পুলিচের রাতভর অভিযানে গ্রেফতার ৩জন।।
আকিকুর রহমান রুমন:-হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মারামারি মামলার দুইজন গ্রেপতারকৃত আসামীকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে গিয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনায় পুলিশের রাতভর অভিযান চালিয়ে ৩জনকে নতুন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে।
এছাড়াও পুলিশের হামলা ও ধস্তাধস্তির ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদেরকে গ্রেফতার করতে পারে
অভিযান পরিচালনা করে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন-ওসি।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলা ৬নম্বর কাগাপাশা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৬নং কাগাপাশা ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের মারামারি মামলার আসামি আনফর আলীর পুত্র মুশাহিদ ও আনছার আলীর পুত্র নজরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এসময় পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে কয়েকজনের হামলা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগও ওঠে।
কিন্তু গ্রেফতারকৃত আসামীদের ছিনিয়ে রাখতে সফল হয়নি তাদের লোকজন।
পরে এই ঘটনায় (বৃহস্পতিবার)
দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ওসি শেখ নাজমুল হকের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক পুলিশ সদস্য গাজীপুর, লুহাজুরি,
বাঘহাতা,আনন্দ বাজার,মিলন বাজার সহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের রাতভর অভিযানে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো ৬নম্বর কাগাপাশা ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের বাগাহাতা শান্তিপুর গ্রামের আব্দুর রহমান,আলাল মিয়া ও মোতব্বির মিয়া।
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন সূত্র আরও জানায়,
বিএনপি নেতা মাহফুজ উদ্দিনসহ ৮-১০ জন মিলে পুলিশের উপর হামলার ঘটনাটি ঘটিছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
তবে এ বিষয়ে পুলিশের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)
শেখ নাজমুল হক এর সাথে মুঠোফোনে রাত ১০টা ৫০মিনিটে যোগাযোগ করা হলে তিনি
গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,
মারামারি মামলায় বৃহস্পতিবার মুশাহিদ ও নজরুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ সময় পুলিশের কাছ থেকে আসামীদের ছিনিয়ে নিতে ধস্তাধস্তি হয় কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি।
এই ঘটনার রাতভর অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত ৩জনকে আটক করা হয়।
এবং ২৩ অক্টোবর (শক্রুবার)
পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।









