কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার ইকরা মহিলা মাদ্রাসায় সামিয়া নামের ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃ#ত্যু*কে কেন্দ্র করে জনমনে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে দু*র্ঘ*ট*না বলে দাবি করলেও ম*য়;নাত*দন্তের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভিন্ন ও অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য।,
২০২৫ সালের ১৯ এপ্রিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায় যে, সামিয়া ভবনের পাঁচতলা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে।] পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃ#ত্যু হয়। মাদ্রাসা সুপারের দাবি, সামিয়া সেখানে মাত্র ৩-৪ দিন ছিল এবং এটি একটি নিছক দু#র্ঘ*টনা। তবে রহস্যজনকভাবে ঘটনার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট ছিল বলে দাবি করে কর্তৃপক্ষ এবং তারা শিক্ষার্থীর হাজিরা খাতা দেখাতেও ব্যর্থ হয়।]
সামিয়ার সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা গেছে, উঁচু ভবন থেকে পড়ার মতো শরীরের কোথাও বড় ধরণের জখম ছিল না।] তবে ম*য়*না*তদ*ন্ত বা পোস্টমর্টেম রিপোর্টে শিশুটির ওপর শারীরিক ও যৌ#ন নি*র্যা*ত*নের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।] মৃ#ত্যুর আগে সামিয়া এক নার্সকে জানিয়েছিল যে, তাকে কেউ একজন ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দিয়েছিল।
অভিযোগ উঠেছে, ইতিপূর্বেও এই মাদ্রাসায় বেশ কয়েকটি অস্বাভাবিক মৃ#ত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যেগুলোর সুষ্ঠু কোনো সুরাহা হয়নি।] সামিয়ার পরিবার ৮ জনের নাম উল্লেখ করে অভিযোগ দিলেও মামলায় আসামিদের অজ্ঞাত রাখা হয়েছে।
ঘটনার এক বছর পার হয়ে গেলেও পুলিশ এখনও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি, যার ফলে নিহতের পরিবার ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কিত।]
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যখন শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা সংকটে পড়ে, তখন তা পুরো জাতির জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। সামিয়ার ময়নাতদন্তে যে নিপীড়নের প্রমাণ মিলেছে, তা অত্যন্ত জঘন্য এবং অমানবিক। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য এবং সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব হওয়া এই ঘটনার পেছনে বড় কোনো রহস্যের ইঙ্গিত দেয়। তদন্তের এই দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের পার পাওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে। প্রশাসনের উচিত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই মামলাটির তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা।
কুমিল্লার ইকরা মহিলা মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীর মৃ#ত্যু#তে যৌ#ন নিপীড়নের প্রমাণ মিলেছে; সিসিটিভি ফুটেজ ও হাজিরা খাতা নিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যে ধোঁয়াশা।]
বিশেষ বার্তা: সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর আগে সেখানকার পরিবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন।

যে কোনো অস্বাভাবিক ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিন এবং আপোসে মীমাংসার প্রলোভন এড়িয়ে চলুন।

শিশু নি#র্যা*ত*ন প্রতিরোধে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।

সামিয়ার মতো আর কোনো নিস্পাপ প্রাণ যেন এভাবে হারিয়ে না যায়—এটাই কাম্য।

]
Views: 371
Related