স্টাফ রিপোর্টার ॥ দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক ও বৃক্ষ প্রেমিক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, সব থেকে বড় শিক্ষা গাছই আমাদের দেয়। নিজে রোদে দাঁড়িয়ে অন্যকে ছায়া দেয়। তিনি প্রজন্ম শিক্ষার্থীদের পরিবেশ বান্ধব, সুন্দর একটি পৃথিবী উপহার দিতে গিয়ে বলেন, আসুন, নিজের জন্য নয়-সুন্দর পৃথিবীর জন্য আমরা সবাই অন্তত একটা করে গাছ লাগাই। যা পৃথিবীরের ভারসাম্য রক্ষা করবে।
“মানবিক গুণাবলী সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তি বান্ধব আধুনিক স্কুল যা আলোহা সোসাল সার্ভিসেস বাংলাদেশ (এএসএসবি) দ্বারা পরিচালিত দিনাজপুর সদরের পশ্চিম রামনগর মোহাম্মদ আলী এন্ড ফয়জুন নেছা মেমোরিয়াল হাই স্কুল এর আয়োজনে প্রতি বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করতে গিয়ে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন। স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এএসএসবি এর অর্থ ও প্রশাসনিক কর্মকতা আতিকুর রহমান খান, মনিটরিং অফিসার মোঃ ফারুক ইসলাম, প্রকল্প সমন্বয়কারী মোঃ নজরুল ইসলাম ও ঋণ সমন্বয়কারী মোঃ বেলাল উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফেরদৌসী আহমেদ। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক নিরঞ্জন হীরা। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম স্কুলের ৩৫০ জন শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করেন এবং স্কুলের বিশাল মাঠ চত্বরে একটি ফলদ গাছ রোপণ করেন। সভার শুরুতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সাজে বাঙালীর লোক সংস্কৃতি তুলে ধরে নানা ধরনের নৃত্য পরিবেশন করে। যা দেখে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, অভিভাবক বৃন্দ, স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ মুগ্ধ হয়।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







