টাঙ্গাইল উৎসবমুখর পরিবেশে পর্তুগালে কমিউনিটি’র বর্ণিল মিলনমেলা অনুষ্ঠিত
মোহাম্মদ সোহেল, বিশেষ প্রতিনিধি: উৎসবমুখর পরিবেশে পর্তুগালে প্রবাসী টাঙ্গাইলবাসীর উদ্যোগে জমকালো ও বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পুর্তগাল’...
মোহাম্মদ সোহেল, বিশেষ প্রতিনিধি: উৎসবমুখর পরিবেশে পর্তুগালে প্রবাসী টাঙ্গাইলবাসীর উদ্যোগে জমকালো ও বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘টাঙ্গাইল কমিউনিটি ইন পুর্তগাল’...
মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম, স্টাফ রিপোর্টার নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার ১নং সাহাপুর ইউনিয়নের শিবরামপুর গ্রামের ছমি পাটোয়ারী বাড়ির সামনে (কচুয়া–চৌমুহনী)...
শহীদুল ইসলাম শরীফ, স্টাফ রিপোর্টার ঢাকার দোহার ও নবাবগঞ্জ উপজেলা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এখন কৃষকের ‘ভাতের হাড়িতে’ হানা দিয়েছে। ডিজেলের অভাবে ইরি-বোরো মৌসুমে সেচ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়ায় এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়েছে। পানির অভাবে ধান ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। বর্তমানে দোহার-নবাবগঞ্জে ইরি-বোরো ধান পাকার শেষ সময় চলছে। এই মুহূর্তে ধানের ফলন নিশ্চিত করতে নিরবচ্ছিন্ন সেচ অপরিহার্য। অথচ গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় ফিলিং স্টেশনগুলোতে ‘পেট্রোল বা ডিজেল নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলতে থাকায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। সেচ পাম্পগুলো বন্ধ থাকায় পানির অভাবে ধানের শিষ সাদা হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে, যা ফলনে ব্যাপক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেচ প্রকল্পের মালিক ও সাধারণ কৃষকরা ভোররাত থেকে ড্রাম ও বোতল নিয়ে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদামতো তেল পাচ্ছেন না। জয়মঙ্গলে দুটি ইরি প্রজেক্টের তৈয়ব আলী এবং স্থানীয় কৃষক মোহাম্মদ মানিক আক্ষেপ করে বলেন, “তেল নেই বলে আমাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পাম্প চালাতে না পারলে কয়েক দিনের মধ্যে সব ধান মরে যাবে। এভাবে চলতে থাকলে মাঠেই ফসল নষ্ট হবে, আমাদের বিনিয়োগ করা সব টাকা ডোবায় যাবে।” এদিকে তেলের এই তীব্র সংকটের সুযোগ নিচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু চক্র। অভিযোগ উঠেছে, ফিলিং স্টেশনে তেল না মিললেও গ্রাম পর্যায়ে চড়া দামে ডিজেল বিক্রি করছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। খুচরা বাজারে অতিরিক্ত দামে তেল কিনতে হওয়ায় ধান চাষের উৎপাদন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। একদিকে জ্বালানি অভাব, অন্যদিকে অস্বাভাবিক দাম—এই দ্বিমুখী চাপে প্রান্তিক কৃষকরা এখন নিঃস্ব হওয়ার পথে। কৃষি সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত এই সংকট নিরসন করা না গেলে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান উৎপাদন সম্ভব হবে না। সেচ ব্যবস্থার এই স্থবিরতা কেবল কৃষকের ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং আগামী দিনে স্থানীয় চালের বাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা ও দাম বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। কৃষক ও সেচ প্রকল্প মালিকদের দাবি, কৃষি কাজ ও দেশের খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে দোহার-নবাবগঞ্জ অঞ্চলে ডিজেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। তা না হলে এই কৃষি বেল্টে ধানের উৎপাদনে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে আসবে।
মোহাম্মদ সোহেল, বিশেষ প্রতিনিধি: অপরাধ দমন ও মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। গত ২৪...
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’...
বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উদ্বোধনের...
ইরানের উপসাগরীয় বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবরোধ প্রত্যাহার না করলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্ট...
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করা ৪০০ জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে...
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দেওয়ার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন রুমিন ফারহানা। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে প্রচারিত তথ্যের...
দেশে জ্বালানি ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও ডিজিটাল করতে চালু হওয়া ‘ফুয়েল পাস’ মোবাইল অ্যাপের পাইলট কার্যক্রম এবার আরও বিস্তৃত করা...
[wps_visitor_counter]
[wps_visitor_counter]
© ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob
© ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob