মালিকুজ্জামান কাকা
তৃণমূলের একজন শিক্ষক আসাদুজ্জামান রাজু। যশোরের শার্সা দাখিল মাদ্রাসার গণিত শিক্ষক। ২০০২ সাল থেকে শিক্ষকতায়। উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন। নিজ এলাকায় বর্তমানে শিক্ষার্থী ও যুবকদের মাঝে মাদক বিস্তার ও যুব সমাজ ধ্বংসে তিনি যারপরনাই উদ্দিগ্ন। ভয়ানক দশায় কিশোর গ্যাং। অভিভাবক মাদকসেবী কতৃক নাজেহাল হচ্ছেন নিয়মিত। সমাজের শিক্ষা দর্পন হিসাবে তিনি শঙ্কিত। তার বোধ মাদক বিস্তার রোধে সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ নেই বললেই চলে। এসব নিয়েই তিনি নিজের অবস্থান ব্যাক্ত করেছেন। মাদক বিস্তার রোধ, কিশোর, শিক্ষার্থী ও যুব সমাজ কে মাদক থেকে রক্ষা করতে তিনি মতামত প্রকাশ করেছেন। ব্যাক্ত করেছেন নিজের ক্ষুদ্র অবস্থান একই সাথে হতাশার কথা।
জানালেন ২০১৩ সালে ট্রেনার শ্রী অতুল কৃষ্ণ বাবুর নেতৃত্বে লিখিত পরীক্ষা ও সার্বিক পারফম্যান্স এর উপর তিনি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মনোনীত হন। রয়েছে তার নিয়মিত হাজিরার পুরস্কার। তবে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজ নিয়ে তিনি আজ চরম উদ্দিগ্ন। শিক্ষাখাত, সমাজে বর্তমানের মাদকের ভয়ঙ্কর উপস্থিতি তাকে ব্যাথিত করছে।
আসাদুজ্জামান রাজু বলেন, কিশোর, শিক্ষার্থী ও যুব সমাজ ধ্বংসের প্রধান কারণ অবৈধ মাদক দ্রব্য। হাত বাড়ালেই তারা মাদকদ্রব্য পেয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন মাদক নির্মূলে আন্তরিক হওয়া সত্ত্বেও মাদক দ্রব্য শহর গ্রামে কিভাবে ছড়িয়ে গেছে তা তার বোধগম্য নয়। এই মাদক থাবা থেকে শিক্ষার্থী ও যুব সমাজ কে রক্ষা করার নিদারুন ব্যাথিত উপলদ্ধি তার। এজন্য শিক্ষক, সমাজপতি, রাজনৈতিক নেতা কর্মী ও অভিভাবকদের সংবেদনশীল ভূমিকা নিয়মিত রাখার কোন বিকল্প নেই। এজন্য এদেশের প্রতিটি গ্রাম, শহর ও মহল্লায় সমন্নিত সুধী সমাজপতি অভিভাবক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। যাতে ভয়াল মাদক দ্রব্য থেকে সন্তান তথা প্রজন্মকে দূরে রাখা যায়। এ জন্য দায় বদ্ধতায় সকলকে নিজ অবস্থানে থেকে সমাজের প্রতি আরো দায়িত্বশীল, সহানুভূতিশীল ও উদ্যোগী হতে হবে। প্রশাসনের সাথে নাগরিক সমন্বয় গড়ে তুলতে হবে। যাতে মাদকদ্রব্য বা নেশা ও অপরাধ তদারকির মাধ্যমে কমিয়ে আনা যায়। অভিভাবকদের আরো দায়িত্বশীল হওয়া ছাড়া উপায় নেই। তাদের আরো আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতেই হবে।
আসাদুজ্জামান রাজু সবুজে ঘেরা বেতনা নদী পরিবেষ্টিত নারায়ণপুর গ্রামের মৃত মাওলানা মোহাম্মদ আইউব হোসেনের ছেলে। তার মা মোছাম্মদ খালেদা খাতুন। নাভারণবাজারস্থ বুরুজবাগান মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে এসএসসি পাশ করেন। এরপর সরকারি এমএম কলেজ থেকে আইএসসি, বিএসসি ও এমএসসি উত্তীর্ণ হয়েছেন। রয়েছেন সামাজিক নানা জন উপকার মুখী কর্মে। নিজ এলাকায় মসজিদ মাদ্রাসা নির্মাণে তিনি অগ্রণী ভূমিকায়। নিয়মিত গরীব অসহায় মানুষের পাশে সদা বিভিন্ন সেবায় আত্ম নিবেদিত। ভোট কে সাধারণ মানুষের জন্য সার্বজনীন করতে তিনি সদা প্রচারমুখী। তিনি জানান যোগ্য প্রার্থী কে ভোট প্রদান নাগরিক অধিকার। সমাজ গঠনে তার রয়েছে ক্ষুদ্র অংশগ্রহণ।
তার উপলব্ধি অবৈধ মাদক দ্রব্য সমাজে অভাবনীয় ক্ষতিকর নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে। মাদকসেবী নেশার ঘোরে পিতা মাতা ভাইবোন স্বজন কে অমান্য করছে। নেশার টাকা জোগাড় করতে তারা সামাজিক অপরাধ চুরি ছিনতাই চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম করছে। প্রায় শোনা যায় নেশায় আসক্ত সন্তান পিতা মাতা ভাইবোন কে মেরে ধরে, জীম্মি করে তারা টাকা আদায় করে। পত্র পত্রিকা ও টিভি চ্যানেল গুলো প্রতিদিন এসব বিষয়ে সংবাদ প্রচার করছে। আজ সময় এসেছে সমাজ ও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষার পরিবেশ রক্ষার। সকলে মিলে বাঁচাতে হবে আগামী প্রজন্ম কে। নইলে প্রশ্নবিদ্ধ হবে বাঙালি জাতির অর্জন। এ যাত্রায় সকলকে একসাথে থাকতে হবে। তবেই মাদক মুক্ত শিক্ষা খাত ও সমাজ মিলবে। যা আমাদের জন্য অতীব জরুরি। এই সরল স্বীকারোক্তি শিক্ষক আসাদুজ্জামান রাজুর।
সুফলাকাটী ইউনিয়নের ১৩টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা দিলেন রফিকুল ইসলাম
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে যশোরের কেশবপুর উপজেলার ৮ নম্বর সুফলাকাটী ইউনিয়নের ১৩টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক সহায়তা...









