জামালপুর জেলা প্রতিনিধি :
জামালপুরের সিংহজানী খাদ্য গুদামের এসএমও ইসরাত আহমেদকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও গভীর ষড়যন্ত্র নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়, ইসরাত আহমেদ জামালপুর সিংহজানী খাদ্য গুদামের এসএমও হিসেবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। চাকরিজীবনে তিনি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন । কখনো দুর্নীতি, অনিয়ম বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হয়নি এবং অন্যায়কে প্রশ্রয়ও দেয় নাই । তার দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কেউ কেউ অসৎ উদ্দেশ্যে প্রভাবিত হয়ে কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে আঘাত লাগার কারণে দীর্ঘদিন ধরে ইসরাত আহমেদ এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন।একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে অর্থ দাবি করে আসছে। কিনতি তাদের কোনো অনৈতিক দাবি মেনে না নেওয়ায় চক্রটি তার বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে বলে আমার অভিযোগ।পাশাপাশি সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আসছেন।
সিংহজানী খাদ্য গুদামের এসএমও ইসরাত আহমেদ জানান, গত ১ অক্টোবর দেশ রুপান্তর অনলাইনে ”
জামালপুর সিংহজানি খাদ্যগুদাম ঘিরে নানা অভিযোগ, তদন্তের মুখে কর্মকর্তা”, ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলানিউজ২৪ডট কমে খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ, তদন্তে কমিটি, ২৯ সেপ্টেম্বর ড্যালি এদিন অনলাইনে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি, ২৯ সেপ্টেম্বর daily economic post অনলাইনে ইচ্ছে হলে ব্যাক্তিগত গাড়িতে করে অফিসে আসেন খাদ্যকর্মকর্তা, রয়েছে নৈতিক স্খলন ও ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ, দৈনিক যখন সময় অনলাইনে খাদ্য কর্মকর্তা পাপেলের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন ও দুর্নীতির তদন্ত শিরোনামে সহ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনলাইন/স্থানীয়/জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত ও প্রচারিত সকল মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। তিনি আরো জানান, আমি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল। তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্যের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের সামাজিক ও দাপ্তরিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সংবাদ প্রকাশ কিংবা প্রচারের পুর্বেও তার সাথে কোন সাংবাদিক দেখা করে বক্তব্য কিংবা মুঠোফোনেও কল দিয়ে বক্তব্য নেয়নি বলেও তিনি জানান।প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো আমার বক্তব্য অনুযায়ী সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, ষড়যন্ত্রমূলক, হয়রানিমূলক ও সম্মানহানিকর । কোনো ধরনের যথাযথ তথ্য-প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই না করে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি আরো জানান, এছাড়াও একটি মহল পরকীয়া ও বিভিন্ন কথিত ‘ট্যাপ’সহ নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে আমাকে ও আমার পরিবারকে হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকেও আমার ও আমার পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর পোস্ট ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে আমার সামাজিক, পারিবারিক ও দাপ্তরিক মর্যাদা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে । আমি শীগ্রই আইনের আশ্রয় নিব। আমি অধিদপ্তরে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এ কারণে একটি অসাধু মহল হিংসাত্মকভাবে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হেনস্তা করার চেষ্টা করছে এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকিরও সম্মুখীন হতে হয়েছে বলে আমি অভিযোগ করছি।আমি কখনো কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। আমার পরিবার অতীত থেকেই প্রতিষ্ঠিত। আমি একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার ও একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। পারিবারিকভাবেই আমরা প্রতিষ্ঠিত। আমার চাকরিজীবনে আমি নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কখনো দুর্নীতি, অনিয়ম বা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত হইনি এবং অন্যায়কে প্রশ্রয়ও দিইনি।









