সকালের নাস্তা করলাম সুইজারল্যান্ডে, দুপুরের খাবার খেলাম ইউরোপের ছোট্ট স্বাধীন রাষ্ট্র লিখটেনস্টাইনে, আর রাতের খাবার শেষ করলাম অস্ট্রিয়ায়। ভাবতেই অবাক লাগে—একটি দিনের মধ্যেই তিনটি স্বাধীন দেশের মাটিতে সময় কাটানোর সৌভাগ্য হলো!
একজন বিশ্বভ্রমণপ্রেমী ও ট্রাভেল ভ্লগার হিসেবে আমার কাছে প্রতিটি দেশই এক একটি জীবন্ত ইতিহাসের বই। তাই শুধু দর্শনীয় স্থান নয়, গ্রামের অলিগলি থেকে শুরু করে শহরের ব্যস্ত পথ—সবখানেই ঘুরেছি, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও গল্পকে ক্যামেরায় ধারণ করেছি। আমার বিশ্বাস, একটি দেশকে সত্যিকার অর্থে জানতে হলে তার মানুষের কাছাকাছি যেতে হয়।
আজকের পুরো ভ্রমণের ভিডিও ও আলোকচিত্র ইতোমধ্যেই আমার টিমের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। সেগুলো পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে। আশা করি, যারা বিশ্বের ইতিহাস, ভূগোল, সংস্কৃতি ও অজানা জনপদ সম্পর্কে জানতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য ভিডিওগুলো তথ্যবহুল ও উপভোগ্য হবে।
এই ছবিটি তোলা হয়েছে সুইজারল্যান্ড–অস্ট্রিয়া সীমান্তে (বর্ডার চেকপোস্ট), যেখানে কয়েক কদমের ব্যবধানে বদলে যায় একটি দেশের পরিচয়।
আরও একটি নতুন অভিযানের অপেক্ষায় আছি। সেপ্টেম্বর মাসের ৬ তারি রওনা হব কাশ্মীরের সেই অঞ্চলগুলোর উদ্দেশ্যে, যা বর্তমানে চীনের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সম্ভবত ‘অচৈনিক’ আমিই হবো প্রথম সেই অঞ্চলে যাওয়ার অনুমোদনপ্রাপ্ত পর্যটক, দেখবো কাশ্মীরের কোন অংশটি চায়না তাদের কাছে ধরে রেখেছে। ইতিহাস, ভূগোল ও বাস্তবতাকে কাছ থেকে তুলে ধরার এই যাত্রায়ও আপনাদের সঙ্গই হবে আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ভালোবাসা ও শুভকামনা রইল সবার জন্য। (ছবি তারিখঃ ১৩ জুলাই ২০২৬)
কম দেখুন