লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি \ মাথা গোঁজার ঠাঁই বলতে শুধুই একটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। রোদ-বৃষ্টি কিংবা হাড়কাঁপানো শীত সবই সইয়ে জীবনযাপন করতে হয় ঝুপড়ির ভেতর। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও দুবেলা দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা নেই। এমন মানবেতর জীবন পার করছেন বৃদ্ধ দম্পত্তি হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী। সরকারের সহায়তা বলতে একটি বয়স্ত ভাতার কার্ড পেলেও তা দিয়ে অক্ষম অবস্থায় জীবনচলা অনেকইটাই কঠিন। অক্ষম দম্পত্তি শেষ বয়সে থাকা ও দুমুঠো খাবারে নিশ্চয়তা সহযোগীতা চান।
সরেজমিনে দেখা যায়,জামালপুরের ইসলামপুরে সদর ইউনিয়নে পচাঁবহলা গ্রামের এই অসহায় দম্পতির ভাগ্যে জোটেনি একটু আরাম কিংবা সন্তানদের মমতা। অযতœ আর অবহেলায় চরম অভাবের মধ্যে দিন কাটছে তাদের। জরাজীর্ণ ঘরের চাল দিয়ে যেমন আকাশ দেখা যায়,তেমনি তাদের চোখেও ফুটে উঠেছে অনিশ্চয়তার ছাপ।
স্থানীয়রা জানান, আশির কোঠায় হাফিজুর রহমানের শারীরিক অক্ষমতার কারণে কাজ করার সামর্থ্য হারিয়েছেন অনেক আগেই। তবুও পেটের তাগিদে অনেক সময় অন্যের দ্বারে হাত পাততে হয়। দুই ছেলে দুই মেয়ে থাকলেও বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজ রাখেনি কেউ। ফলে তাদের দিন কাটছে চরম অযতেœ অবহেলায়।
কান্নাভেজা চোখে বৃদ্ধ হাফিজুর রহমান বলেন,”বাপু, ঘরটা যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বৃষ্টি হলে ঘরে পানি পরে,রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। তার ওপর খাবারের কষ্ট তো আছেই। সন্তানদের কাছে চেয়েও কিছু পাই না।” তার স্ত্রী জানান,অভাবের কারণে অনেক দিন আধা-পেটা বা না খেয়েই দিন পার করতে হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, একটি নিরাপদ ঘর এবং নিয়মিত খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে হয়তো শেষ বয়সে তারা কিছুটা শান্তি পাবেন। নিরাপদ ঘর ও দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা দাবী জানিয়ে সরকারের সহযোগীতা কামনা করেন।
সরিষাবাড়িতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র ্যালি মহহড়া ও আলোচনা সভা
সরিষাবাড়িতে আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবসে র ্যালি মহহড়া ও আলোচনা সভা মতিউর রহমান,সরিষাবাড়ি,জামালপুরঃ "ঘর থেকে শুরু করি" দূর্যোগ সহনশীল দেশ...








