সৌদি আরবে শিরচ্ছেদ হওয়া সুইটি আক্তারের বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামে। সুইটি আক্তার ফজল মিয়া ও জহুরা বেগমের মেয়ে। পাঁচ বোনের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন তিনি।
অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বিয়ে দিয়ে দেয়া হয় সুইটি আক্তারের। সেই স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে আসেন সুইটি আক্তার। এরপর পরিবারের চাপে ২০২১ সালে পাশের লতিফপুর ইউনিয়নের প্রবাসী সেলিমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু স্বামী সৌদি আরবে যাওয়ার পর যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং বাবার সংসারের অভাব দূর করতে অথবা স্বামীকে থুঁজতে তিন বছর আগে সৌদি আরবে কাজ নিয়ে যান সুইটি আক্তার ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। সরকারি নথি অনুযায়ী, সুইটি আক্তারের জন্ম ২০০১ সালের ১১ আগস্ট।
মেয়ের মৃত্যুতে, সুইটি আক্তারের মায়ের আহাজারি “মা তুই কত দুঃখ পাইয়া গেছস, কেউর কাছে কইলি না। আমার কাছেও কইলি না। ……আমার মাইয়ার লাশ আইনা দাও। আমি ওরে দেহুম।”
২২ বছরের সুইটি আক্তার সৌদি আরবে যাওয়ার মাত্র ছয় মাসের মাথায় গ্রেপ্তার হন। ১৬ বছর বয়েস মা হওয়া সুইটি আক্তারের দেশে থাকা মেয়ের বয়স এখন ৯।





