সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বগুলারকাড়া গ্রামের আলমপুর স্কুল মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হলো দুই উপজেলার ৩৫টি দলের অংশগ্রহনে দাওয়াতী উৎসব কাবাডি খেলা
লিংক:-
গ্রামবাংলার প্রাচীনতম ঐতিহ্য বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি(হা ডু ডু) খেলার ঐতিহ্য গ্রামের মধ্যে সম্প্রীতি আর ভালবাসার মেলবন্ধন মেলাতে গত ২৫ বছর ধরে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের বগুলারকাড়া গ্রামবাসি ও যুবসমাজের যৌথ আয়োজনে আলমপুর প্রাইমারী স্কুল মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে দাওয়াতী উৎসব কাবাডি (হাডুডু) খেলা । এতে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলা ও ছাতক উপজেলার ৩৫টি কাবাডির দলের খেলায়াররা খেলায় অংশ নেয়। দেশের জাতীর খেলাকে টিকিয়ে রাখতে ও যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে খেলায় আগ্রহী করে তুলার পাশাপাশি আশপাশের গ্রামের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বাড়াতে প্রতিবছর এমন দাওয়াতী উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে।
গৌরাঙ্গ বিশ্বাস- বিশেষ প্রতিনিধির পাঠানো তথ্য ও ছবি নিয়ে একটি ডেস্ক রিপোর্ট।
ভয়েস ওভার:-
গ্রামবাংলার প্রাচীনতম ঐহিত্যা কাবাডি (হাডুডু) খেলা আমাদের দেশের জাতীয় খেলা হলেও এখন অনেকটাই কালের আবর্তে হারিয়ে যেতে বসেছে। এমন আয়োজন সচরাচর দেখা যায়না। তবে গত ২৫ বছর ধরে জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার বগুলারকাড়া গ্রামাবাসীর আয়োজনে বিলুপ্তির পথে হারিয়ে যাওয়া এই জাতীয় কাবাডি খেলা হা ডু ডু”র ঐতিহ্য ধরে রাখতে প্রতিবছরের মতো এবারও মূলত খেলার আয়োজন করা হয়েছে। যাতে করে যুবকরা মাদকাশক্ত ঝুকিঁতে না পড়ে নেই আলোকেই আশরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী শান্তিগঞ্জের ও ছাতক উপজেলার এই দাওয়াতী কাবাডি (হা ডু ডু) প্রতিযোগীতায় ৩৫টি দল অংশগ্রহন করে।
আজ বুধবার (১৪ই অক্টোবর ২০২৬ইং তারিখে) সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের বগুলারকাড়া গ্রামবাসি ও যুবসমাজের যৌথ আয়োজনে গ্রামের আলমপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে শান্তিগঞ্জ বনাম ছাতক উপজেলার মোট ৩৫টি কাবাডি দল এ উৎসবে অংশগ্রহন করে। এতে কাবাডিপ্রেমী হাজারো লোকজন জড়ো হন খেলা উপভোগ করতে। হাওরের এই জেলায় বছরের ছয়মাস কৃষিকাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে এখন বর্ষার মৌসুমে অনেকটাই বেকারহীন মানুষজন কাবাডি খেলার আনন্দ উপভোগ করতেই ব্যস্ত। তবে এই খেলাটির মূল উদ্দেশ্যে হলো যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেরাধূলায় মনোনিবেশ করানো।
বগুলারকাড়া গ্রাম ও এলাকাবাসি জানান এ খেলার ঐহিত্য ধরে রাখতে প্রতিবছর তাদের গ্রামে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তাদের বংশ পরমপরায় তাদের পূর্বপুরুষদের রীতি ধরে রাখতেই মূলত গত ২৫ বছর ধরে এ খেলার আয়োজন করে আসছেন। শান্তিগঞ্জের বগুলারকাড়া যুব সমাজের সভাপতি ছুরত আলীর সভাপতিত্বে খেলায় উপস্থিত ছিলেন জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাছিত সুজন। এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন গ্রামের আয়োজক কমিটির সদস্য(রেফারী) ওবায়দুর রহমান কুবাদ, কমিটির সদস্য এডভোকেট বুরহান উদ্দিন দোলন,রোকনুজ্জামান রুকন,জসিম উদ্দিন,রুবেল,উকিল আলী,নুরুল আমিন,জালাল,উজ্জল , গিয়াস উদ্দিন,ছাতক উপজেলার জাউয়াবাজার বাদেশ^রী গ্রামের আল মামুন শাহিন,আব্দুস সালাম এমরান ও মংলা মিয়া প্রমুখ। খেলা শেষে বিজয়ী দলের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দরা।
ভক্সপপ: — স্থানীয় বাসিন্দা ও খেলোয়ারসহ ৮ জন ।
সিংক ঃ- আয়োজক কমিটির সদস্য ও রেফারী ওবায়দুর রহমান কুবাদ।
সিংক ঃ- আব্দুল বাছিত সুজন,চেয়ারম্যান,জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদ,শান্তিগঞ্জ উপজেলা,সুনামগঞ্জ।
কাবাডি খেলার ঐতিহ্য ধরে রাখার পাশাপাশি হাওর এলকার গ্রামের মানুষের মধ্যে ভালবাসার মেলবন্ধন ধরে রাখতে এমন আযোজন জানালেন আয়োজকরা। তবে সরকারের পৃষ্টপোষকতা পেলে এই জনপ্রিয় খেলাটি তৃণমূলের মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা । ##









