রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় ইট ভাটার গ্রাসে হারিয়ে যাচ্ছে কৃষি জমির ওপরের মাটি। মাঝেমধ্যে প্রশাসন অভিযান চালালেও থামেনি তাদের অবৈধ মাটি বাণিজ্য। ইট ভাটার মালিকগণ বীর দর্পে কেটে নিয়ে যাচ্ছে কৃষি জমির উর্বরশক্তি। গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ইট ভাটার এক মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, যে সকল প্রতিষ্ঠান তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তাদেরকে ম্যানেজ করা হয়েছে। সবকিছু ম্যানেজ করে কৃষি জমির মাটি তোলা হচ্ছে। জানা যায়, সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী গ্রামের বুদা প্রধানের ছেলে ইছা প্রধান ও একই গ্রামের কছির সরকারের ছেলে ছালেক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে কৃষি জমি থেকে টপ সয়েল তুলে অন্যত্র বিক্রয় করছে। আসন্ন নির্বাচন নিয়ে প্রশাসনের ব্যস্ততার সুযোগ কাজে লাগিয়ে তারা। সম্প্রতি তুঙ্গে উঠেছে তাদের অবৈধ মাটির ব্যবসা। সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিনের বেলায় একাধিকবার অভিযান করায় এখন রাতের বেলায় মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে ইছা ও ছালেকের লোকজন। বনগ্রাম ইউনিয়নের বদলাগাড়ী ও শেরপুর এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে ভেকু মেশিন দিয়ে কৃষি জমির টপ সয়েল কাটার উৎসবে মেতে ওঠেছে। মাটি খেকোগণ ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে মাটি সরবরাহ করে লক্ষ লক্ষ টাকা অর্জন করছে। এতে যেমন জমি উর্বরশক্তি হারাচ্ছে তেমনি ফসল উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে কাঁচা-পাকা রাস্তা ও ধুলাবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এভাবে গাইবান্ধার সাত উপজেলার কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি লুটপাটে ফুসে উঠেছে মাটি ব্যবসায়ীগণ। সাদুল্লাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান বলেন, একাধিকবার অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযান চলমান থাকবে।
বিরামপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে পরিচালক খায়রুল
বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক ক্যাম্পাস স্থাপনের লক্ষ্যে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনে দিনাজপুরের বিরামপুর সফর করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মোঃ খায়রুল ইসলাম মন্ডল। ১৯ অক্টোবর সোমবার বিরামপুর উপজেলার দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ মহাসড়কসংলগ্ন টাটকপুর ঢিপি এলাকায় কয়েকটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজিয়া নওরীন প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন-বিরামপুর সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আশিষ কুমার, উপাধ্যক্ষ অদ্বৈত্য কুমার অপু, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মঞ্জুর এলাহী রুবেল চৌধূরী, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মুশফিকুর রহমান, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম রুবেল, পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবীর, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইদুর রহমান, সহকারী অধ্যাপক আনোয়ারুল হাবিব রিটন, দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল সাংবাদিক ঐক্য ফোরামের আহবায়ক মোরশেদ মানিক ও গনমাধ্যম কর্মীগন। ক্যাপশন : সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মোঃ খায়রুল ইসলাম মন্ডল।








