রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: বৃষ্টির জন্য রংপুরে দুই রাকাত ইস্তেখার নামাজ আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ। স্মরণকালের অসহনীয় গরম আর তাপপ্রবাহে হাঁপিয়ে উঠা মানুষ এ সময় স্বস্তির বৃষ্টির আকুতি জানিয়ে হাউমাউ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন মুসল্লিগণ। ১৯ জুলাই মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে রংপুর জেলা সম্মিলিত ইমাম পরিষদের আয়োজনে নগরীর ঐতিহাসিক কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে এ নামাজ আদায় করা হয়। নামাজে ইমামতি করেন কেরামতিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা বায়েজিদ হোসাইন। আগামীকাল বুধবার ও পরদিন বৃহ¯পতিবারও কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠেই একই সময়ে ইস্তেখার নামাজ আদায় করা হবে। নামাজে সকলকে অংশগ্রহণ করার জন্য নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সম্মিলিত ইমাম পরিষদ। আষাঢ় শেষে শুরু হয়েছে শ্রাবণ। তবু দেখা নেই বর্ষার। নেই কালো মেঘের ডাকাডাকি। প্রখর রোদ আর গরমে বর্ষণের গর্জন শূন্য মেঘ। প্রকৃতির বিরূপ আচরণে চৈত্র বৈশাখের মতো দাবদাহে মানুষের করুন অবস্থা। মানুষের পাশাপাশি হাঁসফাঁস করছে প্রাণীকূলও। এক পসলা বৃষ্টি আর শীতল হাওয়ার আকুতি সকল প্রাণির। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ভরা বর্ষা মৌসুমে মৃদু দাবদাহে পুড়ছে রংপুর অঞ্চল। স্মরণকালের অসহনীয় গরম আর তাপপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ছটফট করছে পশুপাখি। তাপদাহে ফসলি জমি শুকিয়ে গেছে। রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু বলেন, বর্ষাকালে বৃষ্টির দেখা নেই। সৃষ্টিকর্তার কাছে শান্তি ও স্বস্তির বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করেছি। অসহ্য গরম আর দাবদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসে বৃষ্টিপাত হয়েছে মাত্র ১৭ মিলিমিটার। তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনি¤œ ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে। তবে গত ১৪ দিনে রংপুর বিভাগে রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন উত্তরের কৃষির জন্য অশনি সংকেত বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
থাকছে না দলীয় প্রতীক স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলে ঐক্যের ওপর জোর বিএনপির
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে না এবং নির্বাচনে কোনো ধরনের প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে...







