রংপুর ব্যুরো: রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ৪ দিন ধরে অজ্ঞাত এক বাড়িতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মিনারুল ইসলাম (২৬) সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই কিশোরীকে গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় ৪ অক্টোবর রাতে একটি নির্জন সড়কে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে পীরগঞ্জ থানা পুলিশ। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে ৫ অক্টোবর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পুলিশের পাহারায় চিকিৎসা করানো হয়। পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহ¯পতিবার ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ থানার পাঁচগাছি গ্রামের দরিদ্র শহিদুল ইসলামের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে পাশ্ববর্তী বিরাহিমপুর গ্রামের শাহিদুল ইসলামের ছেলে মো. মিনারুল ইসলাম ডেকে নেয়। এরপর ৫-৬ জন যুবক একটি অটো ভ্যানে করে ওই কিশোরীকে রংপুরের একটি অজ্ঞাত বাড়িতে নিয়ে রাতভর গণধর্ষণ করে। চারদিন ধরে তার উপর পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে মিনারুলসহ তার তিন সঙ্গী। এক পর্যায়ে ৪ অক্টোবর ওই কিশোরী রাতে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে, ধর্ষকরা একটি সিএনজিতে করে রাত ৯ টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার জামতলায় ফাঁকা সড়কে ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ কিশোরীকে উদ্ধার করে তার বাবা শহিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করেন। পরের দিন ৫ অক্টোবর বিকালে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে তার বাবা শহিদুল ইসলাম পীরগঞ্জ থানায় গেলে, কিশোরীকে রংপুর পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে মাধ্যমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। পীরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাজমুল হক বলেন, ফরেন্সিক বিভাগের রিপোর্ট আসলেই মামলা রেকর্ডসহ সব আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।








