বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা ও সিপিবি কার্যালয়ে হামলায় জেএসএফ-বাংলাদেশের নিন্দা
হাকিকুল ইসলাম খোকন,এমডি নাসির,
পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধা প্রদান এবং রাজধানীর পল্টনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেএসএফ-বাংলাদেশের সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন এবং বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক এবং লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন ।খবর আইবিএননিউজ ও বাপসনিউজ ।মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা প্রদান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার ইতিহাস ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদার প্রতি চরম অবমাননা। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে এ ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা দৃশ্যমান হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বৃদ্ধ স্ত্রী, কন্যা ও বোনের কবর খোঁড়ার ছবি দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে সরকারের দাবির যথার্থতা প্রমাণ করতে হবে মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা এবং স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে। এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ সিপিবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে হামলা ও ভিন্নমতের ওপর সহিংসতা গণতান্ত্রিক অধিকার এবং রাজনৈতিক সহাবস্থানের পরিপন্থী। অতীতের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের দমন-পীড়নের পুনরাবৃত্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ক্ষমতার পরিবর্তনকে অর্থবহ করতে হলে রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে; নিশ্চিত করতে হবে নাগরিকের অধিকার, রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও জবাবদিহি।
তাঁরা আরও বলেন, ‘জয় বাংলা’ কোনো একক রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়; এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্লোগান। এই স্লোগানকে দলীয় আধিপত্যের হাতিয়ার করা কিংবা এর সূত্র ধরে সহিংসতায় জড়ানো মুক্তিযুদ্ধের সর্বজনীন চেতনার পরিপন্থী।
জেএসডি নেতৃবৃন্দ উভয় ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং মুক্তিযুদ্ধের মর্যাদা, গণতান্ত্রিক অধিকার ও রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করার দাবি জানান।









