একটা ভুল ধারণা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে যে নেত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে ঢাকা ছেড়েছেন।যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছিল তাতে শেখ হাসিনাকে হেলিকপ্টারে উঠতে দেখা যায়নি।তিনি হেটে গাড়িতে উঠতে দেখা যায়।
মানে তাতে বুঝা যায় তিনি হেলিকপ্টার থেকে নেমেছেন,উঠেন নাই।তাহলে তিনি হেলিকপ্টারে কোথা থেকে উঠেছিলেন?
শেখ হাসিনা শেরে বাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পশ্চিম পাশের মেলার মাঠ থেকে হেলিকপ্টারে উঠে তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে নামেন।যা বাশার ঘাটি হিসেবে পরিচিত। নেত্রী গণভবন থেকে গাড়িবহর নিয়ে বের হয়ে গণভবন স্কুলের সামনে দিয়ে মেলার মাঠের পাশ দিয়ে পূর্বদিকে পুরাতন বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন।
সে-সময় এসএসএফের কাছে খবর আসে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের সামনে কিছু আন্দোলকারী পৌঁছে গেছে। তাই এসএসএফ হেলিকপ্টার কল করে।মেলার মাঠ থেকেই শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে উঠেছেন।এই গাড়ি বহরে নেত্রীর সাথে তার বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া ছিলেন। বিপ্লব বড়ুয়া এক সাক্ষাৎকারে এটা বর্ণনা করেছেন।আমি নিজে সেই বর্ণনা শুনেছি।
আজকে যে ফ্লাইট লেফটেন্যান্টকে তাহসিফ সৌরিকে মৃত পাওয়া গেছে সেই প্রথম এই ভিডিও তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করে।পরে অজ্ঞাত কারনে কিছুক্ষণ পরেই তা ডিলিট করে কিন্তু ততক্ষণে অনেকে ভিডিওটি ডাউনলোড করে ফেলেছিল।বলা হয়ে থাকে সৌরি স্নাইপারের দায়িত্বে ছিল কিন্তু কমান্ড দেরিতে আসায় টার্গেট মিলাতে পারেনি। ৫ আগস্ট ২০২৪ এর পরে এই শা’উয়া হাদির বন্ধু সৌরিকে টার্গেট মিস করায় বাধ্যতামূলক অবসর দেয় নুনুস প্রশাসন।
পুরাতন বিমানবন্দর তথা বাশার ঘাটির রাস্তার ওপর পাড়েই বিমানবাহিনীর অফিসার্স মেস।সেই মেস থেকে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রিফাত ভিডিও ধারণ করেছিল।
শাউ’য়া হাদির বন্ধুদের নেত্রীর পালিয়ে যাওয়া অভিধা দিয়ে পোস্ট দেয়ায় আসল ঘটনা তুলে আনলাম।
©️ Khaleque Gharami কম দেখুন









