স্টাফ রিপোর্টার :: বেনাপোল কাস্টমস ইমিগ্রেশানে আগত পাসপোর্ট যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম কাস্টমস গোয়েন্দা সদস্য জাহাঙ্গীর। অভিযোগ রয়েছে ভারত ফেরত বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে থাকা ল্যাগেস আটকিয়ে অতিরিক্ত মাল শুল্ক পরিশোধের ভয় দেখিয়ে জন প্রতি ১হাজার ও ভারতীয় পার্সপোর্ট যাত্রীদের কাছ হতে ২ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দাও তদন্ত সার্কেলের অসাধু কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর।
গোয়েন্দা সদস্য জাহাঙ্গীরের হয়রানির স্বীকার ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী রাজা সাহা বলেন গত ৭ সেপ্টেম্বর২৬ ইং তারিখে ল্যাগেস সুবিধায় ৩০ কেজি করসোল ফল আনলে গোয়েন্দা পরিচয়ে ফিরোজ আমার কাছে ২ হাজার টাকা দাবী করে।আমি টাকা দিতে অস্বীকার করলে জাহাঙ্গীর এসে ফল গুলি আটকিয়ে ডি এম স্লিপ করে দেয়।
ক্যাশিয়ার ফিরোজের চাহিদামত টাকা দিলে অবৈধ ও উচ্চ শুল্কের পণ্য আনায়াসে কাস্টমস হতে বের করা যায়। এমন ভুক্ত্ভোগীর স্ংখ্যা ড্জ্ন খানেক। গোয়েন্দা সদস্য জাহাঙ্গীরের মুঠো ফোনে কল দিয়ে অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয়ে কল কেটে দেন।
অভিযোগের সত্যতা যাচায়ে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশান এলাকায় গেলে দেখা মেলে গোয়েন্দা জাহাঙ্গীরের অবৈধ ঘুসের টাকা উত্তোলন কারী ক্যাশিয়ার ফিরোজের। তিনি বহিরাগত হয়েও বেনাপোল কাস্টমস ইমিগ্রেশানে দাড়িয়ে ভারত হতে আগত পাসপোর্টযাত্রীদের ব্যাগ গুনে টাকা নিচ্ছেন। পরিচয় জিজ্ঞাসায় ফিরোজ নিজেকে জাহাঙ্গীরের সহকারী বলে স্যারের সাথে কথা বলতে বলেন। স্ংরক্ষিত এলাকায় ফিরোজের অবাধ চলাচলে বাঁধ সাধছে না কর্তৃপক্ষ। এ যেন এক মগের মুল্লক;সবই চলছে জাহাঙ্গীরের চোখের ইশারায়।
স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে জানা যায়,বড় আঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা খালেকের ছেলে ফিরোজ। সে আগে সাদীপুর রোডস্থ ত্যুর্য স্টোরে কসমেটিক্স লিটনের কর্মচারী ছিলো বর্তমানে কাস্টমস গোয়েন্দাদের টাকা উত্তোলন করে।
গোয়েন্দা সদস্য জাহাঙ্গীর ইতি পূর্বেও বেনাপোল ইমিগ্রেশানে দায়িত্ব পালন করেছে। ইতিপূর্বে বেনাপোল স্টেশনে চাকুরীকালীন সময়ে বড় অঙ্কের ঘুস বাণিজ্যে ডলার ও স্বর্ণপাচারকারীদের সহায়তা করেছেন। সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেমবর ২৬ তারিখে পায়ু পথে স্বর্ণ বহনকারী পাসপোর্ট যাত্রী আল মামুনের স্বর্ণবার আত্নসাৎ এর গুঞ্জন ওঠেছে। বেনাপোল সার্কেলের বর্তমান উপ-পরিচালক বিতর্কিত ড্লার সেলিমের কাছের লোক এই জাহাঙ্গীর।
চাকুরির বিধিমোতাবেক জাহাঙ্গীর অন্যত্র বদলী হলেও অবৈধ কালো টাকা আয়ের নেশায় উপরওয়ালাদের ম্যানেজ করেই সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে আবারো বেনাপোল কাস্টমসে পোস্টিং নেন বলে জানা গেছে।
বহিরাগত ব্যাক্তি হয়েও কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের নামে অবৈধ টাকা উত্তলোনের কারন জানতে বেনাপোল কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত সার্কেলের উপ-পরিচালক আবু সেলিম মোহাম্মদ মোশারাফ হোসেন ভুঁইয়ার মুঠো ফোনে একাধিকবার কল করলেও রিসিভি না করায় বক্তব্য জানা যাইনী।
স্থানীয় সুলীল মহলের দাবি দ্রুতই বেনাপোল কাস্টমসের অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সুষ্ট তদন্ত করে অপসারণ পূর্বক যাত্রী হয়রানি বন্ধ করা ও যাত্রী সেবা মান বৃদ্ধি করা।







