প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বেড়া নির্মাণের কাজে সহায়তা করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন আনছে। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর, যে প্রশাসনিক বাধাগুলো আগে জাতীয় নিরাপত্তা প্রকল্পগুলোকে আটকে রেখেছিল, সেগুলো দূর হতে শুরু করেছে বলে মনে হচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বেশ কয়েকটি স্পর্শকাতর এলাকায় বেড়া নির্মাণের কাজের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) প্রায় ৬০০ একর জমি দেওয়া হতে পারে।
এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো সেই ‘বেড়াবিহীন ফাঁকগুলো’ দূর করা, যেগুলো ঐতিহাসিকভাবে অনুপ্রবেশ এবং গবাদি পশু পাচারের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিছু ব্যবহারকারী এই পদক্ষেপটিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পূর্বের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির সঙ্গে যুক্ত করছেন, যিনি একটি ‘ডাবল-ইঞ্জিন সরকার’ ক্ষমতায় এলেই ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত বরাবর ‘অভেদ্য প্রাচীর’ নির্মাণের কাজ শেষ করার ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
এই ঘটনাটি নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে এবং অনেকেই এটিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে নতুন রাষ্ট্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বড় নীতি বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছেন। যদিও মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য ‘জিরো-পয়েন্ট’ প্রবেশাধিকার বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছে, তবে জাতীয় অখণ্ডতাই মূল লক্ষ্য হিসেবে রয়ে গেছে। এই ভূমি হস্তান্তরকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশাসন এই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সীমান্ত নিরাপত্তা এখন আর কোনো গৌণ বিষয় নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের নতুন শাসন মডেলের একটি ভিত্তিপ্রস্তর।
কম দেখুন
Views: 194
Related