২০০০ সালের আগে এই জায়গাটি নির্ধারিত ছিলোনা। তখন কেউ মারা গেলে পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হতো বা গোপনে কোন পরিত্যক্ত জায়গায় মাটি চাপা দিতো। জানাযা পড়ানো হয়না।
এটা কেমন জীবন ধারণা করতে পারেন!!
২০০০ সালে এই জায়গাটি সরকার দৌলতদিয়া পতিতাদের কবরস্থান হিসেবে নির্ধারণ করে। কিন্তু কোন মৌলানা জানাযা পড়ায় না এবং স্থানী কেউ সেখানে যায় না।
২০২০সালে পুলিশ প্রশাসন এবং স্থায়ী প্রশাসন মিলে একজন মৌলানাকে রাজি করিয়ে হাসিনা বেগম নামের একজনের জানাযা পড়ায়। এর পরে আর কোন জানাজা পড়ানো হয়নি।
কেউ মারা গেলে তাদের কিছু লোক দিয়ে দাপন করা হয়। তারা জানাযা পড়ায় কিনা তা স্থানীয় কেউ জানেনা। এটা কেমন জীবন!! কি অভিসপ্ত!! জীবিত অবস্থায় ভোগ করা ছাড়া কেউ পাশে আসেনা, জীবন শেষ হয়ে গেলে ধর্মের সান্নিধ্য থাকেনা।
ইয়া আল্লাহ এমন জীবন থেকে ফিরে আসার ব্যবস্থা করে দিন। সকল যৌন কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিন।
দৌলতদিয়া পতিতা-দের কাছে যারা যায়, তাদের কে কোথায় কবর দেওয়া হয়??





