যখন কোন পুরুষ কোনো নারীর সর্বোচ্চ উর্বরতার সময় সহবাস করে বীর্যপাত করে নারীর যোনীর ভিতরে, তখন পুরুষের শুক্রানু যদি ঠিক থাকে তবে নারী অবশ্যই ১০০% গর্ভবতী বা অন্ত:স্বত্তা হয়ে যাবে।
কতবার মিলন করতে হবে সন্তান হওয়ার জন্য এর কোনো নির্ধারিত সংখ্যা নেই।
নারীর যখন মাসিক বা পিরিয়ড শেষ হয়, এর ৪ বা ৫ দিন পরে যে কোন দিন সেক্স করলেই সন্তান হওয়ার চান্স বেশি থাকে।
কারন সেই সময় মেয়েদের ডিম্বানু ছেলেদের শুক্রানু পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করে এবং সেই সময় যদি বীর্য মেয়েদের ডিম্বানু পর্যন্ত পৌছায় তবে বাচ্চা হওয়ার চান্স অনেক বেশি থাকে।
সেই সময় যদি পুরুষের বীর্য না ঢুকে মেয়েদের যোনীর ভিতরে, তবে ডিম্বানুটি রক্তের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় মাসিকের সময়। যাকে পিরিয়ড বলে।
তাই, যদি সন্তান চান, তবে পিরিয়ড শেষ হওয়ার ৪ দিন পরে ১ দিন পর পর ৭ দিন ধরে সেক্স করলে যে কোন দিন স্বামীর বীর্য স্ত্রীর ডিম্বানুকে আকর্ষন করবে এবং বাচ্চা অবশ্যই কনসিভ হবে যদি স্বামীর বীর্যে শুক্রানু ভালো থাকে।
সন্তান হওয়া, না হওয়ার পিছনে মেয়েদের চাইতে পুরুষ দায়ী বেশি। মেয়েদের স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকতে পারে কিন্তু সেটা ব্যতিক্রম।
বাচ্চা হবে, কি হবে না, এর জন্য ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে দায়ী স্বামীর বীর্যের গুনগত মান এবং মাত্র ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্ত্রী দায়ী হয় গর্ভাশয়ের সমস্যা ও ডিম্বানুর সমস্যার কারনে। তবে স্বামীর বীর্য দায়ী থাকে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে।
এ কারনে সিমেন টেস্ট (বীর্যের মান কেমন সেই টেস্ট) করিয়ে নিলে নিরাপদ থাকা যায়।
সেই সাথে সন্তান ছেলে হবে, নাকি মেয়ে হবে এর জন্য সম্পূর্ন ১০০ ভাগ হচ্ছে স্বামী দায়ী।
সন্তান হওয়া, না হওয়ার জন্য মেয়েদের সমস্যার চাইতে ছেলের বীর্যে সমস্যা দায়ী বেশি।
ছেলেদের পুরুষাংগের ঠিক নিচে দুটি অন্ডকোষ ঝুলে থাকে। এই দুটি বিচির কারনেই বাচ্চা হয়। এই দুটি বিচি যদি ঠিক থাকে, তবে শুক্রানুর গুনগত মানও ভাল থাকবে।
মেয়েরা কম বন্ধ্যা হয়। ছেলেরা বেশি বন্ধ্যা হয়।
তাই, বাচ্চা হওয়া, না হওয়ার জন্য ৯০ শতাংশ দায়ী হচ্ছে ছেলেরা।
বাচ্চা ছেলে নাকি মেয়ে হবে, সেটার জন্য ১০০ ভাগই দায়ী ছেলেরা। মেয়েদের কোন দায় নেই এই ব্যাপারে।








