Thursday, October 22, 2026
  • সম্পর্কিত
  • যোগাযোগ
  • শর্তাবলী
  • গোপনীয়তা নীতি
  • বিজ্ঞাপন দিন
  • Login
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
  • হোম
  • সর্বশেষ
  • বিশেষ সংবাদ
  • বাংলাদেশ
  • করোনাভাইরাস
  • রাজনীতি
  • বিশ্ব
  • বাণিজ্য
  • বিভাগ সমূহ
    • ঢাকা বিভাগ
    • চট্টগ্রাম বিভাগ
    • সিলেট বিভাগ
    • খুলনা বিভাগ
    • রাজশাহী বিভাগ
    • বরিশাল বিভাগ
    • রংপুর বিভাগ
    • ময়মনসিংহ বিভাগ
  • চাকরি
  • খেলা ধুলা
  • বিনোদন
  • মতামত
  • লাইফস্টাইল
No Result
View All Result
দৈনিক দেশের সংবাদ
No Result
View All Result
Home ইসলাম ধর্ম

তওবা !!? কবি কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন ( জুয়েল খান)

ওয়াহ্‌দাহু-লা-শারীকালাহু ওয়া আশ্‌হাদু আন্না মুহাম্মাদান

admin by admin
March 12, 2022
in ইসলাম ধর্ম, কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
Reading Time: 4 mins read
1 0
A A
0
0
SHARES
3
VIEWS
Share on FacebookShare on Twitter
কবিতা
তুমি কালেমা পড়ে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।আশ্‌হাদু আল-লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু
ওয়াহ্‌দাহু-লা-শারীকালাহু ওয়া আশ্‌হাদু আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু ওয়া রাসূলুহু।
তুমি তওবা পড়ে আস্‌তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।
তুমি নামাজ পড়া শুরু করে দাও,, নামাজ তোমার জীবন বদলাতে শুরু করে দিবে  ??
স্বপ্ন তোমার যথা তথা কর্ম তোমার শত গুনে জম্ম ধর্ম তোমার মায়ের পেটে
জম্মাবা মানোব হয়ে আল্লা বা ভগবান সবি যে সমান সমান কলুসতা মানুষের মনে  ,
যে যে নামেতে শ্রষ্টাকে পেতে চাই সেই সে নামি জপে একি রক্তে রংঙ্গিত দেহখান
ঘৃনা মানুষের মনে জীবণ শেষ হলে ভর্ষ হয়ে যাবে বেহেস্ত -দোযোগ
মিলবে -বিচারেতে কর্ম শুধু থাকবে,তোমার -আমার প্রথীবিতে আমর হয়ে  ।
আজ থেকে কিছু বছর পর তোমার- আমার বাড়িতে, তোমার- আমার ঘরে
 যারা বসবাস করবে, যারা তোমার -আমার জায়গা জমি ভোগ করবে
 আমি তাদের চিনি না  !
তারাও তোমাকে -আমাকে চিনবে না , কারন তাদের জন্মের অনেক আগেই আমরা কবরবাসি হয়ে যাব।
আর ততদিন মুছে যাবে তোমার- আমার নাম নিশানা  কবরটাও নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
তোমার -আমার সন্তানরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন তারা হয়ত মনে পড়লে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলবে  !?
কিন্তু তাদের মৃত্যুর পর তাদের সন্তানরা তাদের যতটুকু মিস করবে তোমাকে বা আমাকে ততটুকু মিস করবে না
হয়ত বাবার কবর জিয়ারত করে দোয়া করার সময় দাদার জন্যও একটু করবে।
কিন্তু তার পরের প্রজন্ম আর মনে রাখবে না  ………….?
প্রায় কিছু বছর আগে মারা গেছে আমার দাদার দাদা
যিনি আমার পূর্ব পুরুষদের জন্য ঘর বাড়ি, জায়গা জমি
রেখে গেছেন
একিই বাড়ি, একিই জায়গা জমি আমরা এখন ভোগ করছি
কিন্তু উনার কবরটা কোথায় সেটা আমরা জানি না হয়ত আমার দাদার পিতা জানতেন  ।
কিন্তু দাদার পিতা তো বেঁচে নেই, দাদাও বেঁচে নেই
তবে সাত পাঁচ করে যে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন সেটা কবরে নিয়ে যেতে পারবেন না
আর যাদের জন্য রেখে যাচ্ছেন তারা ও আপনাকে মনে রাখবে না এটা নিশ্চিত …?
অন্যের সম্পত্তি জবর দখল করে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন
সুদ, ঘুষ, ওজনে কম, ধর্ষন,জমি জালিয়াতি,কমিশন বাণিজ্য, নানান পাপ কাজ
করে সম্পদের পাহাড় গড়ে ভাবছেন আপনি জিতে গেছেন
তাহলে আপনি আস্ত একটা বোকা! আপনার ঘড়ে আপনার
একটা মেয়ে আছে  ।
হয়তো পড়বে চলতে পথে বিপদে নতুবা আছে ছেলে মরবে জহরে কহরে !!
আমাদের সময় খুব কম তাই এই সুদ, ঘুষ ,দুর্নীতি, এতিমদের হক মেরে খাওয়া,পাপ কাজ কঠিন পাপ কাজে লিপ্ত হওয়া
 ক্ষমতার অপব্যবহার,সম্পত্তির দখল,ধর্ষন,কমিশন বানিজ‍্য,টেন্ডার বানিজ‍্য ,ব‍্যশ‍্যাগিরি
ইত্যাদি বিবাদ কোন লাভ নেই দাদা জান পাপ বাবকেও ছাড়ে না কি দুনিয়াতে বা পরো কালে ধরা একদিন খাবা
শুধু সময়ের অপেক্ষা আজ ভালো কাল কাল ভিখারীযে কোন একটির ভারে কাঁটবে তুমি……!!
সময় থাকা কালীন ভালো হয়ে কবরের খোরাক সংগ্রহ করুন ঐটাই বুদ্ধিমানের কাজ ,
আসুন নিজেকে  সৎ মানুষ হিসেবে তৈরি করি পরকালের জন্য নিজেকে প্রস্তুতি করি
নেক আমলেই আপনার – আমার জন্য প্রকৃত সম্পদ
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দাও   ।।
কবিতার সারম্ম ও ব‍্যখ‍্যা ঃ- প্রথমে ক্ষমাদৃষ্টিতে দেখবেন আমি কারো আঘাত বা উদ্দেশে কবিতা লিখিনা কবিতা চলে কবির ধারায়। কবি কে,এম,তোফাজ্জেল হোসেন জুয়েলের মতে বিশিষ্ট জনেদের আলচনা পরিপেক্ষিতে জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করা এবং সম্পদ ভোগ করার অনুমতি ও নির্দেশ প্রত্যেক ধর্ম ও সভ্যতায় রয়েছে। কিন্তু অন্য কোন ধর্ম বা সভ্যতায় ইসলামের মত আয়-ব্যয়কে নিয়ম-নীতির ফ্রেমে আবদ্ধ করা হয়নি। ইসলাম একদিকে যেমন হালাল উপায়ে অর্থ উপার্জনের নির্দেশ দিয়েছে, অপরদিকে উপার্জিত অর্থ-সম্পদ বৈধ পথে ব্যয় করারও নির্দেশ দিয়েছে। মানব সমাজে অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অপচয় ও অপব্যয় আজ একটি বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অথচ ইসলাম এটিকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছে। নিম্নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হ’ল।-
ইসরাফ ও তাবযীর-এর অর্থ :
আরবী ‘ইসরাফ’ (إسراف) শব্দের অর্থ হ’ল সীমালঙ্ঘন, অপচয়, অপব্যয়, অমিতব্যয়, বাড়াবাড়ি, মাত্রাতিরিক্ততা, অপরিমিতি।[1] কতিপয় বিদ্বান ‘ইসরাফ’ শব্দকে ব্যয় করা ও খাওয়ার সাথে নির্দিষ্ট করেছেন। বিশিষ্ট ভাষাতত্ত্ববিদ শরীফ আলী জুরজানী (৭৪০-৮১৬ হিঃ) ‘ইসরাফ’-এর সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে,
الإسراف هو إنفاق المال الكثير في الغرض الخسيس وتجاوز الحد في النفقة، وقيل: أن يأكل الرجل ما لا يحل له، أو يأكل مما يحل له فوق الاعتدال، ومقدار الحاجة-
‘ইসরাফ হ’ল কোন হীন উদ্দেশ্যে প্রচুর অর্থ-সম্পদ ব্যয় করা এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন করা। কেউ কেউ বলেন, কোন ব্যক্তির অবৈধ বস্ত্ত ভক্ষণ করা অথবা তার জন্য যা কিছু হালাল তা অপরিমিত ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত আহার করা’।[2] এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
كُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ،
‘তোমরা এগুলির ফল খাও যখন তা ফলবন্ত হয় এবং এগুলির হক আদায় কর ফসল কাটার দিন। আর তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না’ (আন‘আম ৬/১৪১)।
ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন,من أنفق درهما في غير حقه فهو سرف ‘যে ব্যক্তি অনর্থক কাজে এক দিরহামও খরচ করল সেটাই অপচয়’।[3]
আর ‘তাবযীর’ (التبذير) অর্থও অপচয়, অপব্যয়, বাজে খরচ, অমিতব্যয় ইত্যাদি।[4] এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হ’লالقاء البذر وطرحه অর্থাৎ বীজ ছিটানো ও নিক্ষেপ করা। এ থেকে শব্দটি রূপকভাবে অর্থ-সম্পদ অযথা ব্যয় করার অর্থে বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।[5]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا، إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ وَكَانَ الشَّيْطَانُ، ‘তুমি অপব্যয় করবে না, নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই’ (বনী ইসরাঈল ১৭/২৬-২৭)।
ফক্বীহগণ ‘তাবযীর’-কে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে যে,عدم إحسان التصرف في المال وصرفه فيما لا ينبغي، ‘সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার না করা এবং তা অনুচিত কাজে ব্যয় করা’।[6]
অপচয় ও অপব্যয়ের কারণ :
অপচয় ও অপব্যয়ের বহু কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি মৌলিক কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হ’ল।
 মূলপাতা > আগস্ট ২০২০ > প্রবন্ধ সমুহ
ইসলামের দৃষ্টিতে অপচয় ও অপব্যয়
মুহাম্মাদ আকবার হোসাইন | 6674 বার পঠিত
জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করা এবং সম্পদ ভোগ করার অনুমতি ও নির্দেশ প্রত্যেক ধর্ম ও সভ্যতায় রয়েছে। কিন্তু অন্য কোন ধর্ম বা সভ্যতায় ইসলামের মত আয়-ব্যয়কে নিয়ম-নীতির ফ্রেমে আবদ্ধ করা হয়নি। ইসলাম একদিকে যেমন হালাল উপায়ে অর্থ উপার্জনের নির্দেশ দিয়েছে, অপরদিকে উপার্জিত অর্থ-সম্পদ বৈধ পথে ব্যয় করারও নির্দেশ দিয়েছে। মানব সমাজে অর্থ ও সম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রে অপচয় ও অপব্যয় আজ একটি বৈশ্বিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অথচ ইসলাম এটিকে স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করেছে। নিম্নে এ বিষয়ে আলোচনা করা হ’ল।-
ইসরাফ ও তাবযীর-এর অর্থ :
আরবী ‘ইসরাফ’ (إسراف) শব্দের অর্থ হ’ল সীমালঙ্ঘন, অপচয়, অপব্যয়, অমিতব্যয়, বাড়াবাড়ি, মাত্রাতিরিক্ততা, অপরিমিতি।[1] কতিপয় বিদ্বান ‘ইসরাফ’ শব্দকে ব্যয় করা ও খাওয়ার সাথে নির্দিষ্ট করেছেন। বিশিষ্ট ভাষাতত্ত্ববিদ শরীফ আলী জুরজানী (৭৪০-৮১৬ হিঃ) ‘ইসরাফ’-এর সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে,
الإسراف هو إنفاق المال الكثير في الغرض الخسيس وتجاوز الحد في النفقة، وقيل: أن يأكل الرجل ما لا يحل له، أو يأكل مما يحل له فوق الاعتدال، ومقدار الحاجة-
‘ইসরাফ হ’ল কোন হীন উদ্দেশ্যে প্রচুর অর্থ-সম্পদ ব্যয় করা এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে সীমা লঙ্ঘন করা। কেউ কেউ বলেন, কোন ব্যক্তির অবৈধ বস্ত্ত ভক্ষণ করা অথবা তার জন্য যা কিছু হালাল তা অপরিমিত ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত আহার করা’।[2] এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
كُلُوا مِنْ ثَمَرِهِ إِذَا أَثْمَرَ وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ،
‘তোমরা এগুলির ফল খাও যখন তা ফলবন্ত হয় এবং এগুলির হক আদায় কর ফসল কাটার দিন। আর তোমরা অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না’ (আন‘আম ৬/১৪১)।
ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন,من أنفق درهما في غير حقه فهو سرف ‘যে ব্যক্তি অনর্থক কাজে এক দিরহামও খরচ করল সেটাই অপচয়’।[3]
আর ‘তাবযীর’ (التبذير) অর্থও অপচয়, অপব্যয়, বাজে খরচ, অমিতব্যয় ইত্যাদি।[4] এর ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হ’লالقاء البذر وطرحه অর্থাৎ বীজ ছিটানো ও নিক্ষেপ করা। এ থেকে শব্দটি রূপকভাবে অর্থ-সম্পদ অযথা ব্যয় করার অর্থে বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।[5]
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا، إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ وَكَانَ الشَّيْطَانُ، ‘তুমি অপব্যয় করবে না, নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই’ (বনী ইসরাঈল ১৭/২৬-২৭)।
ফক্বীহগণ ‘তাবযীর’-কে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে যে,عدم إحسان التصرف في المال وصرفه فيما لا ينبغي، ‘সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার না করা এবং তা অনুচিত কাজে ব্যয় করা’।[6]
অপচয় ও অপব্যয়ের কারণ :
অপচয় ও অপব্যয়ের বহু কারণ রয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি মৌলিক কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হ’ল।
১. দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতা : ইসলাম মানুষকে বিভিন্নভাবে অপচয় ও অপব্যয় করতে নিষেধ করেছে। অজ্ঞতার বশবর্তী হয়েই মূলত মানুষ অপচয় করে থাকে। কোন ব্যক্তি কুরআন-সুন্নাহর জ্ঞানে পারদর্শী হ’লে তার দ্বারা অপচয় করা সম্ভব হ’ত না। মহান আল্লাহ বলেন,يَا بَنِي آدَمَ خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ، ‘হে আদম সন্তান! তোমরা প্রত্যেক ছালাতের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর। তোমরা খাও ও পান কর। কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না’ (আ‘রাফ ৭/৩১)।
অপচয়কারীকে দুনিয়াতে আফসোস ও লজ্জিত হ’তে হবে। মহান আল্লাহ বলেন,وَلَا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَى عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطْهَا كُلَّ الْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًا مَحْسُورًا، ‘আর তুমি তোমার হাত গলায় বেড়ী করে রেখ না (অর্থাৎ কৃপণ হয়ো না) এবং তাকে একেবারে খুলেও দিয়ো না (অর্থাৎ অপচয় করো না)। তাহ’লে তুমি নিন্দিত ও নিঃস্ব হয়ে যাবে’ (বনী ইসরাঈল ১৭/২৯)।
অপচয়কারীর জন্য আখেরাতে রয়েছে কঠিন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ বলেন,وَأَصْحَابُ الشِّمَالِ مَا أَصْحَابُ الشِّمَالِ، فِي سَمُومٍ وَحَمِيمٍ، وَظِلٍّ مِنْ يَحْمُومٍ، لَا بَارِدٍ وَلَا كَرِيمٍ، إِنَّهُمْ كَانُوا قَبْلَ ذَلِكَ مُتْرَفِين، ‘আর বাম পাশের দল। কতই না হতভাগ্য তারা! তারা থাকবে উত্তপ্ত বায়ু ও ফুটন্ত পানির মধ্যে। যা শীতল নয় বা আরামদায়ক নয়। ইতিপূর্বে তারা ছিল ভোগ-বিলাসে মত্ত’ (ওয়াক্বি‘আহ ৫৬/৪১-৪৫)।
অপচয়কারীর দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞতার ফলাফল হ’ল, বৈধ জিনিস গ্রহণ করতে সে সীমালংঘন করে। আর এটাই তাকে শারীরিক ও প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘনের প্রতি উদ্বুদ্ধ করে। এ কারণেই অলসতা তার উপর চেপে বসে। ওমর (রাঃ) বলেন,إياكم والبطنة في الطعام والشراب فإنها مفسدة للجسد مورثة للفشل مكسلة عن الصلاة وعليكم بالقصد فيهما فإنه أصلح للجسد وأبعد من السرف- ‘তোমরা সীমাতিরিক্ত পানাহার থেকে সাবধান থাক। কেননা অতিরিক্ত পানাহার শরীরের জন্য ক্ষতিকর, অকর্মন্যতা আনয়ন কারী ও ছালাত থেকে অলসকারী। তোমরা পানাহারের ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন কর। কেননা পরিমিত পানাহার শরীরের জন্য উপকারী এবং অপচয় থেকে বেঁচে থাকতে সহায়তা করে’।[7]
২. পারিবারিক প্রভাব : মানুষ শিশুকালে তার পিতা-মাতার আচরণের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পিতা-মাতা যদি অপচয়কারী হয় তাহ’লে সন্তানও অপচয়ের শিক্ষা গ্রহণ করে। এজন্য এক্ষেত্রে অভিভাবকবৃন্দকে সচেতন হ’তে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন,كُلُّ مَوْلُودٍ يُولَدُ عَلَى الْفِطْرَةِ، فَأَبَوَاهُ يُهَوِّدَانِهِ أَوْ يُنَصِّرَانِهِ أَوْ يُمَجِّسَانِهِ، ‘প্রত্যেক নবজাতক ফিৎরাতের উপর তথা ইসলামের উপর জন্মগ্রহণ করে। অতঃপর তার পিতা-মাতা তাকে ইহূদী বা নাছারা অথবা অগ্নি পূজক বানায়’।[8]
৩. অপচয়কারীদের সাহচর্য : অপচয়ের আরেকটি অন্যতম কারণ হ’ল অপচয়কারীদের সঙ্গ ও সাহচর্য। কেননা অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ তার সঙ্গীর চরিত্র গ্রহণ করে থাকে। তাই সঙ্গী অপচয়কারী হ’লে তার অন্যান্য সঙ্গীরাও তার দ্বারা প্রভাবিত হয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,الرَّجُلُ عَلَى دِينِ خَلِيلِهِ فَلْيَنْظُرْ أَحَدُكُمْ مَنْ يُخَالِلُ، ‘প্রত্যেক ব্যক্তি তার সঙ্গীর দ্বীন গ্রহণ করে। সুতরাং তোমরা সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবে’।[9]
৪. পরিচিতি ও খ্যাতির আকাঙ্ক্ষা : অপচয়ের আরেকটি কারণ হ’ল সমাজে নিজের খ্যাতির আকাঙ্ক্ষা করা। মানুষ অন্যের সামনে নিজের বড়ত্ব প্রকাশের জন্য তার সম্পদ অকাতরে খরচ করতে থাকে। মূলতঃ এর মাধ্যমে সে অপচয়ে জড়িয়ে পড়ে, যা সম্পূর্ণ হারাম।
৫. বাস্তব জীবনের প্রয়োজন সম্পর্কে উদাসীনতা : অধিকাংশ মানুষ অর্থ-সম্পদ হাতে আসলেই বেহিসাব খরচ করে। সে একটিবারও ভেবে দেখে না যে, দুনিয়ার জীবন সর্বাবস্থায় সমান্তরাল গতিতে চলে না। আজকে হাতে অর্থ আছে কালকে নাও থাকতে পারে। তাই প্রত্যেকের উচিত, আল্লাহর দেয়া প্রতিটি নে‘মত যথাযথভাবে ব্যয় করা। আজকের অত্যাবশ্যকীয় ব্যয় নির্বাহ করে বাকী অর্থ-সম্পদ ভবিষ্যতের জন্য জমা করে রাখা উচিত। যা তার বিপদের সময় কাজে আসতে পারে।
৬. ক্বিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা সম্পর্কে উদাসীনতা : অপব্যয়ের আরেকটি কারণ হচ্ছে ক্বিয়ামতের ভয়াবহ অবস্থা ও শাস্তি সম্পর্কে উদাসীনতা। যেকোন ব্যক্তি পরকালের কঠিন পরিণতির কথা চিন্তা করলে সে অবশ্যই অপব্যয় থেকে বেঁচে থাকবে।
* অপচয় ও অপব্যয়ের ক্ষতিকর দিক সমূহ :
অপচয় ও অপব্যয়ের অনেক ক্ষতিকর দিক রয়েছে, যেগুলো ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, এমনকি আন্তর্জাতিক ভারসাম্যকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে। অযথা খরচ দুনিয়ার ব্যবস্থাপনাকে যেমন বিশৃঙ্খল করে, তেমনি ব্যক্তির আখেরাতকেও নষ্ট করে। নিম্নে অপচয় ও অপব্যয়ের কিছু ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হ’ল।-
১. অপব্যয় হারাম উপার্জনে উদ্বুদ্ধ করে : অপচয় ও অপব্যয়ের কারণে অনেক সময় মানুষ অর্থসংকটে পড়ে যায়। তখন সংসারের আবশ্যকীয় ব্যয় নির্বাহ করা তার পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফলে সে হারাম উপার্জনের দিকে ধাবিত হয়। অথচ হারাম খাদ্যে গঠিত দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,كُلُّ جَسَدٍ نَبَتَ مِنْ سُحْتٍ النَّارُ أَوْلَى بِهِ، ‘প্রত্যেক ঐ শরীর যা হারাম দ্বারা গঠিত তার জন্য জাহান্নামই উপযুক্ত স্থান’।[10]
২. অপচয়ের মাধ্যমে পাপের চর্চা হয় : অপচয়ের মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন পাপ কাজে জড়িয়ে পড়ে। সে তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে আল্লাহর অবাধ্যতায় ব্যবহার করে এবং তাঁর আনুগত্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। ফলে সে হারাম পথে অর্থ ব্যয় করতে উদ্যত হয়। যেমন মদ, জুয়া, লটারী, ধূমপান সহ সকল ধরনের নেশাকর দ্রব্য পান, যাত্রা, আনন্দমেলা, সিনেমা দেখা ইত্যাদি। এর মাধ্যমে সময় ও অর্থের অপচয়ের সাথে সাথে পাপের চর্চা হয় অবারিত।
উপরন্তু ইসলামের নির্দেশনার বাইরে অতি ভোজনের মাধ্যমে বরং সে নিজেই নিজের ক্ষতিই ডেকে আনে। অথচ ইসলাম অপচয় না করে পরিমিত খাদ্য গ্রহণের সুন্দর নীতিমালা নির্ধারণ করে দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন,مَا مَلأَ آدَمِىٌّ وِعَاءً شَرًّا مِنْ بَطْنٍ حَسْبُ الآدَمِىِّ لُقَيْمَاتٌ يُقِمْنَ صُلْبَهُ فَإِنْ غَلَبَتِ الآدَمِىَّ نَفْسُهُ فَثُلُثٌ لِلطَّعَامِ وَثُلُثٌ لِلشَّرَابِ وَثُلُثٌ لِلنَّفَسِ ‘আদম সন্তান তার পেটের তুলনায় অন্য কোন খারাপ পাত্র ভর্তি করে না। মানুষের জন্য তো কয়েক লোকমা খাদ্যই যথেষ্ট, যা তার মেরুদন্ডকে সোজা করে রাখবে। আর যদি একান্তই প্রয়োজন হয়, তাহ’লে পাকস্থলীর এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য, এক-তৃতীয়াংশ পানীয় আর এক-তৃতীয়াংশ নিঃশ্বাসের জন্য রাখবে’।[11]
৩. পরকালে সম্পদ সম্পর্কে হিসাব দিতে হবে : পরকালে মহান আল্লাহর সামনে প্রত্যেককে স্বীয় সম্পদের হিসাব দিতে হবে যে, সম্পদ কোথা থেকে সে উপার্জন করেছে এবং কোথায় ব্যয় করেছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন,لاَ تَزُولُ قَدَمَا ابْنِ آدَمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنْ عِنْدِ رَبِّهِ حَتَّى يُسْأَلَ عَنْ خَمْسٍ عَنْ عُمْرِهِ فِيمَا أَفْنَاهُ وَعَنْ شَبَابِهِ فِيمَا أَبْلاَهُ وَمَالِهِ مِنْ أَيْنَ اكْتَسَبَهُ وَفِيمَ أَنْفَقَهُ وَمَاذَا عَمِلَ فِيمَا عَلِمَ، ‘ক্বিয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয়ে জিজ্ঞাসিত না হওয়া পর্যন্ত আদম সন্তানের পদদ্বয় তার রবের নিকট হ’তে একটুকুও নড়বে না। তার জীবনকাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে, কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে? তার যৌবনকাল সম্পর্কে, কি কাজে তা বিনাশ করেছে? তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে, কোথা হ’তে তা উপার্জন করেছে এবং কোথায় তা ব্যয় করেছে? আর সে যতটুকু জ্ঞানার্জন করেছিল সে অনুযায়ী আমল করেছে কি-না’।[12]
৪. অপচয় ও অপব্যয় সম্পদ বিনষ্টের নামান্তর :  অপব্যয় ও অপচয়ের মাধ্যমে সম্পদ নষ্ট হয়। যা আল্লাহ অপসন্দ করেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন,إِنَّ اللهَ كَرِهَ لَكُمْ ثَلاَثًا قِيلَ وَقَالَ، وَإِضَاعَةَ الْمَالِ، وَكَثْرَةَ السُّؤَالِ، ‘আল্লাহ তোমাদের তিনটি কাজ অপসন্দ করেন- (১) অনর্থক কথাবার্তা বলা (২) সম্পদ নষ্ট করা এবং (৩) অত্যধিক প্রশ্ন করা’।[13]
৫. বরকতশূন্য হওয়া ও দারিদ্রের কবলে পড়া : অপচয়-অপব্যয় করার কারণে সম্পদে বরকত থাকে না। ফলে সম্পদ এক সময় নিঃশেষ হয়ে যায়। আর ঐ ব্যক্তি তখন ঋণ করতে থাকে। অবশেষে সে অভাব-অনটনের মধ্যে পতিত হয়।
অপচয় ও অপব্যয় : বাস্তবতা
ইসলামে হারাম খাদ্য গ্রহণ নিষেধ করা হয়েছে এবং খাদ্যের আদব রক্ষার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান যুগে পানাহারে অতিভোজন ও অপচয় যেন ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। অপরদিকে খাদ্য ও পানীয়ের কোম্পানীগুলো ভোক্তার অর্থ ধ্বংস করে চলেছে। অতিভোজনের জন্যই দু’দিন পরপর নানা রকমের বিলাসী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। বস্ত্তবাদী ধ্যান-ধারণায় পুষ্ট লোকদের অন্ধ অনুকরণের পিছনে মুসলিমরাও ছুটছে। অপচয় করাটাই যেন তাদের বদ অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
ডাস্টবিনগুলোর অবস্থা থেকেই অনুমিত হয় দৈনিক কত খাদ্য আমরা অপচয় করে চলেছি। আর এভাবেই পশু চরিত্র আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে অনুপ্রবেশ করছে। অথচ গরীব-মিসকীনরা দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগাড় করতে গলদঘর্ম হচ্ছে। ক্ষুধার জ্বালায় তারা ধুঁকে ধুঁকে মরছে। আমরা প্রতিনিয়ত যে পরিমাণ খাবার অপচয় করি, তা যদি দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হ’ত তাহ’লে অনেক অনাহারীর ক্ষুধার জ্বালা মেটানো সম্ভব হ’ত।
অপচয় ও অপব্যয়ের প্রতিকার :
ইসলামের মূল সৌন্দর্যই হ’ল মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা। ইসলাম যেভাবে অপচয়কে নিষেধ করেছে তেমনি কৃপণতাকেও নিষেধ করেছে। এজন্যই পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছে মুসলমানদের পানাহার, পোষাক-পরিচ্ছদ, বাসস্থান, সৌন্দর্য, যোগাযোগের মাধ্যম, বিবাহ-শাদী সবকিছুতেই সীমারেখা চিহ্নিত করে দেয়া হয়েছে। নিম্নে অপচয় ও অপব্যায়ের প্রতিকারে কতিপয় প্রস্তাবনা পেশ করা হ’ল।-
১. মধ্যপন্থা অবলম্বন : এটি হ’ল অপচয় ও কৃপণতার মাঝামাঝি অবস্থা। কিন্তু অধিকাংশ লোক এই নীতির প্রতিফলন ঘটায় না। অথচ ইসলাম মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা ঈমানদার বান্দাদের বৈশিষ্ট্য প্রসঙ্গে বলেন,وَالَّذِينَ إِذَا أَنْفَقُوا لَمْ يُسْرِفُوا وَلَمْ يَقْتُرُوا وَكَانَ بَيْنَ ذَلِكَ قَوَامًا ‘তারা যখন ব্যয় করে, তখন অপব্যয় করে না বা কৃপণতা করে না। বরং তারা এতদুভয়ের মধ্যবর্তী অবস্থায় থাকে’ (ফুরকান ২৫/৬৭)।
মহানবী (ছাঃ) বলেন,كُلُوا وَاشْرَبُوا وَتَصَدَّقُوا وَالْبَسُوا غَيْرَ مَخِيلَةٍ وَلاَ سَرَفٍ ‘তোমরা খাও, পান কর, দান-ছাদাক্বাহ কর এবং পরিধান কর, তবে অহংকার ও অপচয় ব্যতীত’।[14]
২. সৌন্দর্য : সৌন্দর্য অবলম্বন করা অবশ্যই বৈধ। তবে এজন্য অপচয় করা বৈধ নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,يَا بَنِي آدَمَ خُذُوْا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ وَكُلُوْا وَاشْرَبُوْا وَلَا تُسْرِفُوْا إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِيْنَ، ‘হে আদম সন্তান! তোমরা প্রত্যেক ছালাতের সময় সুন্দর পোষাক পরিধান কর। তোমরা খাও ও পান কর। কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অপচয়কারীদের ভালবাসেন না’ (আ‘রাফ ৭/৩১)।
নবী করীম (ছাঃ) বলেন,إِنَّ اللهَ يُحِبَّ أَنْ يُرَى أَثَرُ نِعْمَتِهِ عَلَى عَبْدِهِ، ‘আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে তাঁর দেয়া নে‘মতের প্রভাব দেখতে ভালবাসেন’।[15] তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই লক্ষণীয় যে, তা যেন সীমা ছাড়িয়ে না যায়। যেন অপচয়ের পর্যায়ে না পড়ে।
৩. অহংকার না করা : অহংকার প্রদর্শনের জন্য সম্পদ ব্যয়কে ইসলাম অনুমোদন করে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى كَالَّذِي يُنْفِقُ مَالَهُ رِئَاءَ النَّاسِ وَلَا يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَمَثَلُهُ كَمَثَلِ صَفْوَانٍ عَلَيْهِ تُرَابٌ فَأَصَابَهُ وَابِلٌ فَتَرَكَهُ صَلْدًا لَا يَقْدِرُونَ عَلَى شَيْءٍ مِمَّا كَسَبُوا وَاللهُ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الْكَافِرِينَ-
‘হে বিশ্বাসীগণ! খোটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে তোমরা তোমাদের দানগুলিকে বিনষ্ট করো না। সেই ব্যক্তির মত, যে তার ধন-সম্পদ ব্যয় করে লোক দেখানোর জন্য এবং সে আল্লাহ ও আখেরাতে বিশ্বাস করে না। ঐ ব্যক্তির দৃষ্টান্ত একটি মসৃণ প্রস্তরখন্ডের মত, যার উপরে কিছু মাটি জমে ছিল। অতঃপর সেখানে প্রবল বৃষ্টিপাত হ’ল ও তাকে পরিষ্কার করে রেখে গেল। এভাবে তারা যা কিছু উপার্জন করে, সেখান থেকে কোনই সুফল তারা পায় না। বস্ত্ততঃ আল্লাহ অবিশ্বাসী সম্প্রদায়কে সুপথ প্রদর্শন করেন না’ (বাক্বারাহ ২/২৬৪)।
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, لاَ يَنْظُرُ اللهُ إِلَى مَنْ جَرَّ ثَوْبَهُ خُيَلاَءَ ‘যে ব্যক্তি অহংকারবশত তার কাপড়কে (টাখনুর নীচে) ঝুলিয়ে পরে (ক্বিয়ামতের দিন) আল্লাহ তা‘আলা ঐ ব্যক্তির প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না’।[16] আর অপচয় ও অপব্যয়ের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে অহংকার। কেননা সাধারণতঃ অহংকার বশেই মানুষ প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যয় করে। যা অপচয়ের শামিল। কাজেই অহংকার পরিত্যাগ করতে পারলে অপচয় থেকে বেঁচে থাকাও সক্ষম হবে।
৪. বিলাসবহুল জীবন যাপন না করা : দুনিয়ার চাকচিক্য ও বিলাসিতায় গা ভাসিয়ে না দেওয়া। বিলাসিতাকে ইসলাম সমর্থন করে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,وَإِذَا أَرَدْنَا أَنْ نُهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيْهَا فَفَسَقُوْا فِيْهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا الْقَوْلُ فَدَمَّرْنَاهَا تَدْمِيْرًا، ‘যখন আমরা কোন জনপদকে ধ্বংস করার ইচ্ছা করি, তখন আমরা সেখানকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের নির্দেশ দেই। তখন তারা সেখানে পাপাচারে মেতে ওঠে। ফলে তার উপর শাস্তি অবধারিত হয়ে যায়। অতঃপর আমরা ওটাকে বিধ্বস্ত করে দেই’ (বনী ইসরাঈল ১৭/১৬)।
৫. দুনিয়া বিমুখতা : এটি একটি প্রশংসনীয় গুণ। খুব কম মানুষই এই গুণে গুণান্বিত হ’তে পারে। নবী-রাসূলগণ এ গুণের অধিকারী ছিলেন। আর এ গুণের অধিকারী হ’তে হ’লে অবশ্যই নিজের চাহিদাকে সংবরণ করতে হয় এবং নিজের উপরে অপরকে প্রাধান্য দিতে হয়। আর অর্থনীতির ক্ষেত্রে তা অনেক কল্যাণকর। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,وَالَّذِيْنَ تَبَوَّءُوْا الدَّارَ وَالْإِيْمَانَ مِنْ قَبْلِهِمْ يُحِبُّوْنَ مَنْ هَاجَرَ إِلَيْهِمْ وَلَا يَجِدُوْنَ فِيْ صُدُوْرِهِمْ حَاجَةً مِمَّا أُوتُوْا وَيُؤْثِرُوْنَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ وَمَنْ يُوْقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْنَ، ‘আর যারা মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে এ নগরীতে বসবাস করত এবং ঈমান এনেছিল। যারা মুহাজিরদের ভালবাসে এবং তাদেরকে (ফাই থেকে) যা দেওয়া হয়েছে, তাতে তারা নিজেদের মনে কোনরূপ আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে না। আর তারা নিজেদের উপর তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়, যদিও তাদেরই রয়েছে অভাব। বস্ত্ততঃ যারা হৃদয়ের কার্পণ্য হ’তে মুক্ত, তারাই সফলকাম’ (হাশর ৫৯/৯)।
৬. জীবিকা উপার্জনে সতর্কতা অবলম্বন করা : জীবিকা উপার্জন ভালভাবে বুঝে শুনে করা। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, কিছু সংখ্যক আনছার ছাহাবী রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট কিছু চাইলে তিনি তাদের দিলেন। পুনরায় তারা চাইলে তিনি তাদের দিলেন। এমনকি তার নিকট যা ছিল সবই শেষ হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেন, مَا يَكُونُ عِنْدِى مِنْ خَيْرٍ فَلَنْ أَدَّخِرَهُ عَنْكُمْ، وَمَنْ يَسْتَعْفِفْ يُعِفَّهُ اللهُ، وَمَنْ يَسْتَغْنِ يُغْنِهِ اللهُ، وَمَنْ يَتَصَبَّرْ يُصَبِّرْهُ اللهُ، وَمَا أُعْطِىَ أَحَدٌ عَطَاءً خَيْرًا وَأَوْسَعَ مِنَ الصَّبْرِ. ‘আমার নিকট যে সম্পদ থাকে তা তোমাদের না দিয়ে আমার নিকট জমা রাখি না। তবে যে যাচ্ঞা থেকে বিরত থাকে, আল্লাহ তাকে বাঁচিয়ে রাখেন। আর যে পরমুখাপেক্ষী হয় না, আল্লাহ তাকে অভাবমুক্ত রাখেন। যে ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করে আল্লাহ তাকে ছবর দান করেন। ছবরের চেয়ে উত্তম ও ব্যাপক কোন নে‘মত কাউকে দেওয়া হয়নি’।[17]
সুতরাং মনের দিক থেকে অল্পে তুষ্ট থাকা, কারো নিকটে হাত না পাতা, ধৈর্যধারণ করা কাম্য। আর শারীরিক দিক থেকে কাম্য হ’ল কাজ করে হালাল পথে জীবিকা উপার্জন করা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,لأَنْ يَأْخُذَ أَحَدُكُمْ حَبْلَهُ فَيَأْتِىَ بِحُزْمَةِ الْحَطَبِ عَلَى ظَهْرِهِ فَيَبِيعَهَا فَيَكُفَّ اللهُ بِهَا وَجْهَهُ، خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَسْأَلَ النَّاسَ أَعْطَوْهُ أَوْ مَنَعُوْهُ، ‘তোমাদের কেউ তার রশি নিয়ে জঙ্গল থেকে কাঠ সংগ্রহ করে পিঠে বহন করে বাযারে যায়, তারপর সেখানে তা বিক্রি করে। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাকে অমুখাপেক্ষী করবেন, এটা মানুষের কাছে তার হাত পাতার চেয়ে উত্তম। কারণ মানুষ তাকে কিছু দিতেও পারে, নাও দিতে পারে’।[18] এজন্যই মক্কার লোকেরা ব্যবসা করত, আর মদীনার লোকেরা চাষাবাদ করত।
৮. নিজস্ব আয়ের মধ্যেই ব্যয় সীমাবদ্ধ করা : রাসূল (ছাঃ) বলেন,فِرَاشٌ لِلرَّجُلِ وَفِرَاشٌ لاِمْرَأَتِهِ وَالثَّالِثُ لِلضَّيْفِ وَالرَّابِعُ لِلشَّيْطَانِ ‘একটি বিছানা স্বামীর জন্য, আরেকটি স্ত্রীর জন্য, তৃতীয়টি মেহমানের জন্য আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য’।[19] এর উদ্দেশ্য হ’ল খরচ কম করা, যাতে করে ঋণ করতে অন্যের দারস্থ হ’তে না হয়। নিজের সম্পদ দ্বারাই যেন নিজের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব হয়।
৯. দানের অভ্যাস করা : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, الْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى، فَالْيَدُ الْعُلْيَا هِىَ الْمُنْفِقَةُ، وَالسُّفْلَى هِىَ السَّائِلَةُ ‘নিচের হাতের চেয়ে উপরের হাত উত্তম। উপরের হাত হচ্ছে দাতা আর নিচের হাত হচ্ছে গ্রহীতা’।[20] হাদীছের উদ্দেশ্য হ’ল, সামাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করা, যাতে দানকারীর সংখ্যা বেশী হয় এবং গ্রহণকারীর সংখ্যা হ্রাস পায়।
এছাড়া পরকালে হিসাব-নিকাশ সম্পর্কে চিন্তা করা, রাসূল (ছাঃ), ছাহাবায়ে কেরাম ও সালাফে ছালেহীনের জীবন পরচালনা পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত হওয়া, অপচয়কারীদের সাহচর্য পরিহার করা এবং মৃত্যু সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করলে অপব্যয় ও অপচয় থেকে বিরত থাকা সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।
অপচয়ের বদঅভ্যাস আমাদেরকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরেছে। আমরা হরহামেশা এ জঘন্য কাজে লিপ্ত হয়ে আল্লাহর ক্রোধের পাত্র হচ্ছি। অথচ ইসলাম অপচয় ও অপব্যয়কে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছে। কোন মুসলিম কখনো তার অর্থ-সম্পদের সামান্য অংশও অপচয় কিংবা অপব্যয় করতে পারে না। অপচয়-অপব্যয় বন্ধ করতে হ’লে, শুরু করতে হবে নিজ থেকেই। ব্যক্তি যখন নিজে অপচয় ও অপব্যয় না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করবে এবং আল্লাহকে ভয় করে পরকালে জবাবদিহিতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবে, তখনই কেবল অপচয় ও অপব্যয় বন্ধ হ’তে পারে, অন্যথা নয়। তাই ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় জীবন পর্যন্ত সকল স্তরেই এই অপচয় ও অপব্যয় থেকে বিরত থাকা আবশ্য কর্তব্য। আললাহ আমাদেরকে তাওফীক দান করুন-আমীন!
Views: 428

Share this:

  • Share on Facebook (Opens in new window) Facebook
  • Share on X (Opens in new window) X
  • Email a link to a friend (Opens in new window) Email
  • Print (Opens in new window) Print

Like this:

Like Loading…

Related

admin

admin

সম্পর্কিত পোস্ট

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা

by admin
October 14, 2026
0
16

ঈমানের আলো ও মুক্তির ঠিকানা ✍️ কলমেঃ এস এম আবদুল বারেক (লেখক/প্রাবন্ধিক) - মঈনউদ্দিন মনি, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি আল্লাহ তোমার প্রেমের...

ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

ইবলিশ আল্লাহর ইবাদতকারী ও জ্ঞানী ছিল, কিন্তু শয়তান হলো কেন?

by admin
September 29, 2026
0
54

  মোঃ মাইদুল ইসলাম: ইবলিশ আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতা সম্পর্কে জানত। আল্লাহর সঙ্গে তার কথোপকথনের কথাও কোরআনে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু...

ইসলামী বইমেলায় প্রকাশিত হচ্ছে জাহেদুল ইসলাম আল রাইয়ানের নতুন বই ‘মোহমুক্ত হৃদয়’

by admin
September 28, 2026
0
6

  নিজস্ব প্রতিবেদন দুনিয়ার ব্যস্ততা মানুষকে প্রতিনিয়ত ছুটিয়ে নিয়ে চলে প্রাপ্তির পেছনে, সাফল্যের পেছনে, আরও একটু স্বাচ্ছন্দ্যের পেছনে। অথচ সেই...

কবিতা—-কিশোর

কবিতা—-কিশোর

by admin
September 26, 2026
0
14

কিশোর লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল কিশোর বয়স স্বপ্নময়, থাকুক  মুখে হাসি, বই খাতা আর খেলাধুলায় জীবন হোক খুশি। কেন...

একটা মুসলমান পরিবারে আমার জন্ম হয়েছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আমি হুজুরেরও আগে মসজিদের দিকে দৌড়াতাম।

একটা মুসলমান পরিবারে আমার জন্ম হয়েছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আমি হুজুরেরও আগে মসজিদের দিকে দৌড়াতাম।

by admin
September 21, 2026
0
267

একটা মুসলমান পরিবারে আমার জন্ম হয়েছিল। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আমি হুজুরেরও আগে মসজিদের দিকে দৌড়াতাম।এসবে অবদান ছিল আমার...

কাজী নজরুল ইসলামের “ক্ষুধা খোদাকে ভোলায় কিন্তু খোদা ক্ষুধাকে না”

কাজী নজরুল ইসলামের “ক্ষুধা খোদাকে ভোলায় কিন্তু খোদা ক্ষুধাকে না”

by admin
September 21, 2026
0
62

কাজী নজরুল ইসলামের "ক্ষুধা খোদাকে ভোলায় কিন্তু খোদা ক্ষুধাকে না" (পূর্ণ রূপ: “ক্ষুধাকে দেখেছি বহুবার কিন্তু খোদাকে একবারও নয়। ক্ষুধা...

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আমাদের বিভাগ সমূহ

সাম্প্রতিক পোস্ট

  • কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ October 22, 2026
  • আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী October 22, 2026
  • সাগরে নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস October 22, 2026
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের নতুন সামরিক হামলার পরিকল্পনা, ইরানের উদ্বেগ October 22, 2026
  • ‘শুধু একটা স্নাইপারের অভাব ছিল’ মন্তব্যকারী গ্রেপ্তার October 22, 2026
  • সাজেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের গোলাগুলি October 22, 2026
  • ব্রাহ্মণপাড়ায় পারিবারিক কলহের জেরে শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ, আটক পুত্রবধূ October 21, 2026
  • সুনামগঞ্জের ৪৪৪টি পপূজামন্ডপে শারদীয় দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়, প্রতিমা বির্সজনের মাধ্যমে ছয়দিনব্যাপী শারদীয় দূর্গাপূজার সমাপ্তি October 21, 2026
  • সরিষাবাড়ীর জন্য ৮ দফা মহাপরিকল্পনা, প্রধানমন্ত্রী বরাবর প্রস্তাব দিচ্ছেন আল-আমীন মিলু October 21, 2026
  • পীরযাত্রাপুর পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল কাদের ভূঁইয়া October 21, 2026
  • মদন পৌরসভার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপে পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতাবৃন্দ- মেয়র পদপ্রার্থী কামরুজ্জামান চন্দন, October 21, 2026
  • মেঘনার বড়কান্দার বিভিন্ন পূঁজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক October 21, 2026
  • দোয়া চাইলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান October 21, 2026
  • মেঘনায় বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও মেঘনার কৃতি সন্তান, অধ্যক্ষ মোঃ সেলিম ভূঁইয়া (এমপি) October 21, 2026
  • তিস্তা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন, বিদায়ের সুরে ভারী ভক্তদের মন,বিসর্জন ঘিরে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। October 21, 2026
  • হালিশহর গলিচিপা ও দক্ষিণ কাট্টলীতে অশ্রুসজল চোখে দেবীকে বিদায় October 21, 2026
  • অধিকারহীনতার আখ্যান: বাংলাদেশে ভূমিহীন জনগোষ্ঠীর সংকট ও টেকসই উত্তরণের পথ October 21, 2026
  • ভারতের ইতিহাসে আলোচিত ও বি”ত’র্কিত এক নাম ফুলন দেবী October 21, 2026
  • অতিরিক্ত ডিআইজির মালিকানাধীন বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৪ October 21, 2026
  • আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৬০ রানেই অলআউট বাংলাদেশ October 21, 2026
  • জামায়াত ছাড়ার শর্তে নারাজ তিন দল, ভেস্তে যাচ্ছে হেফাজতের জোট October 21, 2026
  • আফগানদের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের October 21, 2026
  • লক্ষ্মীপুরে বাস থেকে নামিয়ে মারধর ও মব সৃষ্টির চেষ্টা, আটক ১ October 21, 2026
  • যশোর বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ, উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী অমিত October 21, 2026
  • সুনামগঞ্জে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা সম্পন্ন, সুরমা নদীতে প্রতিমা বিসর্জন October 21, 2026
  • শার্শায় ১৮ স্বর্ণ বারসহ চোরাচালানী আটক October 21, 2026
  • ‘পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত দুই পক্ষ এক হয়েছে’- October 21, 2026
  • নবীনগরে সাংবাদিক রুহেলের উপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ October 21, 2026
  • কক্সবাজার সৈকতে ৪০০ প্রতিমা বিসর্জন, পর্যটকের ঢল October 21, 2026
  • লক্ষ্মীছড়ির সাঁওতালপাড়ায় দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসন করল সেনাবাহিনী October 21, 2026

Recent Comments

    দৈনিক দেশের সংবাদ

    02 ফেব্রুয়ারি 2012, আমি নির্ভীক, আমি ভয় পাই না, আমি দেশের কথা বলব, স্বাধীনতার কথা বলব, জনগণের কথা বলব। এর সাহসী সাংবাদিকতা, সমৃদ্ধ বিষয়বস্তু এবং অনন্য বিন্যাস এবং নকশা সহ উপস্থাপনার কারণে, দেশের সংবাদ দ্রুত মানুষের হৃদয় জয় করে, এমনকি সবচেয়ে পরিশীলিত এবং দূরদর্শী পাঠকদের আনুগত্য বাড়িয়ে তোলে।

    আমাদের অনুসরণ করো

    প্রশাসক

      [wps_visitor_counter]

      [wps_visitor_counter]

      বিষয়শ্রেণী দ্বারা ব্রাউজ করুন

      • /প্রবাসী খবর
      • অপরাধ
      • আইন/আদালত
      • আলোচিত নিউজ/ছবি
      • ইতিহাসের পাতায়
      • ইসলাম ধর্ম
      • কবিতা/ছড়া/সাহিত্য
      • করোনাভাইরাস
      • খুলনা বিভাগ
      • খেলা ধুলা
      • চট্টগ্রাম বিভাগ
      • চাকরি
      • জাতীয়
      • জেনেনিন আপনার রাশিফল
      • ঢাকা বিভাগ
      • তথ্যপ্রযুএি
      • নামাজের সূচি
      • নারী কর্মীরা প্রযুক্তিতে ন্যায্যতা
      • ন্তর্জাতিক
      • প্রশাসন
      • বরিশাল বিভাগ
      • বাণিজ্য
      • বাংলাদেশ
      • বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাস
      • বিনোদন
      • বিভাগ সমূহ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বিশ্ব
      • ভারত/কলিকাতা
      • মতামত
      • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • রংপুর বিভাগ
      • রাজধানী ঢাকা
      • রাজনীতি
      • রাজশাহী বিভাগ
      • রুপচচাৃ/বিউটি পার্লার
      • লাইফস্টাইল
      • শিক্ষা
      • স।রাদেশ
      • সর্বশেষ
      • সাংবাদিক/মিডিয়া
      • সিলেট বিভাগ
      • স্বাস্থ্য
      • হিন্দু সহ অন্যান্য
      • হোম
      কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩

      কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩

      October 22, 2026
      আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী

      আতাইকুলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন অনুষ্ঠিত, সভাপতি বাঁধন, সম্পাদক নুরুন্নবী

      October 22, 2026
      সাগরে নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস

      সাগরে নতুন লঘুচাপের সম্ভাবনা, দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস

      October 22, 2026
      • সম্পর্কিত
      • যোগাযোগ
      • শর্তাবলী
      • গোপনীয়তা নীতি
      • বিজ্ঞাপন দিন

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      Welcome Back!

      Login to your account below

      Forgotten Password?

      Retrieve your password

      Please enter your username or email address to reset your password.

      Log In
      No Result
      View All Result
      • হোম
      • সর্বশেষ
      • বিশেষ সংবাদ
      • বাংলাদেশ
      • করোনাভাইরাস
      • রাজনীতি
      • বিশ্ব
      • বাণিজ্য
      • বিভাগ সমূহ
        • ঢাকা বিভাগ
        • চট্টগ্রাম বিভাগ
        • সিলেট বিভাগ
        • খুলনা বিভাগ
        • রাজশাহী বিভাগ
        • বরিশাল বিভাগ
        • রংপুর বিভাগ
        • ময়মনসিংহ বিভাগ
      • চাকরি
      • খেলা ধুলা
      • বিনোদন
      • মতামত
      • লাইফস্টাইল

      © ২০১২ জহির হাওলাদার পরিচালিত দেশের সংবাদ >> কপিরাইট : বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে দেশের সংবাদ নিউজের সামগ্রীগুলির কোনও অননুমোদিত ব্যবহার বা পুনরুত্পাদন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং আইনী পদক্ষেপের জন্য দায়বদ্ধ কপিরাইট লঙ্ঘনকে গঠন করে। - Website Designer & SEO Specialist By Mr. Nirob

      %d