Friday, October 23, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home মতামত

“আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”

admin by admin
September 22, 2026
in মতামত
Reading Time: 1 min read
1 0
A A
0
“আইনের শাসন, ক্ষমতা, বিচারহীনতা ও নাগরিক নিরাপত্তা: কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ?”
0
SHARES
18
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

কাজী মামুনুর রহমান মাহিম
“বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই”—২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম উচ্চারিত এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে যে বৈষম্যহীনতার প্রত্যাশা সামনে এসেছিল, চব্বিশের জুলাই-আগস্টের পটপরিবর্তন এবং দীর্ঘ ১৬ বছরের একটি শাসনামলের অবসানের পর বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল—আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, মানবাধিকারের নিশ্চয়তা মিলবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় ও ব্যক্তিগত প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে উঠবে, এমন প্রত্যাশার কথাই বিভিন্ন মহলে উঠে এসেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা সেই প্রত্যাশার সামনে একের পর এক অস্বস্তিকর প্রশ্ন হাজির করছে।

ন্যাম ভবনের মতো সংসদ সদস্যদের জন্য নির্ধারিত আবাসিক ভবনে একজন তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিয়ে নতুন প্রশ্ন সামনে এনেছে। ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মোছা. মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফ্ল্যাটটি জামায়াতের মনোনয়নে নির্বাচিত হওয়া সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তদন্ত শুরু করে এবং ফরেনসিক পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

একজন সাংবাদিক এবং আইন ও নীতি বিশ্লেষক হিসেবে এখানেই আমার প্রথম প্রশ্ন—রাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের জন্য নির্ধারিত আবাসিক ভবনেও যদি একজন নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের সুরক্ষা-ব্যবস্থা নিয়ে আমরা কতটা নিশ্চিন্ত হতে পারি?

মরিয়মের এই করুণ পরিণতির তদন্তই নির্ধারণ করবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও দায় কার। কিন্তু এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী ঘটনাবলি, অভিযোগ, নথি, ভিডিও ফুটেজ, কথিত কাবিননামা, বয়স ও পরিচয়সংক্রান্ত নথি—সবকিছুই যদি তদন্তের আওতায় না আসে, তাহলে পূর্ণ সত্য উদ্ঘাটন কঠিন হয়ে পড়বে।

এর আগেও গাজী নজরুলকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ ও বিতর্ক সামনে এসেছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এক নারীর সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ওই নারীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছিলেন। পরে জামায়াত তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

ঘটনাপ্রবাহের বিভিন্ন প্রতিবেদনে চাকরির প্রলোভন, মগবাজারের একটি হোটেলে অবস্থান, পরবর্তী সময়ে বিয়ের দাবি এবং একটি কাবিননামা সামনে আসার কথাও এসেছে। ওই কাবিননামার প্রস্তুতি, নিবন্ধন ও বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যও ছিল পরস্পরবিরোধী। গাজী নজরুল নিজে মরিয়মকে তাঁর আইনসম্মত দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেছিলেন। ফলে শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য এবং নথিগত প্রশ্নের একটি ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছিল।

এর সঙ্গে যদি জন্মসনদ জালিয়াতির মাধ্যমে একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানোর অভিযোগও যুক্ত হয়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি আরও গুরুতর। তবে এসব অভিযোগের কোনটি সত্য, তা নির্ধারণের দায়িত্ব তদন্তকারী সংস্থা ও আদালতের। তদন্তে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি কর্মকাণ্ডের জন্য প্রচলিত আইনে দায় সৃষ্টি হতে পারে।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে গাজী নজরুলের যোগাযোগ বা সম্পর্কের সূত্র তৈরি হয়েছিল—এমন অভিযোগও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে। পরবর্তীতে ওবায়দুর রহমানের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গাজী নজরুল হাইকোর্ট থেকে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পান। ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই জামিনের তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

এরপর ২০ সেপ্টেম্বর ন্যাম ভবনের ফ্ল্যাট থেকে মরিয়মের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। ২১ সেপ্টেম্বরের বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়, মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং গাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

এখানেই রাষ্ট্রের কাছে বড় প্রশ্ন—একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধিকে ঘিরে যখন একের পর এক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে, তখন তদন্ত কতটা স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত থাকে? আইন কি সবার জন্য একইভাবে প্রয়োগ হচ্ছে? নাকি ক্ষমতার অবস্থান বিচারপ্রক্রিয়ার বাস্তবতায় কোনো না কোনো সুবিধা তৈরি করে?

সাংবাদিক আদালত নন। সাংবাদিকের কাজ রায় দেওয়া নয় বরং সত্য উদ্ঘাটনের জন্য প্রশ্ন তোলা। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কারও অপরাধ বা নির্দোষতা নির্ধারণ করবেন—এটাই আইনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কিন্তু কোনো ঘটনা, নথি, বক্তব্য বা প্রক্রিয়ার মধ্যে অসঙ্গতি দেখা দিলে সাংবাদিকের দায়িত্ব হলো সেই প্রশ্নগুলো সামনে আনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা।

আইনি বিশ্লেষণের জায়গা থেকে আরও একটি প্রশ্ন সামনে আসে—ভিন্ন ব্যক্তি, ভিন্ন অভিযোগ ও ভিন্ন মামলায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি একই ধরনের প্রক্রিয়াগত ন্যায়, তদন্তের সুযোগ এবং বিচারিক মানদণ্ড অনুসরণ করছে? রাজনৈতিক পরিচয় বা ক্ষমতার অবস্থান কি কোনো মামলার তদন্ত, জামিন, বিচার বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের বাস্তবতায় প্রভাব ফেলছে? এসব প্রশ্নের উত্তর আবেগ দিয়ে নয়, আদালতের নথি, তদন্তের অগ্রগতি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের তুলনামূলক বিশ্লেষণ থেকেই পাওয়া সম্ভব।

ন্যায়বিচারের মৌলিক প্রশ্নটি এখানেই—আইনের চোখে ক্ষমতাবান ও ক্ষমতাহীন ব্যক্তির জন্য কি একই মানদণ্ড কার্যকর হচ্ছে?

মরিয়মের মৃত্যুর ঘটনাটিও এই প্রশ্নকে আরও গভীর করে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মৃত্যুর দিন ন্যাম ভবনের সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে গাজী নজরুলের উপস্থিতি এবং তাঁর সঙ্গে মরিয়মের অবস্থানের বিভিন্ন বিবরণ সংবাদমাধ্যমে এসেছে। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল, মরিয়মের মৃত্যুর আগে ও পরে কারা সেখানে ছিলেন এবং কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত ও আদালতের নথি থেকেই নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন।

এখানে ব্যক্তিবিশেষের অপরাধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার বিষয়টি আদালতের এখতিয়ার। কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার অধিকার নাগরিকের রয়েছে। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও যদি ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা অবশ্যই জনসমক্ষে আলোচনার দাবি রাখে।

আরও একটি প্রশ্ন হলো—অভিযোগ, তদন্ত, বিচারিক সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মধ্যে সীমারেখা কোথায়? কোনো দল কাউকে বহিষ্কার করলেই রাষ্ট্রীয় বা সংসদীয় দায়ের প্রশ্ন শেষ হয়ে যায় না। আবার কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করাও ন্যায়বিচারের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত, প্রমাণের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন এবং আইনের সমান প্রয়োগ।

শুধু ন্যাম ভবনের ঘটনাই নয়—দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা, গণপিটুনি এবং কথিত ‘মব জাস্টিস’ নিয়েও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো উদ্বেগ তৈরি করছে। ৫ আগস্টের পর একটি নতুন ও অধিকতর মানবিক রাষ্ট্রের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, সেই প্রত্যাশার সঙ্গে এসব ঘটনা সাংঘর্ষিক কি না—সেটিও এখন আলোচনার বিষয়।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও সহিংসতার অভিযোগ সেই উদ্বেগকে আরও তীব্র করেছে।

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার মাত্র দশ দিনের মাথায় নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেন ওরফে আযমকে ‘ভাত চুরি করে খাওয়ার’ অপবাদে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ১৯ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় তাঁর বাবা হত্যা মামলা করেছেন।

একজন তরুণ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ যদি তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে সেটি শুধু একটি পরিবারের ট্র্যাজেডি নয়—এটি আমাদের সামাজিক ন্যায়বোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও গুরুতর সংকেত।

অন্যদিকে শিশুদের নিরাপত্তার চিত্র আরও উদ্বেগজনক। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) ২০ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত নিখোঁজ হওয়ার পর অন্তত ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় মোট ২৫৪ শিশুর মৃত্যুর তথ্য আসকের পর্যবেক্ষণে এসেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়; তাদের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা হলেও ২ হাজার ৩৮ শিশু তখনও নিখোঁজ ছিল।

কুমিল্লায় শিক্ষক নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও নতুন করে শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্ন সামনে এনেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে।  আইন ও সালিশ কেন্দ্র অপ্রতিমসহ সাম্প্রতিক সময়ে নিখোঁজ হয়ে নিহত শিশুদের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।

শিশুদের এমন পরিণতি আমাদের কোন সভ্যতার ইঙ্গিত দেয়?

একদিকে যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য ঊর্ধ্বগতি, সাধারণ মানুষের জীবন ও শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এত প্রশ্ন, অন্যদিকে জনপ্রতিনিধিদের আচরণও জনমনে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে। সম্প্রতি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের লংমার্চ চলাকালীন দলটির ৩৪ জন এমপিসহ মোট ৭১ জনের বিদেশ সফরের কথা প্রথম আলোসহ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সফরটি দলীয়ভাবে পূর্বপরিকল্পিত ও শিক্ষামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হলেও, এত বিপুলসংখ্যক এমপির একযোগে বিদেশ সফরের সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সফরটিকে ঘিরে ‘প্রমোদ বিলাস’-কেন্দ্রিক সমালোচনাও দেখা গেছে।

এখানে প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক—একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক সংসদ সদস্য কেন বিদেশ সফরে গেলেন, সফরের সুনির্দিষ্ট ম্যান্ডেট কী, ব্যয়ের উৎস কী এবং জনগণের কাছে এর উদ্দেশ্য কতটা স্বচ্ছ?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আসিফ মোহাম্মদ শাহান এবং অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খানও গণমাধ্যমে জনপ্রতিনিধিদের এমন বিদেশ সফরের উদ্দেশ্য ও ম্যান্ডেট জনসম্মুখে পরিষ্কার থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম, ঘুষ ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অনুসন্ধান করছে—এমন প্রতিবেদন একাধিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। একই অনুসন্ধান-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে। এমন গুরুতর অভিযোগের পরও তাঁর প্রকাশ্য কর্মকাণ্ড ও অবস্থান নিয়েও বিভিন্ন মহলে সমালোচনা দেখা গেছে।

এসব দৃশ্যমান অসঙ্গতি দেখে একজন সচেতন নাগরিক, সংবাদকর্মী ও আইন ও নীতি বিশ্লেষক হিসেবে প্রশ্ন করতেই হয়—রাষ্ট্রের আইন কি সত্যিই সবার জন্য সমান? নাকি ক্ষমতাবান ও সাধারণ মানুষের জন্য তার প্রয়োগের বাস্তবতা ভিন্ন?

ক্ষমতার অবস্থান যদি কখনো ন্যায়বিচারের সমান প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে, তখন রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। আর বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারানো কোনো রাষ্ট্রের জন্যই ছোট সংকট নয়।

আজ মরিয়ম, আজমুল বা অপ্রতিমদের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা না গেলে রাষ্ট্রের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। মরিয়মের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও প্রমাণনির্ভর তদন্ত জরুরি। একই সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পূর্ববর্তী অভিযোগ, নথি, ভিডিও ফুটেজ, বয়স ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য, কথিত কাবিননামা এবং সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর পুরো ঘটনাপ্রবাহও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন।

অভিযুক্ত ব্যক্তি যতই প্রভাবশালী হোন, তাঁর জন্য আলাদা কোনো বিচারিক মানদণ্ড থাকতে পারে না। একইভাবে, কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে বিচার শেষ হওয়ার আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবেও চিহ্নিত করা যায় না। প্রয়োজন—তদন্তে স্বচ্ছতা, প্রমাণের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন, বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বাধীনতা এবং আইনের সমান প্রয়োগ।

তাই আজকের প্রশ্ন শুধু মরিয়মের মৃত্যুর কারণ কী—তা নয়। প্রশ্ন আরও গভীর: রাষ্ট্র কি প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান নিরাপত্তা, সমান আইনি সুরক্ষা এবং সমান বিচার নিশ্চিত করতে পারছে?

মরিয়মের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ তদন্তেই নির্ধারিত হবে। আজমুলের মৃত্যুর দায়ও আদালতের বিচারেই নির্ধারিত হবে। অপ্রতিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও দায়ও তদন্ত ও প্রমাণের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হতে হবে। একইভাবে, কোনো জনপ্রতিনিধি, সাবেক বা বর্তমান রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা কিংবা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগই।

কিন্তু রাষ্ট্রের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়। অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে, প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।

কারণ রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের আস্থা কোনো বক্তব্যে তৈরি হয় না; তৈরি হয় তখনই, যখন একজন সাধারণ নাগরিক বিশ্বাস করতে পারেন—ক্ষমতার পরিচয় নয়, সত্য ও প্রমাণই শেষ পর্যন্ত আইনের ভিত্তি।

লেখক:
কাজী মামুনুর রহমান মাহিম
সাংবাদিক, আইন ও নীতি বিশ্লেষক এবং সমাজকর্মী।

Views: 165

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা

হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা

by admin
October 23, 2026
0
10

♦️আমি ব্যক্তিগত ভাবে হিন্দুদের পুজোর মধ্যে যাওয়াকে একদম পছন্দ করিনা এবং কখনো যাবোনা। তবে হ্যা চার্চে অনেকবার গেছি ক্রিস্টমাসের প্রোগ্রামে।...

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ?

সাংবাদিক আলিফ হত্যা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কি তবে মৃত্যুফাঁদ?

by admin
October 22, 2026
0
13

কাজী মামুনুর রহমান মাহিম সাংবাদিকতা শুধু সংবাদ প্রকাশের কাজ নয়; অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সত্য তুলে ধরার...

অনলাইন ক্যাসিনোর মায়াজালে শিশুরা: বিপন্ন শৈশব, উদ্বিগ্ন অভিভাবক

অনলাইন ক্যাসিনোর মায়াজালে শিশুরা: বিপন্ন শৈশব, উদ্বিগ্ন অভিভাবক

by admin
October 22, 2026
0
7

  আব্দুল্লাহ আল মামুন, স্মার্টফোন আর ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার সুযোগে নতুন এক সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়া। আর...

সমাজ ও সংসার পরিবর্তনে অবিনাশী কলম এবং লেখকের দায়বদ্ধতা

সমাজ ও সংসার পরিবর্তনে অবিনাশী কলম এবং লেখকের দায়বদ্ধতা

by admin
October 22, 2026
0
11

  ইতিহাসের পাতা ওল্টালে দেখা যায়, পৃথিবীতে যত বড় বড় পরিবর্তন বা বিপ্লব এসেছে, তার পেছনে কোনো না কোনো মহান...

‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত দুই পক্ষ এক হয়েছে’-

‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত দুই পক্ষ এক হয়েছে’-

by admin
October 21, 2026
0
119

 রাজশাহীর জনসভায় এমনটাই বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যেখানে আওয়ামী লীগ তার বর্তমান দুঃসময়ের জন্য দায়ী করে জামায়াতকে, খোদ শেখ হাসিনা...

মেয়েটির চুল ধরে কসাই লোকটি মাটিতে ফেলল।

মেয়েটির চুল ধরে কসাই লোকটি মাটিতে ফেলল।

by admin
October 21, 2026
0
473

মেয়েটির চুল ধরে কসাই লোকটি মাটিতে ফেলল। তারপর কুরবানির পশুর মতো চেপে ধরে তলোয়ারের নিশানা ঠিক করল। পাশে দাঁড়ানো লোকগুলো...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন October 23, 2026
  • ঋণ পরিশোধে মহানবী (সা.) যে দোয়া শিখিয়েছেন October 23, 2026
  • বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.) October 23, 2026
  • আমার স্ত্রী কক্সবাজার থেকে একা ঢাকা ফিরে গেছে। ভোর ছয়টার বাসে। October 23, 2026
  • কোথাও কেউ ভালো না৷ যারা ভাব্বেন সামরিক বাহিনীর লোকজন ভালো৷ তাদের জন্য উক্ত রিপোর্ট 🐸🌚 October 23, 2026
  • দৌলতদিয়া পতিতা-দের কাছে যারা যায়, তাদের কে কোথায় কবর দেওয়া হয়?? October 23, 2026
  • একজন মেয়ের সঙ্গে কতবার মিলন করার পর মেয়েটি গর্ভবতী হয়? October 23, 2026
  • অর্ধনগ্না হেনরোচরাও মাসে বহুলাখ টাকা খরচ করে : October 23, 2026
  • হিন্দুদের পূজোর মধ্যে আনন্দ করা মুসলিম নারীদের নিয়ে কিছু কথা October 23, 2026
  • সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ হওয়া সুইটি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর October 23, 2026
  • নিউইয়র্কের বাফেলোতে আইসের অভিযানে গ্রেফতার সাংস্কৃতিক সংগঠক এনাম October 23, 2026
  • চট্টগ্রামের দুর্গাপূজায় মুগ্ধ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ October 23, 2026
  • রাবি শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরা আর নেই October 23, 2026
  • মিরসরাইয়ে পাহাড়ধসে সন্তানহারা পরিবারের পাশে ফজলুল মুরাদ, স্থাপন করলেন নলকূপ October 23, 2026
  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধপরিকর-নুরুল আমিন এমপি October 23, 2026
  • ২২৭ কিমি গতিতে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী সুপার টাইফুন ‘চাম্পি’ October 23, 2026
  • নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম রমিজ উদ্দিন ফকিরে ৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত October 23, 2026
  • এনজিওতে নতুনদের চাকরি সুযোগ October 22, 2026
  • ভারতীয় ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর October 22, 2026
  • সৌদির বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলা, হতাহত ৯ October 22, 2026
  • বাংলাদেশিদের জন্য বিনা খরচে ফ্রান্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি, যেভাবে আবেদন করবেন October 22, 2026
  • বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান: নিক্কেই এশিয়া October 22, 2026
  • চাঁদাবাজি মামলায় ছাত্রদল আহ্বায়ক নয়ন গ্রেপ্তার October 22, 2026
  • সাজেক থেকে ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার সেনাবাহিনী ও পুলিশের October 22, 2026
  • সব অফিসের জন্য জরুরি নির্দেশ সরকারের October 22, 2026
  • রিয়াদ ও দাম্মামগামী বিমানের ফ্লাইট স্থগিত October 22, 2026
  • সুন্দরগঞ্জের কঞ্চিবাড়ীতে জামায়াতের মতবিনিময় সভা October 22, 2026
  • রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ ঘন্টা পর বিদ্যুৎ সরবরাহ October 22, 2026
  • সুন্দরগঞ্জে সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা মামলার অভিযুক্ত গ্রেফতার October 22, 2026
  • উত্তরাঞ্চলে আগাম জাতের আমন ধানে কৃষকের মুখে হাসি October 22, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন

      সুযোগ পেলেই মহানবী (সা.) যে দোয়া বেশি পড়তেন

      October 23, 2026

      ঋণ পরিশোধে মহানবী (সা.) যে দোয়া শিখিয়েছেন

      October 23, 2026
      বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.)

      বিশ্বনবী (সা.)-এর যে কথা গোপন রেখেছিলেন আনাস (রা.)

      October 23, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d