Sunday, October 25, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
  • /প্রবাসী খবর
  • অপরাধ
  • আইন/আদালত
  • ইসলাম ধর্ম
  • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুএি
  • নামাজের সূচি
  • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
  • আন্তর্জাতিক
  • প্রশাসন
  • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
  • ভারত/কলিকাতা
  • রাজধানী ঢাকা
  • শিক্ষা
  • সাংবাদিক/মিডিয়া
  • আলোচিত নিউজ/ছবি
  • ইতিহাসের পাতায়
  • জেনেনিন আপনার রাশিফল
  • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
  • স্বাস্থ্য
  • হিন্দু সহ অন্যান্য
  • স।রাদেশ
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
  • /প্রবাসী খবর
  • অপরাধ
  • আইন/আদালত
  • ইসলাম ধর্ম
  • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
  • জাতীয়
  • তথ্যপ্রযুএি
  • নামাজের সূচি
  • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
  • আন্তর্জাতিক
  • প্রশাসন
  • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
  • ভারত/কলিকাতা
  • রাজধানী ঢাকা
  • শিক্ষা
  • সাংবাদিক/মিডিয়া
  • আলোচিত নিউজ/ছবি
  • ইতিহাসের পাতায়
  • জেনেনিন আপনার রাশিফল
  • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
  • স্বাস্থ্য
  • হিন্দু সহ অন্যান্য
  • স।রাদেশ
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home বিভাগ সমূহ চট্টগ্রাম বিভাগ

ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার আগে যেখানে সাগরের বুকে ভেসে উঠত এক অপরূপ দৃশ্য

admin by admin
October 25, 2026
in চট্টগ্রাম বিভাগ, জাতীয়, বাংলাদেশ
Reading Time: 1 min read
1 0
A A
0
ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার আগে যেখানে সাগরের বুকে ভেসে উঠত এক অপরূপ দৃশ্য
0
SHARES
10
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter

মা-ইলিশ রক্ষা নিষেধাজ্ঞা ঃ “ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার আগে যেখানে সাগরের বুকে ভেসে উঠত এক অপরূপ দৃশ্য—অসংখ্য জেলের কর্মব্যস্ততা আর মাছ ধরার জন্য নৌকাগুলোর তুমুল হুড়োহুড়ি; আজ সেই চিরচেনা রূপ পাল্টে সেখানে নেমে এসেছে এক থমথমে নীরবতা। চারদিক আজ জনমানুষহীন, নিথর ও নিস্তব্ধ।” মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি করাকে কেন্দ্র করে ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ (২২ দিন) এই সময়ে ইলিশ মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ভিটেমাটি বন্ধক রেখেও শূন্য হাতে উত্তর হালিশহরের গলিচিপার আবদুল মান্নান ও তার ভাগিনা নুরনবি সহ উত্তর হালিশহর বারুনি ঘাটা ও রাণী রাশমনি ঘাটের অসংখ্য মৎস্যজীবীদের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় নামল চরম বিপর্যয়। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে এমনিতেও সাগরে আশানুরূপ ইলিশ মিলছিল না, যার কারণে অনেকেই তেলের খরচ তুলতে পারেননি। এখন টানা ২২ দিন পুরোপুরি আয় বন্ধ থাকায় কিস্তি শোধ ও দাদনের টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে তারা চরম হতাশায় ভুগছেন। বিকল্প আয়ের কোনো উৎস না থাকায় জেলে পরিবারগুলোর দৈনিক খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে যে ভিজিএফ (VGF) চাল সহায়তা দেওয়া হয় ২০ শতাংশ পরিবারকে, তা অনেক সময় পর্যাপ্ত হয় না কিংবা সময়মতো পৌঁছায় না বলে জেলেদের অভিযোগ রয়েছে।আর বাকী ৮০শতাংশ জেলেদের বর্তমান অবস্থা করুন বেকার আর হতাশায় নৌকায় জাল বুনে আর নৌকা মেরামতেই দিন কাটে। বর্তমানে বারুনী ঘাটে মাছ ধরা ট্রলার ও নৌকাগুলো নোঙর করে রাখা হয়েছে। জেলেরা এই অলস সময়ে ঘাটে বসে তাদের পুরোনো জাল বোনা, ট্রলারের ইঞ্জিন মেরামত এবং নৌকা রং করার কাজ করছেন। তীব্র অভাবের তাড়নায় বারুনী ঘাটা ও এর পার্শ্ববর্তী আনন্দবাজার বা ধুমপাড়া উপকূলের কিছু জেলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতে বা ভোরে সাগরে নামার চেষ্টা করছেন, যার ফলে নিয়মিত অভিযানে অনেককে আটক ও জরিমানা করা হচ্ছে।মা-ইলিশ রক্ষায় সরকারের হঠাৎ দেওয়া ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞার খবরটি আগে থেকে জানা ছিল না এই মৎস্যজীবীদের। আর এই অসচেতনতা ও সরকারি নিষেধাজ্ঞার মারপ্যাঁচে পড়ে মুহূর্তেই তাদের জীবনে নেমে এসেছে চরম অন্ধকার।
সাগরে জাল ফেলা তো দূরের কথা, নৌকা ঘাটে বেঁধে রেখেই এখন প্রতিদিন গুনতে হচ্ছে মোটা অঙ্কের লোকসান। একদিকে সাগরে না নামলেও প্রতিদিন নিয়ম করে গুনতে হচ্ছে নৌকার ভাড়া; অন্যদিকে ভোলা থেকে চুক্তি করে আনা জেলেদের প্রতিদিনের বেতন ও খোরাকি সঠিক সময়ে বুঝিয়ে দিতে হচ্ছে।
আয়-রোজগার সম্পূর্ণ বন্ধ, অথচ প্রতিদিনের খরচের বোঝা পাহাড়সম হয়ে চেপে বসেছে তাদের ঘাড়ে। ধার-দেনা আর জমি বন্ধকের টাকা পরিশোধের চিন্তার পাশাপাশি প্রতিদিনের এই বিপুল খরচের জোগান দিতে গিয়ে এখন দিশেহারা আব্দুল মান্নান ও সাগর। সরকারি এই আকস্মিক নিষেধাজ্ঞা উত্তর হালিশহরের এই দুই মৎস্যজীবী পরিবারের জীবনে এক চরম মানবিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে।
সাগর ও নদীতে ২২ দিনের ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে শেষ হবে । সেই দিনের ভরসায় আর তাদের সুদিন ফিরে আসার অপেক্ষাই তাদের এই মুহুর্তে একমাত্র প্রার্থনা।

Views: 13

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চাইলেও জোটের কয়েকটি শরিক দল চাচ্ছে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।  জোটের শরিক দলগুলোর প্রধান যুক্তি হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় না করা হলে এই ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।  জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসনে তাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, স্থানীয় নির্বাচনেও সেসব এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থন পাওয়া জরুরি। এতে তৃণমূলে দলগুলোর ভিত্তি তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করলে শরিকদের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন।  অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে একক নির্বাচনের পক্ষে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা অত্যন্ত কঠিন।  তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় নেতৃত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে চায় দলটি। অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটেও কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনেছে জামায়াত।  এছাড়া দলটির ভেতরের হিসাব বলছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে জামায়াতের কয়েকটি আসনে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যায়নি। অন্তত তিনটি আসনে স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে আবারও শরিকদের জন্য ছাড় দিতে গেলে দলের ভেতরে সাংগঠনিক অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।  একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে জোটের আসন সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রকৃত জনসমর্থন কোন এলাকায় কতটা, তা নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিলে সেই সাংগঠনিক শক্তি ও চিত্রও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে দলটি। তবে পুরোপুরি কড়াকড়ি না রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটের সিদ্ধান্ত না থাকলেও, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।  এদিকে জামায়াতের এই এককভাবে এগোনোর নীতির ফলে কওমি ধারার দলগুলো বিকল্প মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও রয়েছে।  গত ২২ অক্টোবর হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২১ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে এই প্ল্যাটফর্মের কাঠামো ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া দলগুলো পুরোনো জোট ছাড়বে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি এবং কোনো কোনো দল দুই প্ল্যাটফর্মেই থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।  অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে শতাধিক উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি।  অন্যদিকে জামায়াতও দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েম এবং উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুই দলের আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে।  সব মিলিয়ে, জামায়াত শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের চিত্রের ওপর। দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।  নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন জামায়াত নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সমীকরণই নির্ধারণ করবে ১১ দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চাইলেও জোটের কয়েকটি শরিক দল চাচ্ছে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জোটের শরিক দলগুলোর প্রধান যুক্তি হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় না করা হলে এই ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসনে তাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, স্থানীয় নির্বাচনেও সেসব এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থন পাওয়া জরুরি। এতে তৃণমূলে দলগুলোর ভিত্তি তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করলে শরিকদের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে একক নির্বাচনের পক্ষে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা অত্যন্ত কঠিন। তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় নেতৃত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে চায় দলটি। অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটেও কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনেছে জামায়াত। এছাড়া দলটির ভেতরের হিসাব বলছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে জামায়াতের কয়েকটি আসনে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যায়নি। অন্তত তিনটি আসনে স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে আবারও শরিকদের জন্য ছাড় দিতে গেলে দলের ভেতরে সাংগঠনিক অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে জোটের আসন সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রকৃত জনসমর্থন কোন এলাকায় কতটা, তা নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিলে সেই সাংগঠনিক শক্তি ও চিত্রও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে দলটি। তবে পুরোপুরি কড়াকড়ি না রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটের সিদ্ধান্ত না থাকলেও, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। এদিকে জামায়াতের এই এককভাবে এগোনোর নীতির ফলে কওমি ধারার দলগুলো বিকল্প মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও রয়েছে। গত ২২ অক্টোবর হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২১ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে এই প্ল্যাটফর্মের কাঠামো ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া দলগুলো পুরোনো জোট ছাড়বে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি এবং কোনো কোনো দল দুই প্ল্যাটফর্মেই থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে শতাধিক উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। অন্যদিকে জামায়াতও দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েম এবং উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুই দলের আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। সব মিলিয়ে, জামায়াত শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের চিত্রের ওপর। দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন জামায়াত নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সমীকরণই নির্ধারণ করবে ১১ দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র।

by admin
October 25, 2026
0
0

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে...

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে

দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে

by admin
October 25, 2026
0
6

জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের অন্যতম প্রধান সাক্ষী ৮৭ বছর বয়সী মানিক পশারীর মরদেহ ১৭ ঘণ্টা...

আই হ্যাভ এ প্লান দিয়ে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে গেছে

আই হ্যাভ এ প্লান দিয়ে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে গেছে

by admin
October 25, 2026
0
7

আজ ২৪ শে অক্টোবর রোজ শনিবার সকাল ১১.০০ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয়...

ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবেন বুড়িচংয়ে ২৪ কৃষক পরিবার

ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবেন বুড়িচংয়ে ২৪ কৃষক পরিবার

by admin
October 25, 2026
0
15

  মোঃ আবদুল্লাহ বুড়িচং (কুমিল্লা) কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামে কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্মাণের জন্য তিন ফসলি জমি অধিগ্রহণের...

by admin
October 25, 2026
0
8

আর কে আকাশ, পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা জেলার ১৯৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিক উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম বকুল স্বাধীনতা চত্বরে প্রতিবারের ন্যায়...

মিরসরাইয়েঅটিজম সেন্টার ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েই যাত্রা শুরু করলো লাইফ সেইফার সংস্থার

মিরসরাইয়েঅটিজম সেন্টার ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েই যাত্রা শুরু করলো লাইফ সেইফার সংস্থার

by admin
October 25, 2026
0
10

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি নিরাপদ সমাজ গঠন, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ও সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্বেচ্ছাসেবী...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চাইলেও জোটের কয়েকটি শরিক দল চাচ্ছে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জোটের শরিক দলগুলোর প্রধান যুক্তি হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় না করা হলে এই ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসনে তাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, স্থানীয় নির্বাচনেও সেসব এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থন পাওয়া জরুরি। এতে তৃণমূলে দলগুলোর ভিত্তি তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করলে শরিকদের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে একক নির্বাচনের পক্ষে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা অত্যন্ত কঠিন। তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় নেতৃত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে চায় দলটি। অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটেও কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনেছে জামায়াত। এছাড়া দলটির ভেতরের হিসাব বলছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে জামায়াতের কয়েকটি আসনে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যায়নি। অন্তত তিনটি আসনে স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে আবারও শরিকদের জন্য ছাড় দিতে গেলে দলের ভেতরে সাংগঠনিক অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে জোটের আসন সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রকৃত জনসমর্থন কোন এলাকায় কতটা, তা নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিলে সেই সাংগঠনিক শক্তি ও চিত্রও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে দলটি। তবে পুরোপুরি কড়াকড়ি না রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটের সিদ্ধান্ত না থাকলেও, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। এদিকে জামায়াতের এই এককভাবে এগোনোর নীতির ফলে কওমি ধারার দলগুলো বিকল্প মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও রয়েছে। গত ২২ অক্টোবর হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২১ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে এই প্ল্যাটফর্মের কাঠামো ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া দলগুলো পুরোনো জোট ছাড়বে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি এবং কোনো কোনো দল দুই প্ল্যাটফর্মেই থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে শতাধিক উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। অন্যদিকে জামায়াতও দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েম এবং উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুই দলের আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। সব মিলিয়ে, জামায়াত শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের চিত্রের ওপর। দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন জামায়াত নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সমীকরণই নির্ধারণ করবে ১১ দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র। October 25, 2026
  • সাদপন্থীরা আর কখনো টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী October 25, 2026
  • দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে October 25, 2026
  • আই হ্যাভ এ প্লান দিয়ে মানুষের ভোগান্তি বেড়ে গেছে October 25, 2026
  • ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার আগে যেখানে সাগরের বুকে ভেসে উঠত এক অপরূপ দৃশ্য October 25, 2026
  • ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবেন বুড়িচংয়ে ২৪ কৃষক পরিবার October 25, 2026
  • আমার দুঃখিনী শিক্ষা ক্যাডার ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে রাস্তায় দাঁড়ালে ক্লাসে পড়াবেন কে? October 25, 2026
  • ফ্যাসিষ্ট আ’লীগ ও ২৮ অক্টোবরের লগি-বৈঠা   October 25, 2026
  • সরিষাবাড়িতে আ,স,ক এর নতুন অফিস উদ্বোধনে এমপি শামীম তালুকদার October 25, 2026
  • দিল্লির ১৩০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদের পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর হয়ে উঠেছে October 25, 2026
  • (no title) October 25, 2026
  • মিরসরাইয়েঅটিজম সেন্টার ও নার্সিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েই যাত্রা শুরু করলো লাইফ সেইফার সংস্থার October 25, 2026
  • প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে আর্থিক অনুদান প্রদান October 25, 2026
  • রাজশাহীতে সরকারি রাস্তা দখল নিয়ে সংঘর্ষ: সংবাদকর্মীসহ আহত ৩ থানায় মামলা October 25, 2026
  • নভেম্বরে পড়বে হালকা শীত October 25, 2026
  • সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান এবং পুশইন প্রতিরোধে পৃথক দুটি জনসচেতনতামূলক সভা October 25, 2026
  • স্বর্ণের দাম বাংলাদেশে কমলো সাড়ে ২৩ হাজার টাকা, বিশ্ববাজারে কত? October 25, 2026
  • অহংকারের শেষ ঠিকানা মাটির ঘর October 25, 2026
  • যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় শ্রমিক লীগের প্রয়াত সভাপতি কাজী আজিজুল হক খোকনের স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত October 25, 2026
  • দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যে কথা কখনোই স্ত্রীকে বলবেন না October 24, 2026
  • বিয়ের পর যেসব কারনে বাচ্চা হয় না, রইল ১১ টি প্রতিকার October 24, 2026
  • সকালের চু’ম্বনে চূড়ান্ত রোমান্টিক হয়ে জমে উঠুক প্রেম October 24, 2026
  • পরপর কয়েকটা রাতে শা’রীরিক সম্পর্কে অনীহা, কেন জানেন? October 24, 2026
  • হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার। মাদক মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ।। October 24, 2026
  • মিরসরাইয়ে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চিকিৎসাসেবা পেলেন দেড় শতাধিক মানুষ October 24, 2026
  • মা,বাবা,ফেলে রেখে চলে যায় নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুটির পাশে দাড়ালেন জেলা প্রশাসক October 24, 2026
  • চৌদ্দগ্রামের ঐতিহ্যবাহী চিওড়া আছগরিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার ৭০ বছর পূর্তি উৎসব পালিত October 24, 2026
  • চৌদ্দগ্রামে মাদক, চুরি ও ডাকাতির বিরুদ্ধে আলোচনা সভা October 24, 2026
  • বুড়িচংয়ে জামগাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বিএনপি নেতার মৃত্যু October 24, 2026
  • ময়নামতিতে দিন দিন বেড়েই চলছে অপরাধ; এবার ডাকাতের কবলে প্রবাসী, টাকা-মোবাইল ছিনতাই October 24, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চাইলেও জোটের কয়েকটি শরিক দল চাচ্ছে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।  জোটের শরিক দলগুলোর প্রধান যুক্তি হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় না করা হলে এই ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।  জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসনে তাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, স্থানীয় নির্বাচনেও সেসব এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থন পাওয়া জরুরি। এতে তৃণমূলে দলগুলোর ভিত্তি তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করলে শরিকদের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন।  অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে একক নির্বাচনের পক্ষে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা অত্যন্ত কঠিন।  তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় নেতৃত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে চায় দলটি। অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটেও কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনেছে জামায়াত।  এছাড়া দলটির ভেতরের হিসাব বলছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে জামায়াতের কয়েকটি আসনে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যায়নি। অন্তত তিনটি আসনে স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে আবারও শরিকদের জন্য ছাড় দিতে গেলে দলের ভেতরে সাংগঠনিক অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।  একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে জোটের আসন সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রকৃত জনসমর্থন কোন এলাকায় কতটা, তা নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিলে সেই সাংগঠনিক শক্তি ও চিত্রও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে দলটি। তবে পুরোপুরি কড়াকড়ি না রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটের সিদ্ধান্ত না থাকলেও, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।  এদিকে জামায়াতের এই এককভাবে এগোনোর নীতির ফলে কওমি ধারার দলগুলো বিকল্প মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও রয়েছে।  গত ২২ অক্টোবর হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২১ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে এই প্ল্যাটফর্মের কাঠামো ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া দলগুলো পুরোনো জোট ছাড়বে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি এবং কোনো কোনো দল দুই প্ল্যাটফর্মেই থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।  অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে শতাধিক উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি।  অন্যদিকে জামায়াতও দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েম এবং উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুই দলের আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে।  সব মিলিয়ে, জামায়াত শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের চিত্রের ওপর। দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।  নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন জামায়াত নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সমীকরণই নির্ধারণ করবে ১১ দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র।

      স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের কৌশল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যে টানাপোড়েন ও ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করতে চাইলেও জোটের কয়েকটি শরিক দল চাচ্ছে জোটবদ্ধভাবে অংশ নিতে। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা না হলে শরিকদের কেউ কেউ বিকল্প জোটে নির্বাচনের কথা ভাবছে, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। জোটের শরিক দলগুলোর প্রধান যুক্তি হলো, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন সমঝোতা এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার পর স্থানীয় নির্বাচনে সমন্বয় না করা হলে এই ঐক্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে কমে যাবে। তাদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে জোটের প্রশ্নটি শুধু প্রার্থী সমন্বয়ের নয়; এর সঙ্গে শরিক দলগুলোর রাজনৈতিক গুরুত্ব, সাংগঠনিক বিস্তার এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অবস্থানও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। জাতীয় নির্বাচনে যেসব আসনে তাদের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, স্থানীয় নির্বাচনেও সেসব এলাকায় দলীয় প্রার্থীর সমর্থন পাওয়া জরুরি। এতে তৃণমূলে দলগুলোর ভিত্তি তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতে দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে। জামায়াত এককভাবে নির্বাচন করলে শরিকদের জন্য সেই সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে বলে তারা উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে, জামায়াতের পক্ষ থেকে একক নির্বাচনের পক্ষে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। দলটির নেতাদের ভাষ্যমতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো নয়। ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে বিপুলসংখ্যক পদে প্রার্থী বাছাই এবং কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা করা অত্যন্ত কঠিন। তাছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি ও আঞ্চলিক হিসাব সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাই কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না করে স্থানীয় নেতৃত্বের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে চায় দলটি। অতীতে বিএনপির সঙ্গে জোটেও কেন্দ্রীয়ভাবে আসন ভাগাভাগি না হয়ে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার ঐতিহাসিক উদাহরণ টেনেছে জামায়াত। এছাড়া দলটির ভেতরের হিসাব বলছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের আসন ছেড়ে দিতে গিয়ে জামায়াতের কয়েকটি আসনে সম্ভাবনাময় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যায়নি। অন্তত তিনটি আসনে স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। স্থানীয় নির্বাচনে আবারও শরিকদের জন্য ছাড় দিতে গেলে দলের ভেতরে সাংগঠনিক অসন্তোষ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। একই সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনে জোটের আসন সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রকৃত জনসমর্থন কোন এলাকায় কতটা, তা নির্ণয়ের সুযোগ সীমিত ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নিলে সেই সাংগঠনিক শক্তি ও চিত্রও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে দলটি। তবে পুরোপুরি কড়াকড়ি না রেখে কেন্দ্রীয়ভাবে জোটের সিদ্ধান্ত না থাকলেও, জেলা বা উপজেলা পর্যায়ে শরিক দলগুলো নিজেরা আলোচনা করে একক প্রার্থী ঠিক করলে কেন্দ্র থেকে বাধা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। এদিকে জামায়াতের এই এককভাবে এগোনোর নীতির ফলে কওমি ধারার দলগুলো বিকল্প মেরুকরণের দিকে ঝুঁকছে। হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে সম্প্রতি ‘সমমনা ইসলামী দলসমূহ’ নামে সাতটি রাজনৈতিক দল নিয়ে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও রয়েছে। গত ২২ অক্টোবর হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ২১ সদস্যের একটি লিয়াজোঁ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আগামী ৫ ডিসেম্বর পরবর্তী বৈঠকে এই প্ল্যাটফর্মের কাঠামো ও কর্মপন্থা চূড়ান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়া দলগুলো পুরোনো জোট ছাড়বে কি না, সে বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি এবং কোনো কোনো দল দুই প্ল্যাটফর্মেই থাকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে শতাধিক উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনে সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। অন্যদিকে জামায়াতও দক্ষিণে আবু সাদিক কায়েম এবং উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুই দলের আলাদা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্তে স্থানীয় নির্বাচনে তাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে। সব মিলিয়ে, জামায়াত শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে তা অনেকটাই নির্ভর করছে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ ও নির্বাচনের চিত্রের ওপর। দলটি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাই করে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করলেও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচন এবং সার্বিক নির্বাচনী পরিবেশ কতটা অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়, তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে মনে করছেন জামায়াত নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থানীয় সমীকরণই নির্ধারণ করবে ১১ দলীয় ঐক্যের ভবিষ্যৎ এবং স্থানীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত চিত্র।

      October 25, 2026
      সাদপন্থীরা আর কখনো টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী

      সাদপন্থীরা আর কখনো টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী

      October 25, 2026
      দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে

      দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মামলার বাদীর দাফনে আসেনি কেউ, কবর খুঁড়লেন স্ত্রী-মেয়ে

      October 25, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল
      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • জাতীয়
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • আন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • ভারত/কলিকাতা
      • রাজধানী ঢাকা
      • শিক্ষা
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • স।রাদেশ

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d