেরেছে। পাকিস্তানি সাক্ষীর প্রবল স্বাক্ষের কারণে এদের মৃ/ত্যুদণ্ড রায় দিল।
বিদেশি সংবাদ মাধ্যমের বিভিন্ন নিউজ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে আমি এই তথ্যগুলো পেলাম। দেশি সংবাদ মাধ্যম এখন পর্যন্ত তাদের বাংলাদেশে কোন জেলায় বাড়ি ঘর কোন তথ্যই বের করতে পারেনি।
Views: 11
Related