স্টাফরিপোর্টার \ ১৬ মে শনিবার গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটাল ভবনে জেলা প্রশাসক বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি দিনাজপুর এর চেয়ারম্যান মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বার্ষিক সাধারন সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিটির সহ-সভাপতি আতাউর রহমান চৌধুরী এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন নির্বাহী সদস্য আব্দুস সবুর চৌধুরী। বিগত সাধারন সভার কার্যবিবরণী পাঠ করেন সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ মোঃ জনাব আলী। ইতিমধ্যে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন মাওঃ ক্বারী আল আমিন। বার্ষিক সাধারন সভার প্রতিবেদন পাঠ করেন কমিটির সাধারন সম্পাদক ডাঃ চৌধুরী মোসাদ্দেকুল ইজদানী। আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন পাঠ করেন কমিটির কোষাধ্যক্ষ সুজা-উর-রব চৌধুরী। এসময় দিনাজপুর পৌরসভার প্রশাসক ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ রিয়াজ উদ্দিন। কমিটির সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ শফিকুল হক ছুটু, কার্যনির্বাহী সদস্য ডাঃ মোঃ লিয়াকত আলী, মোঃ সাইদুর রহমান, মালেকা পারভীন রহমান, আফতাব উদ্দিন মন্ডল, আবুল কালাম মোঃ জিয়াউল হক। প্রতিবেদনের উপরে মুক্ত আলোচনা করেন সৈয়দ মোসাদ্দেক হোসেন লাবু, এ্যাডঃ মোল্লা সাখাওয়াত হোসেন, আফতাব উদ্দিন মোল্লা, সামসুল আলম, মোঃ বদিউজ্জামান, মোঃ মোবাররম হোসেন, মঞ্জু আরা বেগম, রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম, গোলাম মোস্তফা। উপস্থিত সাধারন সদস্য, আজীবন সদস্যবৃন্দ প্রতিবেদন দুটি হাত তুলে কন্ঠ ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন প্রদান করেন। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন কমিটির নির্বাহী সদস্য এ্যাডঃ মেহেরুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল এই গাওসুল আযম বিএনএসবি আই হসপিটাল। এই হাসপাতাল কমিটির প্রতি সদস্যের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার মধ্যে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। বিশেষ করে দুর-দুরান্ত হতে আগত চোখের রোগীদের দ্রæত সেবা প্রদান করবেন।
জমি না দিয়েই মহাসড়কের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
বায়েজিদ পলাশবাড়ী গাইবান্ধা) : পলাশবাড়ীতে মুনছুর আলীর বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভূমি অধিগ্রহণ শাখার কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ না হলেও প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে মুনছুর আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির অংশীদাররা। অভিযোগ রয়েছে, পলাশবাড়ী পৌর শহরের নুনিয়াগাড়ী মৌজার সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগ এবং বর্তমান ৮৩১ নম্বর দাগের ০.০৯৪৮ একর জমির বিপরীতে ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৪৩২ টাকা অধিগ্রহণের অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, ওই পরিমাণ জমি বাস্তবে মহাসড়কের জন্য অধিগ্রহণ বা হস্তান্তর করা হয়নি। ভুক্তভোগী রেখা বেগমসহ অন্যান্য অংশীদারদের অভিযোগ, সাসেক প্রকল্প-২ সংশ্লিষ্টদের আপত্তি, অন্যান্য অংশীদারদের আপত্তি এবং এলএমসি কেস নং ২৭০/২০২৩-২০২৪ ও এলএ কেস নং ১১/২০১৯-২০২০-এর বিষয়গুলো নিষ্পত্তি না করেই মুনছুর আলীর নামে অধিগ্রহণের অর্থের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি যথাযথভাবে সরেজমিন যাচাই না করে কাগজপত্রের ভিত্তিতে অর্থ ছাড় করা হয়েছে। দলিলের হিসাবেও উঠছে প্রশ্ন অভিযোগকারীদের দেওয়া কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, নুনিয়াগাড়ী মৌজার এসএ খতিয়ান-১৬, আরএস খতিয়ান-২৫ এবং জেএল নম্বর-৬৯-এর সাবেক ৭৯/৮০ নম্বর দাগে মুনছুর আলীর বাবা মৃত মোফাজ্জল হোসেন ১৯৫৩ সালের ২১ জানুয়ারি ৪২৫ নম্বর দলিলের মাধ্যমে মোট ১২৭ শতাংশ জমির মালিকানা লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১৯ নভেম্বর ০১/৬৯ নম্বর কেসের মাধ্যমে সড়ক বিভাগের কাছে ৩২ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এতে মোফাজ্জল হোসেনের নামে অবশিষ্ট থাকার কথা ৯৫ শতাংশ জমি। এরপর ২০০২ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে ওই জমির একটি অংশ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয় ২১৬৯ নম্বর দলিলে ছেলে আল মামুনকে ৩৯ শতাংশ, ২১৭০ নম্বর দলিলে স্ত্রী হালিমা বেগমকে ৩ শতাংশ এবং ২১৯৪ নম্বর দলিলে দুই মেয়ে রোকেয়া বেগম ও শাহিনা পারভীনকে পৃথকভাবে ৫ শতাংশ করে মোট ১০ শতাংশ জমি দেওয়া হয়।...







