একটু এই ভণ্ডামির অঙ্কটা দেখুন—হলের মধ্যে সাদা কাপড় পরে ম্যাটের ওপর বসার নাটক করা হয় শুধু এই কারণে, যাতে পরিবেশটা একটু ‘পবিত্র’ বলে মনে হয়।
কিন্তু ভেতরের খেলা এমন যে, ভালো ভালো প্রেমিকও লজ্জায় পড়ে যাবে। আগে মানুষ প্রেম বা নিজের কামনা মেটানোর জন্য লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করত, আর সমাজ তাদের নিন্দা করত।
কিন্তু আজকের এই আধুনিক স্ক্যামটা দেখুন—কিছু ধূর্ত ‘লাইফ কোচ’ কিংবা ভণ্ড গুরু মাঝখানে ব্যবসা খুলে বসেছেন। আর মানুষ হাজার-লাখ টাকা দামের টিকিট কিনে হলে আসে, যাতে অপরিচিত মানুষ কিংবা অন্যের সঙ্গীকে সবার সামনে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে পারে!
এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘শক্তির আদান-প্রদান’ (Energy Exchange)…
আরে ভাই, মানুষ যে কাজ আগে লুকিয়ে করত, এখন সেটাকেই ‘মেডিটেশন ওয়ার্কশপ’-এর সাইনবোর্ড লাগিয়ে প্রকাশ্যে করা হচ্ছে!
মানে, কী চমৎকার ব্যবসায়িক মডেল—নাম আধ্যাত্মিক যোগের, আর কর্মকাণ্ড পুরো নাইটক্লাবের মতো!
যদি এসব করলেই মনের শান্তি পাওয়া যায়, তাহলে আমাদের দেশের পার্ক আর অলিগলিতে ঘুরে বেড়ানো নির্লজ্জ প্রেমিক-প্রেমিকারা তো বহু যুগ আগে থেকেই এই ‘ক্রিয়া’ করে আসছে।
আসল কথা হলো, এটি পশ্চিমা দেশগুলো থেকে আমদানি করা এক ধরনের ‘লিগ্যাল হাগিং ক্লাব’ বা ‘সামষ্টিক ঘনিষ্ঠতা কেন্দ্র’, যেখানে একাকিত্বে ভোগা বিত্তবান মানুষরা নিজেদের হতাশা ও কামনাকে ‘আধ্যাত্মিক নিরাময়’ এবং ‘চক্র অ্যালাইনমেন্ট’-এর পোশাক পরিয়ে বাইরে বের করে আনেন!









