সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত এবং সম্প্রতি ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হওয়া আব্দুল্লাহিল আমান আজমী
গুমের বন্দী দশা থেকে মুক্ত হবার পর, বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, বন্দি অবস্থায় তাঁকে বলা হয়েছিল, ‘অঘটন ঘটার শঙ্কায় তাঁকে আটক করা হয়েছে।’ কী এমন ‘অঘটন ঘটার শঙ্কায়’ আটক করা হয়েছিল তাঁকে?
অসুস্থ হলে তাঁকে স্থানান্তর করা হয়েছিল এসি রুমে, পেয়েছেন চিকিৎসা।
আর তখনই আটক রাখার দায়িত্বে থাকা কারও মুখে শুনেছেন, ‘আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’
গুম করে আট বছর বন্দি রাখা কর্তৃপক্ষের তাঁকে বাঁচিয়ে রাখার কী প্রয়োজন ছিল?
সেনাবাহিনীর এমন একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা অপহরণের শিকার হওয়ার পর এ নিয়ে কেমন ছিল তৎকালীন এবং পরবর্তী সেনাপ্রধানদের অবস্থান? কেন নীরব ছিল অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের সংগঠন রাওয়া?
‘আট বছর ধরে চোখের পানি মোছার’ পরও কীভাবে এত নতুন ছিল তাঁর আলোচিত গামছা? যা দেখে তাঁর স্বজনও বলেছিলেন, ‘গামছা কোম্পানির বিজ্ঞাপন হয়ে যাবে’।
বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের হাত জোড় করে করা অনুরোধ অবজ্ঞা করে, তাকে গুমের অভিযোগে মামলা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে। আসামি করেছেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকসহ ১৩ জনকে।
বর্তমানে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ইস্যুতে জাতীয় ঐক্য, মূলত বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন গোলাম আযম পুত্র আমান আজমী। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এই দুই দলের বিভক্তি কোথায় এবং কবে থেকে?
দেশের অন্যতম বড় দল আওয়ামী লীগকে বাদ রেখে কার্যকর হবে কোন জাতীয় ঐক্য? নাকি বাড়বে বিভক্তি? যেখানে জমায়াত- বিএনপি দুই দলই একে অপরকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাতে অভিযুক্ত করছে।
শেখ হাসিনার পতনে যেমন সক্রিয় ছিল সেনাবাহিনী, তাঁকে ফেরাতেও কি তৎপরতা রয়েছে সেনাবাহিনীর ভেতরে?
এসব নিয়ে আলোচনায় ‘পালস অব পলিটিক্স’-এ আমার অতিথি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আজমী।








