২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমরা হয়তো যতটা ভাবছি, তার চেয়েও অনেক বেশি কাছাকাছি আরেকটি বিশ্বযুদ্ধের! বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর জার্মানিও এখন আর বিষয়টি গোপন রাখছে না। রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হলে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্যে জার্মান কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগকে যুদ্ধকালীন চিকিৎসা বিষয়ে ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জার্মান সরকার উদ্বিগ্ন যে, আহত সৈন্যদের চিকিৎসা করার বাস্তব অভিজ্ঞতা বর্তমানে খুব অল্পসংখ্যক চিকিৎসকেরই রয়েছে।
জার্মানি রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বাল্টিক অঞ্চল ও লিথুয়ানিয়ায় ন্যাটোর উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে বেশ কয়েকটি সামরিক রেজিমেন্টও পাঠিয়েছে। জার্মান সামরিক বাহিনীর কিছু অভ্যন্তরীণ সূত্রের ধারণা, রাশিয়া ২০২৯ সালের মধ্যে বাল্টিক দেশগুলোতে হামলা চালাতে পারে। আর এমন পরিস্থিতিতে বার্লিনও সংঘাতের বাইরে থাকবে না।
সম্প্রতি পোল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তিনি দাবি করেন, যুদ্ধ শুরু হলে রুশ সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করার সক্ষমতা পোলিশ সেনাবাহিনীর রয়েছে। তিনি ইউক্রেনীয় ড্রোনের রুশ শহরগুলোতে অনুপ্রবেশের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, পোল্যান্ড চাইলে এ ধরনের হামলাকে নজিরবিহীন মাত্রায় আরও শক্তিশালী করতে পারে। তাঁর আরও দাবি, পোলিশ সেনাবাহিনী বর্তমানে রুশ সেনাবাহিনীর তুলনায় অনেক বেশি আধুনিক ও উন্নত।
এর জবাবে পুতিনের এক নিরাপত্তা উপদেষ্টা পাল্টা দাবি করেন, রাশিয়া যদি তার সম্পূর্ণ যুদ্ধক্ষমতা কাজে লাগায়—যে সক্ষমতার সবটুকু তারা এখনো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেনি—তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই তারা ওয়ারশকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে এমন বৈশ্বিক কারণগুলো ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্বের নেতারাও এমন সব বক্তব্য ও হুমকি দিচ্ছেন, যেগুলো তারা নিজেদের স্বার্থে উপযুক্ত মনে করছেন, ফলে উত্তেজনাও বাড়ছে।
কিন্তু সত্যিকার অর্থে কেউ জানে না ইউক্রেন ও ইরানের যুদ্ধগুলো শেষ পর্যন্ত কীভাবে শেষ হবে। কিংবা ইতোমধ্যেই কি এমন কোনো ‘বাটারফ্লাই ইফেক্ট’ শুরু হয়ে গেছে, যার পরিণতি ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো বৈশ্বিক সংঘাতে গিয়ে দাঁড়াতে পারে?
#setrosea #thepython







