নুরুল ইসলাম নামে এক Businessman আছে ঢাকা শহরে। খুব একটা লাইম লাইটে নাই। তবে তার সহায় সম্পত্তি, অর্থবিত্ত সবমিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা
অর্থাৎ ১৫,০০০,০০০0০০০ টাকা৷
উনার উপার্জিত অর্থের প্রায় পুরোটাই অবৈধ। ঢাকা শহরের আন্ডারওয়ার্ল্ড এর সুইডেন আসলাম তার শালা। কথিত শালা ও হতে পারে। এই রেফারেন্স আর ব্যাকাপে তেঁজগায় শিল্পাঞ্চল ও এই জোনে হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ লুটপাট করেছে।
নুরুল ইসলাম এর প্রধান পেশা মদ বেচাকেনা! জ্বী ঢাকা মহানগর সহ বাংলাদেশের সব মদের ওয়ার হাইজের একক মালিক সে।
নুরুল ইসলাম এর কোন ছেলেনাই৷ ২ কন্যা। একজনের নাম তাসনিম বর্ষা ইসলাম বা আর জে তাজ —- অপরজন দিশা ইসলাম।
এই দিশা ইসলাম টা কে?
: ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের ওয়াইফ। Salman Mohammad Muqtadir
সালমান কেন বিবাহিত এই মহিলাকে ২ বাচ্চা কে সহ বিয়ে করলো?
শুধুই ভালোবাসার জন্য?
: সালমান আগাগোড়া একটা বিজনেস মাইন্ডেড ছেলে। ওর মার্কেটিং লাইন আপ ভালো। দিশা তার বাপের পৈতৃক সম্পত্তির ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্ধেক সাড়ে সাত হাজার কোটি টাকা পাবে। এই অর্থ আর সাম্রাজ্য ঘুরেফিরে সালমান এর হাতেই উঠবে কয়েক বছর এর মধ্যে। অলরেডি বড় একটা অংশের মালিকানা ও পাইছে৷ সালমান জেনে বুঝেই কোপ টা দিছে এইখানে।
দিশা ইসলাম এর প্রথম স্বামী শ্রীলঙ্কান। সালমান এর বউয়ের যে ২ মাইয়া। এরা অরিজিনাল শ্রীলঙ্কান। দিশার আগের সংসারের।
দিশাকে বিয়ে করার মূল উদ্দেশ্য একটাই মদের এই সিন্ডিকেট এর ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণভার তার কন্ট্রোলে নেওয়া।
নুরুল ইসলাম এর ৭ টা বার।
১-ডিপিএল – গ্রিন রোড ফার্মগেট
২-ফুওয়াং- তেঁজগাও ব্রাঞ্চ।
৩-ফুওয়াং- কক্সবাজার ব্রাঞ্চ।
৪-বুফেট লাউঞ্জ- কুয়াকাটা।
৫-আইরিশ ক্লাব- পোস্তগোলা।
৬-হলিদি বার- ডেমরা, কোণাপাড়া।
৭- থাইক্লাব- মিরপুর।
এই ৭ টা বার মূলত ব্ল্যাক মানি হোয়াইট করার জায়গা। আর মানি লন্ডারিংয়ের হাব!
নুরুল ইসলাম এর ২ টা ওয়্যার হাউজ আছে।
১- এইচ কবির, তেজঁগাও, ঢাকায়।
(সাবেক মালিক রাকিব রানা আংকেল, ইউনিয়ন গ্রুপ)
২- টসবন্ড – রোড ১৩০ – গুলশান ঢাকা
তার আয়ের প্রধান উৎস,
বিনা শুল্কে মদের আমদানি, সংরক্ষণ ও খুচরা বিক্রির একটি সমন্বিত নেটওয়ার্ক। কাগজে সবকিছু বৈধ দেখালেও বাস্তবে এই নেটওয়ার্কের বড় অংশ চলে ট্যাক্স ফাঁকি, ক্যাশ ট্রানজেকশন ও রেকর্ড ম্যানিপুলেশনের ওপর।
প্রশ্ন হলো,
একটি উচ্চ-নিয়ন্ত্রিত পণ্যের ব্যবসা কীভাবে এত কম আলোচনায় থেকে যায়?
আন্ডারওয়ার্ল্ড রেফারেন্স আর জামায়াত বিএনপি ও প্রশাসনের সবাইকে টাকা পয়সা দিয়ে। আওয়ামী লীগ আমলে এই নুরুল ইসলাম সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী ছিল। আমলাদের ম্যানেজ করে।
সীমিত লাইসেন্সে আমদানি, আংশিক ভ্যাট–ট্যাক্স পরিশোধ, ওয়্যারহাউজে স্টক ঘোরানো, নিজস্ব বার–লাউঞ্জে অতিরিক্ত বিক্রি দেখানো, বিপুল ক্যাশকে ব্যবসায়িক আয় বানানো!
এভাবে প্রতি বছর প্রায় হাজার কোটি টাকার অর্থ সিস্টেমের বাইরে ঘোরে। এগুলো মানি কনভার্সন সেন্টার। ভুয়া ইভেন্ট, অতিরিক্ত বিলিং, ক্যাশ-হেভি সেল। সব মিলিয়ে ব্ল্যাক মানি ধোয়ার নিখুঁত কাঠামো।
এত বড় অপারেশন কি একা সম্ভব?
: না নুরুল ইসলাম ক্লান্ত। উত্তরাধিকার, বিয়ে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে। বিজনেস লাইন ও ট্রান্সফার হয়েছে। কারণ নুরুল ইসলাম এর কোনো পুত্র নেই। দুই কন্যা। তাই সালমান চান্স টা গ্রহণ করে, আড়ালে এই নেটওয়ার্ক এখন তার হাতে।
নুরুল ইসলাম এর একটা ওয়্যারহাউজ এর ও সব চালানের কাগজ নেই, স্টক আর রেকর্ডে গরমিল, ব্যাচ নম্বর মিল নাই।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর রেইড দিলে হাজার কোটি টাকার গড়মিল এক রাতেই পাবে। কিন্তু দিবে না। কারণ এইখানে বর্তমানে জামায়াতের ব্যাকাপ আছে।
– Quader Mawla









