প্রতিমাসে সে বাড়িতে একদিন বাড়িতে আসে। বৃহস্পতিবার রাত ৯-১১ টার মধ্যে আসে। আবার পরদিন শুক্রবার বিকাল ৫-৬ টার দিকে চলে যায়।
এখন সে যে রাত ৯-১১ টার দিকে আসে। এসে যদি দেখে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে গেছে, ডেকে তুলে আড্ডা দিবে ভালো মন্দ জিঙ্গেস করবে।
হাসা ঠাট্টা, আলাপ আলোচনা করে খেয়ে ১-২ টার দিকে ঘরে আসবে। তখন আর আমাদের মধ্যে কোন কথাবার্তা হয় না, সে মোবাইল টিপে ঘুমানোর আগ অবধি, ফেসবুকে পোস্ট পরে, কমেন্ট করে, এসবই।৷ এর মাঝে আমি কোন আবেগের কথা বলতে গেলে সে বলে ঘুমাবে ঘুম ধরছে, ক্লান্ত অনেক।
এই করে ঘুমিয়ে যাবে, যখন তার ঘুম ভাঙবে তখন কাছাকাছি আসবে। বড়জোর একবার, তবুও তার মনমত।
আমার মন কি চায় বা আমি খুশি হলাম কিনা সেদিকে সে খেয়াল করবে না। আবার ঘুমিয়ে যাবে।
সকালে ১০-১১ টার দিকে উঠবে, আবার বাড়ির সবার সাথে আড্ডা গল্প, ভাবি, চাচি, জেঠিদের সাথে গল্প করবে। হাসাহাসি করবে। ভাতিজি দের সাথে গল্প করবে। এর মাঝে আমার সাথে আর কোন কথা নাই। প্রয়োজনীয় কথা বলার সুযোগ ও সে দেয় না।
তারপর খাওয়ার সময় এসে খাবার চাইবে খেয়ে আবার সে চলে যাবে নামাজে। নামাজ শেষে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে ৩ টা বাজে আসবে বাড়িতে। বাড়ি এসে ঘরে না এসে আবার এই ভাবি ঐ ভাবি তাদের পুলাপাইন এদের সাথে আড্ডা দিবে। এভাবে ৪-৫ টা বাজবে, খেয়ে আবার যাওয়ার জন্য রেডি হবে। চলে যাবে।
এভাবেই চলছে সংসার জীবনের ২ বছর।
আমি তাকে অনেক ভাবে আমার অভাব বুঝিয়েছি। তার এত আড্ডা দেয়া আমার ভালো লাগে।
রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে যায়। তখন ইচ্ছে করে তাদের না জাগিয়ে। আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট না করে। ঐটুকু সময় সে আমাকে দিতে পারে। দিনে ত তারা বাড়িতেই থাকবে। তখন তাদের সাথে কথা বলতে পারে, ভালো মন্দ জিঙ্গেস করতে পারে। সব সময় শুধু তাদের সাথেই সময় কাটায়, তাহলে বিয়ে করার কি দরকার ছিলো। ন না করলেই পারত।
কিন্তু সে আগে থেকেই এমন পরিবর্তন হলে সবাই বলবে বউ পেয়ে তাদের ভুলে গেছে। সেজন্য সে এমনি থাকবে।
এখন আমি যদি চুপচাপ তাকে ছেড়ে দেই আমার কি ভুল হবে?
— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক









