কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে কমিটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ফরহাদ।
৫ অক্টোবর গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) আল মামুন হাসানের স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়। পরে নুরুল হক নুর তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কুড়িগ্রাম জেলার আংশিক কমিটি আগামী ১ (এক) বছরের জন্য অনুমোদন দেওয়া হলো।’
অনুমোদিত কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছে আবুল কালাম আজাদকে। সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন মমিনুল হক সরকার রানা, মোফাখখারুল ইসলাম (মিঠুন) ও ডা. এম এ সোহেল।
সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত (সবুজ।) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাহুল আহমেদ আকুল ও ডা. কে এম গোলাম কিবরিয়া।
সাংগঠনিক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম আকাশ এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক। দপ্তর সম্পাদক মো. শিমুল মাহমুদ এবং সহদপ্তর সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ।
অর্থ সম্পাদক মো. আবু তালিব (টিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাহফুজার রহমান মাহফুজ, গণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. জয়নাল আবেদীন এবং সহগণমাধ্যম ও সম্প্রচার সম্পাদক মো. মোকসেদ আলী।
এ ছাড়া মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন মজনু, শিক্ষা সম্পাদক প্রভাষক মো. আব্দুস সবুর সরকার, নারী বিষয়ক সম্পাদক মোছা. আদুরি আক্তার আঁখি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. আনারুল হক, সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং নিরাপদ সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. এনামুল হককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কমিটি অনুমোদনের পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ফরহাদ লেখেন, ‘হয়তো কমিটিটা কুড়িগ্রাম জেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু কেমন জানি মনে হচ্ছে কমিটি থাকবে, কিন্তু গণঅধিকার পরিষদের কর্মী খুঁজে পাওয়া যাবে না। দুঃখজনক হলেও সত্যি।’
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘এভাবেই হয়তো কমিটি হয়, যার জন্য দিন যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ কর্মী হারাচ্ছে।’
এদিকে কমিটি নিয়ে অন্যদের মন্তব্যেও সমালোচনার সুর দেখা যায়। একজন লিখেছেন, ‘যারা কমিটিতে আছে তারা নিজেরাই জানে না।’ আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘দলের চেয়ারম্যান নিজেই অন্য দল করে।’ অপর এক মন্তব্যে নুরুল হক নুরকে ইঙ্গিত করে লেখা হয়, ‘তাকে চেনা বড় কঠিন, সে বড় পল্টিবাজ।’
তবে সমালোচনার পাশাপাশি অনেকেই নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ফলে কমিটি অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থন ও সমালোচনা—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই দেখা যাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এসব মন্তব্য চলছে। তবে কারো এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।









