স্টাফ রিপোর্টার ॥ ১৩ আগস্ট বুধবার শহরের মাতাসাগরস্থ পালকীয় কেন্দ্র মিলনায়তনে দিনাজপুর এপি, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের আয়োজনে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছ ও বই দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। দিনাজপুর এপি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দ সিলভেস্টার গমেজের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর এপি’র এসসিপিও বিপ্লব ক্লেমেন্ট মন্ডল। সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জুবলি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আকরাম হোসেন বাবলু, ইউএনডিসি’র সেক্রেটারী মোঃ জামাল উদ্দিন। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পর্যালোচনা করেন টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট, শিক্ষা ও শিশু সুরক্ষা, দিনাজপুর এসিও জন পল স্কু। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন যুব লিডার আল মমিন। সভাপতির বক্তব্যে সিনিয়র ম্যানেজার অরবিন্দ সিলভেস্টার গমেজ বলেন, জীবন একটি ক্যানভাস, তাতে তোমাদের সফলতার ছবি আঁকতে হবে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর একটি স্বপ্ন থাকে যা তাকে সফলতার উচ্চ শিকড়ে নিয়ে যাবে। ব্যর্থতাকে আমরা চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাব এই হোক আমাদের ব্রত। শেষে ১২২ জন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী রেজিস্ট্রার্ড শিশুদের মাঝে ১টি করে ফলদ গাছ ও ১টি করে ইংরেজি সহজ শিক্ষা বই তাদের সংবর্ধনা জানানো হয়।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







