শহীদুল ইসলাম শরীফ, ঢাকা (দক্ষিন) : ফসল ঘরে তোলা, সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত কৃষকের। ঝড়-বৃষ্টি, ঘূর্ণি ঝড়সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে সব সময়ই এক ধরনের শঙ্কায় থাকতে হয়েছে কৃষকের। দাবদাহ ও রোদের মধ্যে এলাকায় পুরোদমে চলছে ধান কাটা। এর পাশপাশি চলছে মাড়াই, শুকানো এবং ধান ডোলায় তোলার পালা। এখন ভীষণ ব্যস্ত, এলাকার কিষাণ-কিষাণিরা, তাদের ফুরসত নেই দম ফেলার । ধান কাটা, বহন করা, মাড়াই করা, শুকানো, ঝাড়াই করে ঘরে তোলার কাজে তারা মহাব্যস্ত। ব্যস্ত তারা ধানের খড় শুকিয়ে সংরক্ষনের কাজেও। তাদের একটাই চিন্তা নিরাপদে ধান কেটে ঘরে তোলা। পুরুষ শ্রমিকরা ধান কাটছে আর ধান মাড়াই ঝাড়াই ও শুকানো সহ গোলায় তোলার কাজে ব্যস্ত নারী কিষানিরা। দেশের প্রত্যন্ত স্থান থেকে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এ এলাকায় আসে ধান কাটতে। এখন চলছে ধান শুকিয়ে ঘরে তোলার প্রস্তুতি। গুমোট আবহাওয়া তবুও স্বস্তিতে কৃষকরা। কেননা ঘরে ধান তুলতে পারছে। দোহারের জামালচর গ্রামের বর্গা চাষী ফজল মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা জানায়, এবার তাদের ধানের আবাদ কম হয়েছে গত বছরের তুলনায়। তাছাড়া ধান কাটা লোকের সংকট রয়েছে। তার স্বামী, ছেলে ও বাইরের দুজন শ্রমিক নিয়ে ধান ঘড়ে তুলছে।
মোট কথা যখন ফসল ঘরে তোলা শুরু হয়, সে সময়টাই যেন কৃষকের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। রেমাল এর মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা থাকায় অনেক স্থানেই কৃষকরা ব্যস্ত সময় পার করছে ধান ঘরে তোলা নিয়ে। কেননা রেমাল এর ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কবলে খারাপ সময় কাটিয়েছে অনেক কৃষক।
চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তার সঙ্গে রয়েছেন সহধর্মিণী...





