সেলিম রেজা, নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি:
জাতি গঠনে শিক্ষকের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা জ্ঞাপন এবং আদর্শ জাতি গড়ার কারিগর খ্যাত শিক্ষকদের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে সারা বিশ্বের ন্যায় শেরপুরের নকলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে ‘স্ট্যান্ডিং উইথ টিচার্স: সিক্সটি ইয়ার্স অব প্রোটেকটিং দ্য প্রফেশন, অ্যাডভান্সিং ইটস স্ট্যাটাস, শেপিং আওয়ার ফিউচার্স’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের যৌথ আয়োজনে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম’র নেতৃত্বে র্যালিটি উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সভায় উপজেলা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সিনিয়র শিক্ষক এবং উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগন বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষকরা আদর্শ জাতি গড়ার কারিগর। তাঁরা শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষিত ও মানবশক্তিতে রূপান্তরিত করে দেশ ও জাতি গঠনে দক্ষ করে তুলেন। আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ গড়ার দায়িত্ব নিবে। তাই শিক্ষার্থীদের দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে মহান দায়িত্ব পালন করবেন শিক্ষক সমাজ। এ কারণেই আমাদের সমাজে পিতা-মাতার পরেই শিক্ষকের স্থান বলে মনে করা হয়। তাই শিক্ষকদের সম্মানে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য বলেও বক্তারা মন্তব্য করেন। তারা বলেন ‘আদর্শ জাতি গড়ায় শিক্ষকদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ দিবসের গুরুত্ব অপরিসীম।’
এ সময় উপজেলা প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী ও উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্যারিসে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেসকোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ সালে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপন বা পালন করা শুরু হয়। জানা গেছে, ইউনেসকোর অনুমোদনক্রমে ১৯৯৫ সাল থেকে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।









