Wednesday, October 14, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home জাতীয়

শেখ মুজিব আমার পিতা’ – শেখ হাসিনা

হিজল গাছের সবুজ সমারোহ। ভাটিয়ালী গানের সুর ভেসে আসে হালধরা মাঝির কণ্ঠ থেকে, পাখির গান আর নদীর কলকল ধ্বনি এক অপূর্ব মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলে।

admin by admin
August 11, 2022
in জাতীয়, বাংলাদেশ, বিশেষ সংবাদ, মতামত
Reading Time: 1 min read
0 0
A A
0
0
SHARES
5
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

‘শেখ মুজিব আমার পিতা’
– শেখ হাসিনা

 

 

 

 

বাইগার নদীর তীর ঘেঁষে ছবির মতো সাজানো সুন্দর একটা গ্রাম। সে গ্রামটির নাম টুঙ্গিপাড়া।

 

বাইগার নদী এঁকে-বেঁকে গিয়ে মিশেছে মধুমতী নদীতে। এই মধুমতী নদীর অসংখ্য শাখা নদীর একটা হলো বাইগার নদী। নদীর দু’পাশে তাল, তমাল ও হিজল গাছের সবুজ সমারোহ। ভাটিয়ালী গানের সুর ভেসে আসে হালধরা মাঝির কণ্ঠ থেকে, পাখির গান আর নদীর কলকল ধ্বনি এক অপূর্ব মনোরম পরিবেশ গড়ে তোলে।

 

 

 

প্রায় ২০০ বছর পূর্বে মধুমতী নদী এ গ্রাম ঘেঁষে বয়ে যেত। এই নদীর তীর ঘেঁষেই গড়ে উঠেছিল জনবসতি। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ধীরে ধীরে নদীটি দূরে সরে যায়। চর জেগে ওঠে আরও অনেক গ্রাম। সেই ২০০ বছর আগে ইসলাম ধর্ম প্রচারের দায়িত্ব নিয়েই আমাদের পূর্ব-পুরুষরা এসে এই নদীবিধৌত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সুষমামণ্ডিত ছোট্ট গ্রামটিতে তাদের বসতি গড়ে তোলে এবং তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল কলকাতা বন্দরকে কেন্দ্র করে। অনাবাদী জমিজমা চাষবাস শুরু করেন এবং গ্রামে বসবাসকারী কৃষকদের নিয়ে একটা আত্মনির্ভরশীল গ্রাম হিসেবেই এ গ্রামটিকে বেশ বর্ধিষ্ণু গ্রামরূপে গড়ে তোলেন।

 

 

যাতায়াত ব্যবস্থায় প্রথমে শুধু নৌকাই ছিল একমাত্র ভরসা। পরে গোপালগঞ্জ থানা স্টিমার ঘাট হিসেবে গড়ে ওঠে। আমাদের পূর্ব-পুরুষরা টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জমিজমা ক্রয় করে বসতির জন্য কলকাতা থেকে কারিগর ও মিস্ত্রি এনে দালান বাড়ি তৈরি করেন, যা সমাপ্ত হয় ১৮৫৪ সালে। এখনও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সেই দালানের ধ্বংসাবশেষ। ১৯৭১ সালে যে দুটো দালানে বসতি ছিল, পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আগুন দিয়ে সে দুটোও জ্বালিয়ে দেয়। এই দালান-কোঠায় বসবাস শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে বংশবৃদ্ধি হতে থাকে আর আশপাশে বসতির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

 

 

এই দালানেরই উত্তর-পূর্ব কোণে টিনের চৌচালা ঘর তোলেন আমার দাদার বাবা শেখ আবদুল হামিদ। আমার দাদা শেখ লুৎফর রহমানও এ বাড়িতেই সংসার গড়ে তোলেন। আর এখানেই জন্ম নেন আমার আব্বা, ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ। আমার আব্বার নানা শেখ আবদুল মজিদ আব্বার আকিকার সময় নাম রাখেন শেখ মুজিবুর রহমান। আমার দাদির দুই কন্যাসন্তানের পর প্রথম পুত্রসন্তান আমার আব্বা, তাই আমার দাদির বাবা তাঁর সমস্ত সম্পত্তি দাদিকে দান করেন এবং নাম রাখার সময় বলে যান, মা সায়রা- তোর ছেলের নাম এমন রাখলাম, যে নাম জগৎ জোড়াখ্যাত হবে। আমার আব্বার শৈশব কেটেছিল টুঙ্গিপাড়ার নদীর পানিতে ঝাঁপ দিয়ে, মেঠোপথের ধুলোবালি মেখে। বর্ষার কাদাপানিতে ভিজে।

 

 

বাবুই পাখি কেমন করে বাসা গড়ে তোলে, মাছরাঙা কিভাবে ডুব দিয়ে মাছ ধরে, কোথায় দোয়েল পাখির বাসা। দোয়েল পাখির সুমধুর সুর আমার আব্বাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করত। আর তাই গ্রামের ছোট ছোট ছেলেদের সঙ্গে করে মাঠে-ঘাটে ঘুরে প্রকৃতির সাথে মিশে বেড়াতে তার ভালো লাগত। ছোট্ট শালিক পাখির ছানা, ময়না পাখির ছানা ধরে তাদের কথা বলা ও শিষ দেয়া শেখাতেন। বানর ও কুকুর পুষতেন, তিনি যা বলতেন তারা তাই করত। আবার এগুলো দেখাশোনার ভার দিতেন ছোট বোন হেলেনের ওপর।

 

 

এই পোষা পাখি, জীবজন্তুর প্রতি এতটুকু অবহেলা তিনি সইতে পারতেন না। মাঝে মাঝে এ জন্য ছোট বোনকে বকাও খেতে হতো। আমাদের বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম দিক ঘেঁষে একটা সরু খাল চলে গেছে মধুমতী ও বাইগার নদীর সংযোগ লক্ষ্য করে। এই খালের পাড়েই ছিল কাচারিঘর। আর এই কাচারিঘরের পাশে মাস্টার, পণ্ডিত ও মৌলভী সাহেবদের থাকার ঘর ছিল। এরা গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন এবং তাদের কাছে আমার আব্বা আরবি, বাংলা, ইংরেজি ও অংক শিখতেন। আমাদের পূর্ব-পুরুষদেরই গড়ে তোলা গিমাডাঙ্গা-টুঙ্গিপাড়া স্কুল। তখন ছিল প্রাথমিক বিদ্যালয়।

 

 

বাড়ি থেকে প্রায় সোয়া কিলোমিটার দূরে। আমার আব্বা এই স্কুলেই প্রথম পড়াশোনা করেন। একবার বর্ষাকালে নৌকা করে স্কুল থেকে ফেরার সময় নৌকাডুবি হয়ে যায়। আমার আব্বা খালের পানিতে পড়ে যান। এরপর আমার দাদি তাকে আর ওই স্কুলে যেতে দেননি। তার একরত্তি ছেলে, চোখের মণি, গোটা বংশের আদরের দুলাল, তার এতটুকু কষ্ট যেন সকলেরই কষ্ট। সেই স্কুল থেকে নিয়ে গিয়ে গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে ভর্তি করে দেন। গোপালগঞ্জ আমার দাদার কর্মস্থল ছিল। সেই থেকে গোপালগঞ্জেই তিনি পড়াশোনা করতে শুরু করেন। মাঝখানে একবার দাদা মাদারীপুর বদলি হন। তখন কিছুদিনের জন্য মাদারীপুরেও আব্বা পড়াশোনা করেন। পরে গোপালগঞ্জেই তার কৈশোরবেলা কাটে।

 

 

আমার আব্বার শরীর ছিল বেশ রোগা। তাই আমার দাদি সবসময়ই ব্যস্ত থাকতেন কিভাবে তার খোকার শরীর ভালো করা যায়। আদর করে দাদা-দাদিও খোকা বলেই ডাকতেন। আর ভাইবোন, গ্রামবাসীর কাছে ছিলেন মিয়াভাই বলে পরিচিত। গ্রামের সহজ-সরল মানুষের সঙ্গে অত্যন্ত সহজভাবে তিনি মিশতেন। আমার দাদি সবসময় ব্যস্ত থাকতেন খোকার শরীর সুস্থ করে তুলতে। তাই দুধ, ছানা আর মাখন ঘরেই তৈরি হতো। বাগানের ফল, নদীর তাজা মাছ সবসময় খোকার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত থাকত। কিন্তু আমার আব্বা ছোট্টবেলা থেকেই ছিপছিপে পাতলা ছিলেন, তাই দাদির আপসোসেরও সীমা ছিল না যে, কেন তার খোকা একটু হৃষ্টপুষ্ট নাদুসনুদুস হয় না।

 

 

খাবার বেলায় খুব সাধারণ ভাত, মাছের ঝোল, সবজিই তিনি পছন্দ করতেন। খাবার শেষে দুধ-ভাত কলা ও গুড় খুব পছন্দ করতেন। আমার চার ফুফু ও এক চাচা ছিলেন। এই চার বোনের মধ্যেই দুই বোন বড় ছিলেন। ছোট ভাইটির যাতে কোনো কষ্ট না হয় এ জন্য সদাসর্বদা ব্যস্ত থাকতেন বড় দুই বোন। বাকিরা ছোট্ট কিন্তু দাদা-দাদির কাছে খোকার আদর ছিল সীমাহীন। আমাদের বাড়িতে আশ্রিতের সংখ্যাও ছিল প্রচুর। আমার দাদার বা দাদির বোনদের ছেলেমেয়ে বিশেষ করে যারা পিতৃহারা-মাতৃহারা তাদের দাদা-দাদি নিজেদের কাছে এনেই মানুষ করতেন। আর তাই প্রায় ১৭-১৮ জন ছেলেমেয়ে একই সঙ্গে বড় হয়ে ওঠে। আব্বার যখন ১০ বছর বয়স তখন তার বিয়ে হয়। আমার মায়ের বয়স ছিল মাত্র ৩ বছর।

 

 

আমার মা পিতৃহারা হওয়ার পর তার দাদা এই বিয়ে দিয়ে সমস্ত সম্পত্তি মা ও খালার নামে লিখে দেন। আমার খালা মায়ের থেকে ৩-৪ বছরের বড়। আত্মীয়ের মধ্যেই দুই বোনকে বিয়ে দেন এবং আমার দাদাকে (গার্ডিয়ান) মুরব্বি করে দেন। আমার মার যখন ৬-৭ বছর বয়স তখন তার মা মারা যান এবং তখন আমার দাদি কোলে তুলে নেন আমার মাকে। আর সেই থেকে একই সঙ্গে সব ছেলেমেয়েদের সঙ্গে মানুষ হন।

 

 

আমার আব্বার পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি দারুণ ঝোঁক ছিল। বিশেষ করে ফুটবল খেলতে খুব পছন্দ করতেন। মধুমতী নদী পার হয়ে চিতলমারী ও মোল্লারহাট যেতেন খেলতে। গোপালগঞ্জে স্কুলের টিম ছিল। এদিকে আমার দাদাও খেলতে পছন্দ করতেন। আব্বা যখন খেলতেন তখন দাদাও মাঝে মাঝে খেলা দেখতে যেতেন। দাদা আমাদের কাছে গল্প করতেন, তোমার আব্বা এত রোগা ছিল যে, বলে জোরে লাথি মেরে মাঠে গড়িয়ে পড়ত।

 

 

আব্বা যদি ধারে-কাছে থাকতেন তবে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করতেন। আমরা তখন সত্যিই খুব মজা পেতাম। এর পেছনে মজার ঘটনা হলো- মাঝে মাঝে আব্বার টিম ও দাদার টিমের মধ্যেও খেলা হতো। এখনও আমি যখন ওই সব এলাকায় যাই, অনেক বয়স্ক লোকের সঙ্গে পরিচয় হয়, যারা আব্বার ছোটবেলার কথা বলেন। আমাদের বাড়িতে এই খেলার অনেক ফটো ও কাগজ ছিল। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আমাদের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। ফলে সব শেষ হয়ে যায়।

 

 

তিনি ছোটবেলা থেকে অত্যন্ত হৃদয়বান ছিলেন। তখনকার দিনে ছেলেদের পড়াশোনার তেমন সুযোগ ছিল না। অনেকে বিভিন্ন বাড়িতে জায়গীর থেকে পড়াশোনা করত। ৪-৫ মাইল পথ হেঁটে স্কুলে আসতে হবে। সকালে ভাত খেয়ে স্কুলে আসত আর সারাদিন অভুক্ত অবস্তায় অনেকদূর হেঁটে তাদের ফিরতে হতো। যেহেতু আমাদের বাড়িটা ছিল ব্যাংকপাড়ায়, আব্বা তাদের বাড়িতে নিয়ে আসতেন। স্কুল থেকে ফিরে দুধ-ভাত খাওয়ার অভ্যাস ছিল এবং সকলকে নিয়েই তিনি খাবার খেতেন। দাদির কাছে শুনেছি আব্বার জন্য মাসে কয়েকটা ছাতা কিনতে হতো, কারণ আর কিছুই নয়, কোনো ছেলে গরিব ছাতা কিনতে পারে না, দূরের পথ, রোদ বা বৃষ্টিতে কষ্ট হবে দেখে তাদের ছাতা দিয়ে দিতেন।

 

 

এমনকি পড়ার বইও মাঝে মাঝে দিয়ে আসতেন। দাদির কাছে গল্প শুনেছি, যখন ছুটির সময় হতো তখন দাদি আমগাছের নিচে এসে দাঁড়াতেন। খোকা আসবে দূর থেকে, রাস্তার ওপর নজর রাখতেন। একদিন দেখেন তার খোকা গায়ে চাদর জড়িয়ে হেঁটে আসছে, পরনের পায়জামা-পাঞ্জাবি নেই। কী ব্যাপার? এক গরিব ছেলেকে তার শত ছিন্ন কাপড়ে দেখে সব দিয়ে এসেছেন। আমার দাদা-দাদি অত্যন্ত উদার প্রকৃতির ছিলেন। আমার আব্বা যখন কাউকে কিছু দান করতেন তখন কোনোদিনই বকাঝকা করতেন না বরং উৎসাহ দিতেন। আমার দাদা ও দাদির এই উদারতার আরও অনেক নজির রয়েছে। স্কুলে পড়তে পড়তে আব্বার বেরিবেরি রোগ হয় এবং চোখ খারাপ হয়ে যায়। ফলে ৪ বছর পড়াশোনা বন্ধ থাকে।

 

 

তিনি সুস্থ হওয়ার পর পুনরায় স্কুলে ভর্তি হন। এ সময় আব্বার একজন গৃহশিক্ষক ছিলেন, তার নাম ছিল হামিদ মাস্টার। তিনি ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় এবং বহু বছর জেল খাটেন। পরবর্তী পর্যায়ে আব্বা বিভিন্ন সময় যখন জেলে থাকতেন অথবা পুলিশ গ্রেফতার করতে আসত, আমার দাদি মাঝে মাঝেই সেই মাস্টার সাহেবের নাম নিতেন আর কাঁদতেন। এমনিতে আমার দাদা-দাদি অত্যন্ত উদার মনের মানুষ ছিলেন। ছেলের কোনো কাজে কখনও তারা বাধা দিতেন না এবং উৎসাহ দিতেন। অত্যন্ত মুক্ত পরিবেশে আমার আব্বার মনের বিকাশ ঘটেছে। প্রতিটি কাজ যখনই যেটা ন্যায়সঙ্গত মনে হয়েছে আমার দাদা তা করতে নিষেধ না করে বরং উৎসাহ দিয়েছেন।

 

 

আব্বার একজন স্কুল মাস্টার ছোট্ট একটা সংগঠন গড়ে তোলেন এবং বাড়ি বাড়ি ঘুরে ধান, টাকা ও চাল জোগাড় করে গরিব, মেধাবী ছেলেদের সাহায্য করতেন। অন্যতম সক্রিয় কর্মী হিসেবে তিনি তার সঙ্গে কাজ করতেন এবং অন্যদের উৎসাহ দিতেন। যেখানেই কোনো অন্যায় দেখতেন সেখানেই তিনি প্রতিবাদ করতেন। একবার একটা অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রথম সরকার সমর্থকদের দ্বারা ষড়যন্ত্রের শিকার হন ও গ্রেফতার হয়ে জেলে থাকেন।

 

 

কৈশোরেই তিনি খুব বেশি অধিকার সচেতন ছিলেন। একবার যুক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শেরেবাংলা গোপালগঞ্জ সফরে যান এবং স্কুল পরিদর্শন করেন। এ সময় সাহসী কিশোর মুজিব তাঁর কাছে স্কুলঘরে বর্ষার পানি পড়ার অভিযোগ তুলে ধরেন এবং মেরামত করবার অঙ্গীকার আদায় করে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। গোপালগঞ্জ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করে তিনি কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে পড়তে যান। তখন বেকার হোস্টেলে থাকতেন। এ সময় তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সংস্পর্শে আসেন। হলওয়ে মনুমেন্ট আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন সক্রিয়ভাবে। এ সময় থেকে তাঁর রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু হয়।

 

 

১৯৪৬ সালে তিনি বিএ পাস করেন। পাকিস্তান-ভারত ভাগ হওয়ার সময় দাঙ্গা হয়, তখন তা দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। কাজ করে যেতেন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। আমার মেজো ফুফু তখন কলকাতায় থাকতেন। ফুফুর কাছে শুনেছি মাঝে মাঝে অভুক্ত অবস্থায় হয়তো ২-৩ দিন কিছু না খেয়ে কাজ করে গেছেন। মাঝে মাঝে যখন ফুফুর খোঁজখবর নিতে যেতেন তখন ফুফু জোর করে কিছু খাবার খাইয়ে দিতেন। অন্যায়কে তিনি কোনোদিনই প্রশ্রয় দিতেন না। ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিতে তিনি কখনও পিছপা হননি। পাকিস্তান হওয়ার পর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন। তখন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দেন ও সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।

 

 

সচিবালয়ের সামনে অবস্থান ধর্মঘট করতে গিয়ে গ্রেফতার হন। অল্প কয়েক দিন পর মুক্তি পান। এ সময় পাকিস্তানের সংবিধান রচনা ঘোষণা করলে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিটি বাঙালি প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। ছাত্রসমাজ এই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে। এই আন্দোলনে ১৯৪৯ সালে আমার আব্বা গ্রেফতার হন। আমি তখন খুবই ছোট্ট আর আমার ভাই কামাল কেবল জন্মগ্রহণ করেছে। আব্বা ওকে দেখারও সুযোগ পাননি। একটানা ১৯৫২ সাল পর্যন্ত তিনি বন্দি ছিলেন। সে সময় আমাদের দুই ভাইবোনকে নিয়ে আমার মা দাদা-দাদির কাছেই থাকতেন। একবার একটা মামলা উপলক্ষে আব্বাকে গোপালগঞ্জ নিয়ে যাওয়া হয়। কামাল তখন অল্প কথা বলা শিখেছে।

 

 

কিন্তু আব্বাকে ও কখনও দেখেনি, চেনেও না। আমি যখন বার বার আব্বার কাছে ছুটে যাচ্ছি আব্বা আব্বা বলে ডাকছি ও শুধু অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছে। গোপালগঞ্জ থানায় একটা বড় পুকুর আছে, যার পাশে বড় খোলা মাঠ। ওই মাঠে আমরা দুই ভাইবোন খেলা করতাম ও ফড়িং ধরার জন্য ছুটে বেড়াতাম। আর মাঝে মাঝেই আব্বার কাছে ছুটে আসতাম। অনেক ফুল, পাতা কুড়িয়ে এনে থানার বারান্দায় কামালকে নিয়ে খেলতে বসেছি। ও হঠাৎ আমাকে জিজ্ঞাসা করল, হাসু আপা, তোমার আব্বাকে আমি একটু আব্বা বলি। কামালের সেই কথা আজ যখন মনে পড়ে আমি তখন চোখের পানি রাখতে পারি না।

 

 

আজ ও নেই, আমাদের আব্বা বলে ডাকারও কেউ নেই। ঘাতকের বুলেট শুধু আব্বাকেই ছিনিয়ে নেয়নি; আমার মা, কামাল, জামাল ও ছোট্ট রাসেলও রেহাই পায়নি। রেহাই পায়নি কামাল ও জামালের নবপরিণীতা বধূ সুলতানা ও রোজি। যাদের হাতের মেহেদির রঙ বুকের রক্তে মিশে একাকার হয়ে গেছে। খুনিরা এখানেই শেষ করেনি, আমার একমাত্র চাচা শেখ নাসের, তরুণ নেতা আমার ফুফাতো ভাই শেখ মণি, আমার ছোট্ট বেলার খেলার সাথী শেখ মণির অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজুকে খুন করেছে। এই খুনিরা একই সাথে আক্রমণ করেছে আব্দুল রব সেরনিয়াবাতকে (আমার ফুফা)।

 

 

৪ বছরের শিশুপুত্র বাবু খুনিদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। কর্নেল জামিল, যিনি আমার পিতার জীবন রক্ষার জন্য ঘুম থেকে উঠে ছুটে এসেছিলেন তাকেও তারা হত্যা করে। এ কেমন বর্বর নিষ্ঠুরতা? আজও গুলির আঘাতে পঙ্গু হয়ে আছেন। আমার মেজো ফুফু।

 

 

সেদিন কামাল আব্বাকে ডাকার অনুমতি চেয়েছিল, আমি সঙ্গে সঙ্গে ওকে আব্বার কাছে নিয়ে যাই। আব্বাকে ওর কথা বলি। আব্বা ওকে কোলে তুলে নিয়ে অনেক আদর করেন। আজ আর তারা কেউ বেঁচে নেই- আজ যে বার বার আমার মন আব্বাকে ডাকার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে, মায়ের স্নেহ, ভাইদের সান্নিধ্য পাওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে থাকি; কিন্তু শত চিৎকার করলেও তো কাউকে আমি পাব না। কেউ তো আর সাড়া দিতে পারবে না। তাদের জীবন নৃশংসভাবে বুলেট দিয়ে চিরদিনের মতো যে ঘাতকরা স্তব্ধ করে দিল, তাদের কি বিচার হবে না?

 

লেখকঃ শেখ হাসিনা,
সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।www.redtimes.com.bd

Views: 521

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

by admin
October 14, 2026
0
11

ভারতের উত্তর প্রদেশের মিরাটে মার্চেন্ট নেভির কর্মকর্তা সৌরভ রাজপুতকে হত্যার দায়ে তার স্ত্রী মুসকান রাস্তোগি ও স্ত্রীর প্রেমিক সাহিল শুক্লাকে...

গাজীপুরে ড্রাগ ফার্মাসিউটিক্যালসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গাজীপুরে ড্রাগ ফার্মাসিউটিক্যালসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

by admin
October 14, 2026
0
11

গাজীপুর: ফায়ার সার্ভিসের ২১ ইউনিট, সেনাবাহিনীর দমকলকর্মী, বিজিবি ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সহায়তায় গাজীপুরের টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যালসের কারখানার আগুন...

শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা

শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা

by admin
October 14, 2026
0
4

শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং (কুমিল্লা) শৈশব মানেই রঙিন স্বপ্ন, নতুন কিছু শেখার...

চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে অনুদান হস্তান্তর

চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে অনুদান হস্তান্তর

by admin
October 14, 2026
0
12

চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে অনুদান হস্তান্তর জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :' কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের...

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা

by admin
October 14, 2026
0
13

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা ✍️ কলমেঃ এস এম আবদুল বারেক (লেখক/প্রাবন্ধিক) - মঈনউদ্দিন মনি, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি আল্লাহ তোমার প্রেমের...

কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত

কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত

by admin
October 14, 2026
0
4

কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত গৌরাঙ্গ বিশ্বাস , বিশেষ প্রতিনিধি: বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাংলাদেশ বেতার...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড October 14, 2026
  • গাজীপুরে ড্রাগ ফার্মাসিউটিক্যালসের আগুন নিয়ন্ত্রণে October 14, 2026
  • শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা October 14, 2026
  • রহনপুরে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের দাবিতে জনসভা October 14, 2026
  • চৌদ্দগ্রামে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের উদ্যোগে পূজা মন্ডপে অনুদান হস্তান্তর October 14, 2026
  • ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা October 14, 2026
  • গোবিন্দগঞ্জের ইউএনওর বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির একাধিক তদন্ত হলেও অদ্যবধি কোনো রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি: ক্ষুব্ধ জনসাধারণ October 14, 2026
  • কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘তারুণ্যের কণ্ঠ’ অনুষ্ঠিত October 14, 2026
  • নরসিংদীর শিবপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন October 14, 2026
  • সরিষাবাড়িতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র ্যালি মহহড়া ও আলোচনা সভা October 14, 2026
  • বুড়িচংয়ে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপন October 14, 2026
  • স্কুলে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ October 14, 2026
  • সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা, তেল কোম্পানি ভবনে আগুন October 14, 2026
  • পাকিস্তানের করাচিতে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি October 14, 2026
  • অবসরের বয়সই নেই, ঢোকার বয়সে বাধা কেন? October 14, 2026
  • জিততে পারল না বাংলাদেশ October 14, 2026
  • রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ট্রাম্পের, জানেন না জেলেনস্কি October 13, 2026
  • হুতিদের হামলার ভয়ে বাঙ্কারে সৌদি যুবরাজ October 13, 2026
  • হুতিদের হামলায় নজিরবিহীন সংকটে সৌদি October 13, 2026
  • গোদাগাড়ীতে ইউএনও কার্যালয়ে তালার ঘটনায় মামলা, প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ October 13, 2026
  • সচিবালয়ে প্রবেশে কড়াকড়ি, এমপিদের গাড়িতে অতিরিক্ত ব্যক্তি নয় October 13, 2026
  • এসএসসিতে ফেল করাদের সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী October 13, 2026
  • কাঁঠালিয়ায় জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ October 13, 2026
  • কাপ্তাই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট October 13, 2026
  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে মাইকিংয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর October 13, 2026
  • ১৮ ঘণ্টা ধরে অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য October 13, 2026
  • থাকছে না দলীয় প্রতীক স্থানীয় নির্বাচনে তৃণমূলে ঐক্যের ওপর জোর বিএনপির October 13, 2026
  • টানা তৃতীয় দিন রিয়াদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতিদের, ব্যাপক বিস্ফোরণ October 13, 2026
  • সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে হাজার হাজার যাত্রী October 13, 2026
  • মোহাম্মদপুরে ভ্যানিটি ব্যাগে পাওয়া গেল ৯টি হাত বোমা October 13, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

      স্বামীকে হত্যার পর ড্রামে ঢুকিয়ে সিমেন্টের ঢালাই, স্ত্রী ও তার প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

      October 14, 2026
      গাজীপুরে ড্রাগ ফার্মাসিউটিক্যালসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

      গাজীপুরে ড্রাগ ফার্মাসিউটিক্যালসের আগুন নিয়ন্ত্রণে

      October 14, 2026
      শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা

      শৈশবের ছোট্ট দোকান, বুকে বড় স্বপ্ন—একদিন বড় হওয়ার প্রত্যাশা

      October 14, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d