এই কথা যথাযথ সত্য। কারন এক সময়ে সমাজের মর্যাদাশীল নারীরা কোরআনের নির্দেশ মোতাবেক সাজগোজ করে বের হলেও যৌনকর্মীরা তাদের চেহারা দেখাতে লজ্জা পেতো, যে কারনে লোকসম্মুখে নিজেদের মুখ আড়াল করতে বোরকা নিকাব ব্যবহার করতো।
আর সেখান থেকেই মোল্লারা নারীদেরকে স্রেফ যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করতে নিকাব বোরকাকে ইসলামীক পোশাক হিসেবে প্রচার প্রসার করতে থাকে, আর মোল্লাদের সাথে থাকা কিছু যৌনকর্মীরা ভদ্র সেজে মোল্লাদের মতবাদকে স্টাবলিষ্ট করতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। আল্লাহ বরং কোরআনে নারীদেরকে তাদের লজ্জাস্হান ঢেকে সুন্দর সাজসজ্জা করতে নির্দেশ করেছেন, নিজের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে বলেছেন, লজ্জাস্হান ঢাকতে বলেছেন, যাতে সমাজের পুরুষদের মাঝে কোন রকম কোন সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া তৈরী না হয় ।
আল্লাহ নিকাব বোরকা পরিধান করতে কোন প্রকার নির্দেশ না দিলেও মোল্লারা শত শত বছর ধরে এই পোশাককে ইসলামী পোশাক হিসেবে চালিয়ে দিয়েছে।
আজও দেখবেন, জামাত ইসলাম, কউমী হেফাজতের কিছু যৌনকর্মী রয়েছে, তারা মোল্লাদের ঘরে মৌখিক মুতা বিয়ের নামে তাদের সাথে অবাধে যৌন কর্ম করে এবং হিজাব নিকাব পড়ে সমাজে ইসলামের নামে নিকাব বোরকা পড়তে নারীদেরকে উৎসাহিত করে নিজেদের দলের সদস্য হতে পরামর্শ দেয়, যাতে সেই নারীও কোন মোল্লা হুজুরের যৌনদাসী হতে উৎসাহ বোধ করে। আজকাল ইউনিভার্সিটির মেয়েরাও অনেক ইসলামিক ছাত্রনেতার যৌনকর্মী হিসেবে আছে বলে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, যা আপনারা দেখতে শুনতে পাচ্ছেন ।
ধর্মের নামে নিকাব বোরকা হলো নারীদেরকে বন্দী করে যৌনাচার করার সহজ এক বিশেষ চতুর কৌশল।
বোরকা নিকাব আল্লাহ এবং রাসুলের নির্দেশ নয়, এটা মোল্লাদের যৌন লালসার নারী শিকারের অন্যতম ফাঁদ। মোল্লাদের সকল যৌনকর্মী বোরকা আর নিকাব লাগিয়ে নিজেকে ইসলামিক বলে পথে ঘাটে বিচরন করে।
নারীরা বোরকা নিকাব ব্যবহার করে সমাজে নানান রকমের অনাকাঙ্ক্ষিত অপরাধ করছে, প্রশাসনের বেগ পেতে হচ্ছে এসব অপরাধ রোধ করতে।
কোরআনে হিজাব নিকাব পড়তে কোন নির্দেশনা নেই। আল্লাহ যা বলেননি, তা করা শিরক বিদাত এবং কবিরা গুনাহ ।
.Naz Zain









