মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বয়লার দুর্ঘটনায় ঝরে গেলো চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার এক যুবকের প্রাণ। তার নাম ফরহাদ হোসেন (৩৮)। রাজধানীর আশুলিয়া জিরাবো এলাকার ট্যাক্সটাউন ডাইং এন্ড গার্মেন্টসে বয়লার পরিচারক হিসেবে কর্মরত ছিল সে। বয়লার দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার (৬ এপ্রিল) নিহত হন ফরহাদ। সে মিরসরাইয়ের ৬ নম্বর ইছাখালী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জমাদার গ্রামের তমিজ উদ্দিন মিজি বাড়ীর মৃত রফিকুল ইসলামের বড় ছেলে।
পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে গত ২৮ মার্চ কর্মস্থলে যোগ দেন ফরহাদ। ওইদিন বয়লারে ডি স্কেলিং করার সময় ম্যান হোল খুলতে গিয়ে বয়লারের ভিতরের ভেকম ও কেমিক্যাল ব্যাক করে দুর্ঘটনায় মারাত্নক আহত হন তিনি। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সাথে সাথে তাকে দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকালে নিহত হন তিনি। তিনি ওই কারখানায় দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর কর্মরত ছিলেন। ফরহাদের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান সাবেক ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট সাইফুর রহমানসহ বাংলাদেশ বয়লার পরিচারক এসোসিয়েশনের সদস্যরা।
মিরসরাই উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও ফরহাদের মামা নুরুল কবির বলেন, ‘আমার মেঝ বোনের ২ মেয়ে ও ৩ ছেলের মধ্যে ফরহাদ ছিল দ্বিতীয় এবং ছেলেদের মধ্যে সবার বড়। তার সাড়ে ৩ বছরেরর একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। বড় ছেলেকে হারিয়ে আমার বোন পাগলপ্রায়। তাকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে।’
বাংলাদেশ বয়লার পরিচারক এসোসিয়েশনের সভাপতি রেজাউল করিম বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষে গত ২৮ মার্চ কর্মস্থলে গিয়ে বয়লারে ডি স্কেলিং করার সময় ম্যানহোল খুলতে গিয়ে বয়লারের ভিতরের ভেকম ও কেমিক্যাল ব্যাক করে দুর্ঘটনায় শিকার হন ফরহাদ। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ঝরে গেল আরেক তাজা প্রাণ। খবর পেয়ে আমরা তার খোঁজখবর নিয়েছি এবং বাড়িতে লাশ পাঠানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করি।’
চট্টগ্রাম উত্তরে প্রদীপ সামগ্রীর সেরা বিক্রেতা বারইয়ারহাটের মেসার্স ছালেহ ইলেকট্রিক
চট্টগ্রাম উত্তরে প্রদীপ সামগ্রীর সেরা বিক্রেতা বারইয়ারহাটের মেসার্স ছালেহ ইলেকট্রিক মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি চট্টগ্রাম উত্তর জেলায় প্রদীপ সামগ্রীর সেরা বিক্রেতা...








